Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১১ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ মার্চ, ২০১৯ ২২:৫৯

সিপিডি ডায়লগে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

২০০ কোটি ডলারের এনার্জি বন্ড ছাড়তে চায় সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০০ কোটি ডলারের এনার্জি বন্ড ছাড়তে চায় সরকার

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ জোগাড় করতে সরকার ২০০ কোটি ডলারের এনার্জি বন্ড ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে সিপিডি আয়োজিত ‘পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি সেক্টর : ইমিডিয়েট ইস্যুস অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস’ শীর্ষক ডায়ালগে এ মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, উন্নয়নশীল দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশে বিদ্যুতের দাম সবচেয়ে কম। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা। উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই, আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সময় লাগবে। কোরিয়ার          মতো দেশের সময় লেগেছে ৩০ বছর। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জ্বালানি খাতে উদ্ভাবনী বিনিয়োগ খোঁজা হচ্ছে। বাংলাদেশে সৌদি আরবের আরামকো ও চীন সরকার বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আমরা বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করব। তবে এক লাফে অনেক বৃদ্ধি করব না। বাংলাদেশে বাজারভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ সম্ভব নয়। কারণ, আমাদের বাজার এখনো স্মার্ট নয়। সরকারকেই মূল্য নির্ধারণ করে দিতে হবে। তিনি বলেন, দেশে দুর্নীতি কমে যাচ্ছে। বিএনপি-জামায়াতের সময়ে সিস্টেম লস ছিল ৪৪ শতাংশ। এখন অনেক ক্ষেত্রে সিঙ্গেল ডিজিটে নেমে এসেছে। চট্টগ্রাম ও ডেসকোতে ৭ শতাংশ সিস্টেম লস। উন্নত দেশেও ৭ শতাংশ সিস্টেম লস থাকে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, ২০০৯ সালে উৎপাদন ক্ষমতার ৪৯ শতাংশ ব্যবহার হতো। এখন ব্যবহার হচ্ছে মাত্র ৪০ শতাংশ। শীতকালে ৭৮টি পাওয়ার প্লান্ট বন্ধ ছিল। বসিয়ে রেখে খরচ দিতে হচ্ছে। এতে বিদ্যুতের দাম বেড়ে যাচ্ছে। ভারত ৬ ডলার দিয়ে এলএনজি কিনতে পারলে আমরা কেন ১০ ডলার দিয়ে কিনব।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিম বলেন, অনেকদিন হল সমুদ্রসীমা বিজয় অর্জন করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেভাবে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান হয়নি। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কথা বলা হচ্ছে। অনেকগুলো চুক্তি করা হয়েছে সেখানে মাত্র দুটির কাজ চলছে। আর অন্যগুলো আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এখান থেকে দ্রুত বের হয়ে আসতে হবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ মকবুল ই ইলাহী চৌধুরী বলেন, পেট্রোবাংলার লাইব্রেরিতে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রিত। কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। বিদেশি কোম্পানি কেন আগ্রহী হবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সিপিডি’র পক্ষ থেকে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষণা ডিরেক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম সাফল্য হচ্ছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। বিদ্যুতের ঘাটতি তারা সফলতার সঙ্গে মেটাতে সক্ষম হয়েছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিডি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান, বিশেষ ফেলো ড. মুস্তাফিজুর রহমান।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর