শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:২৮

রাসায়নিক মজুদ সরানো শুরু, ক্ষোভ ব্যবসায়ীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাসায়নিক মজুদ সরানো শুরু, ক্ষোভ ব্যবসায়ীদের
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হাজী ওয়াহেদ ম্যানশনের বেসমেন্টে বেআইনিভাবে রাখা রাসায়নিক অপসারণ করা হচ্ছে -বাংলাদেশ প্রতিদিন

চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডে  সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ওয়াহেদ মঞ্জিলের বেজমেন্টে বেআইনিভাবে রাখা বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক সরাতে শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। এর মধ্য দিয়ে পুরান ঢাকার সব রাসায়নিকের গুদাম ও কারখানা অপসারণের কাজ শুরু হলো জানিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, সিটি করপোরেশনের অভিযানের সময় কারও বাড়িতে অবৈধ কেমিক্যালের মজুদ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গতকাল দুপুরে ঘটনাস্থলে এসে ওয়াহেদ মঞ্জিলের রাসায়নিকের গুদাম ঘুরে দেখেন মেয়র। এরপর দুই দফায় দুটি ট্রাকবোঝাই করে ওই মালামাল সরিয়ে নেওয়া শুরু হয়। কারও বাড়িতে রাসায়নিকের মজুদের খোঁজ জানা থাকলে তা সিটি করপোরেশনের অফিস, কাউন্সিলরের অফিসে বা থানায় জানাতে অনুরোধ করেন মেয়র। সিটি মেয়র বলেন, একটি সিসিটিভি ভিডিওতে  দেখা গেছে, গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। চকবাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মুরাদ বলেন, সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে এসব রাসায়নিক দ্রব্য কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল প্রকল্প এলাকায় নিয়ে রাখা হবে। গুদাম সরাতে নারাজ : ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরও সেখানকার বাড়িগুলোতে থাকা রাসায়নিক ও দাহ্য পদার্থের গুদাম সরাতে আপত্তি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। গুদাম খালি করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এরপর মেয়র সাঈদ খোকন গেলে তাকেও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। জানা গেছে, যে চার তলা বাড়িটি সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, নন্দকুমার দত্ত লেনের সেই বাড়ি ওয়াহেদ ম্যানশনের পাশের পাঁচ তলা ভবনে গতকাল সকালে তালা ভেঙে অভিযান চালাতে গিয়ে স্থানীয়দের বাধা পান ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। খবর পেয়ে দুপুরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন এসে ওয়াহেদ ম্যানশনের গুদামঘর থেকে রাসায়নিক কাঁচামাল সরাতে অভিযান শুরু করলে স্থানীয়রা বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভকারীদের একজন তেড়ে এসে বলেন, ‘সরকার কেমিক্যাল কেমিক্যাল কইতাছে, সরকার কেমিক্যাল কইতে কী বোঝায়, হেইডা কউক! এখানে সব ট্যালকম পাউডার, বডিস্প্রে, টায়ারের কালি, এইসব আছিল। এইগুলো কি কেমিক্যাল? আমরা কেমিক্যাল সরামু না। কেমিক্যাল এই এলাকাতেই থাকবে।’ চকবাজারের কসমেটিকস ব্যবসায়ী মো. আলীম বলেন, ‘কেমিক্যালের কারণে আগুন লাগে নাই। গোডাউনের কারণে আগুন লাগে নাই। আমাদের কেমিক্যালের গোডাউন ভাড়া দিতে হবেই। কেমিক্যালের গোডাউন সরবে না।’


আপনার মন্তব্য