শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২৩:৪৯

গৃহবধূ ধর্ষণ, পুলিশের এএসআই ক্লোজড

ফেনী প্রতিনিধি

ফেনীর সোনাগাজীতে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে সোনাগাজী মডেল থানার এএসআই সুজন চন্দ্র দাসকে ফেনীর পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল আহমেদ ভূঁইয়া জানান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি অফিসের অপরাধ বিভাগের পুলিশ সুপার হাসান মাহমুদ বিষয়টি তদন্ত করছেন। বৃহস্পতিবার ওই নারী ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পুলিশ কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র দাস তাকে ধর্ষণ করেছেন বলে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। বাদী জানান, ১০ সেপ্টেম্বর তাকেসহ তার পালক বাবা-মাকে চাচা ও চাচাতো ভাই মিলে মারধর করে আহত করেন। এ ঘটনায় ওই দিন বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় চাচা, চাচি ও চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই সুজন চন্দ্র দাস যাতায়াত খরচ চাইলে দিতে পারেননি তিনি। বাড়ি ফিরে যাওয়ার সময় থানার মাঠে দেখা হয় রহিমা সুন্দরী নামের এক নারীর সঙ্গে। রহিমা সুন্দরী নিজেকে পুলিশ পরিচয় দেন। পরে রহিমা সুন্দরী তাকে তার বাসায় নিয়ে যান। ১৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে এএসআই সুজনকে তার বাড়িতে আসতে বলেন রহিমা সুন্দরী। এএসআই সুজন ওই বাড়িতে এসে তাকে ধর্ষণ করেন।

পরে একই রাতে শম্ভু শিকদার, আফলাছসহ পাঁচ যুবক ঘটনা দেখে ফেলেছেন বলে তাকে ধর্ষণ করেন। ওই গৃহবধূ এর আগে মঙ্গলবার বাদী হয়ে সঞ্জু শিকদার, রহিমা সুন্দরী ও আফলাছ হোসেনসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। তবে ভয়ে পুলিশ কর্মকর্তা সুজনের নাম মামলায় উল্লেখ করেননি বলে জবানবন্দিতে তিনি উল্লেখ করেন। পুলিশ মঙ্গলবার রাতে সঞ্জু শিকদার ও রহিমা সুন্দরীকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।


আপনার মন্তব্য