Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:১৪

মামলায় জর্জরিত বিএনপি এখন ঘরকুনো

মামলায় জর্জরিত বিএনপি এখন ঘরকুনো

ময়মনসিংহের রাজপথে বিএনপির মিটিং-মিছিলের উত্তাপ এখন ক্ষীণ। দলটির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের কাঁধে এখন মামলার খড়গ। জেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। এখন মামলার ভারে নাভিশ্বাস উঠেছে দলটির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা। এক সময়ের প্রতাপশালী বিএনপি এখন ঘরকুনো। আসামি হিসেবে অনেকেরই পূর্ণ হয়েছে হাফ সেঞ্চুরি। এ কারণে দিবসভিত্তিক কর্মসূচিতে নেতা-কর্মীদের দেখা গেলেও রাজপথের বিক্ষোভ বা আন্দোলন কর্মসূচিতে কমই দেখা যায় নেতা-কর্মীদের। একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীন দলের  নেতা-কর্মীরা যখন নিজেদের অবস্থান রাজনৈতিক অঙ্গনে পোক্ত করছেন তখন বিএনপি নেতা-কর্মীরা আদালতের বারান্দায় ঢুঁ দিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন। জামিন তৎপরতায় অনেকেই দলীয় নেতা বা দলীয় আইনজীবীদের সহায়তা পাচ্ছেন। আবার অনেকের ভরসা শুধুই স্বজন। জানা যায়, ময়মনসিংহ বিএনপির তৃণমূল থেকে জেলার শীর্ষ নেতারা এখন হতাশায় নিমজ্জিত। এক সময়ের প্রতাপশালী বিএনপি এখন অনেকটাই ঘোরকুনো। সাংগঠনিক কার্যক্রমেও গতি নেই। অন্যদিকে নির্বাচনের আগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আত্মপ্রকাশ হলেও জেলা পর্যায়ে নেই কোনো অস্তিত্ব। আর বিএনপির অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীও রাজনীতিতে অদৃশ্য। তবে এমন পরিস্থিতির জন্য পুলিশ প্রশাসনকেই দোষারপ করছে দীর্ঘ ১৩ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকা দলটি। শীর্ষ নেতারা বলছেন, দলীয় কার্যালয়টি পুলিশের অনুমতি ছাড়া খোলা যায় না। সবসময় পুলিশের অবৈধ হস্তক্ষেপ থাকে। কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির পালন করতে নির্দিষ্ট সময় ও পরিসরও ঠিক করে দেয় প্রশাসন। গেল ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতেও ময়মনসিংহে নগরীর নতুন বাজার দলীয় কার্যালয় থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালি বের করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পরে দলীয় কার্যালয়ের সামনেই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলছেন, ‘ইচ্ছা থাকলেও নেতা-কর্মীরা একসঙ্গে জড়ো হতে পারে না। আমাদের অন্তত ৮ হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। এরপরও মানুষের বৃহৎ স্বার্থের কথা ভেবে রাজপথে নামলে আবারও মামলা-হামলায় পড়তে হচ্ছে।’ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী বলেন, আগের মতো প্রোগ্রাম করার মনমানসিকতা আমাদের প্রত্যেক কর্মীর আছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, দলীয় কার্যালয়টিতেও এখন বসতে পারি না আমরা। সবসময়ই পুলিশ পাহারায় থাকে কার্যালয়টি।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর