শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ মার্চ, ২০২০ ২৩:৫২

প্রতিষেধক আনবে কোন দেশ, বিশ্বে ‘যুদ্ধ’ চলছে

প্রতিষেধক আনবে কোন দেশ, বিশ্বে ‘যুদ্ধ’ চলছে

একটা রাসায়নিক ফর্মুলা! আর তার পেছনে মরিয়া গোটা বিশ্ব। ল্যাবরেটরিতে কিছু মানুষের দিনরাত এক করা চাপা উত্তেজনা, টেস্টটিউব আর ক্লিনিক্যাল ফ্লাস্কের ঠুকঠাক শব্দ, আর গোপন বার্তা... ‘উপরমহল থেকে ফোন এসেছিল। কাজ কতদূর এগোল?’ এ কাহিনির শুরু মাসচারেক আগে। চীনে এক ‘অজানা জ্বরে’ আক্রান্ত অনেকে। প্রথম মৃত্যু হলো ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহানে। সেই শুরু। এ পর্যন্ত সেই মারণজ্বর ‘কভিড-১৯’-এ পৃথিবীতে প্রাণ হারিয়েছে ১৩,৫৯৯ জন। প্যানডেমিক বা অতিমারী ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আতঙ্ক গ্রাস করেছে বিশ্বকে। একাধিক দেশের সরকার বলছে ‘যুদ্ধ-পরিস্থিতি’। অনেকে এ-ও বলছেন, ‘এ হলো তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। এবারের যুদ্ধটা নভেল করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে।’  তবে পাশাপাশি একটা অন্য ‘যুদ্ধও’ চলছে, সবার অলক্ষ্যে। যেদিন থেকে ভাইরাসটি তার জাল ছড়াতে শুরু করেছে, চীন, ইউরোপ ও আমেরিকা নেমে পড়েছে এক অন্য লড়াইয়ে ‘কে আগে প্রতিষেধক আনবে বাজারে’। ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে অন্য সময় তীব্র রেষারেষি লেগে থাকে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে তারাও পরস্পরকে সবরকম সহযোগিতায় রাজি। যদিও ক্ষমতার লড়াইয়ে রাষ্ট্রনেতারা ভুলতে পারছেন না ‘প্রথম’ হওয়ার স্বাদ। প্রশ্নগুলো ঘুরছে, ভ্যাকসিনের পেটেন্ট পাবে কোন দেশ, বিপুল মুনাফা লুটবে কে! আমেরিকা, ইউরোপ, চীনে ইতিমধ্যেই ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল (গবেষণাগারে তৈরি ওষুধ মানুষের ওপরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ) শুরু হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ আগে থেকেই ভবিষ্যদ্বাণী করছেন, প্রতিষেধক এলেও বাজারে তার জন্য হাহাকার পড়ে যাবে। কারণ যে দেশ তৈরি করবে, তারা আগে দেশের বাসিন্দাদের জন্য প্রতিষেধক নিশ্চিত করে তবে বাজারে ছাড়বে এবং মুনাফা লুটবে। আনন্দবাজার


আপনার মন্তব্য