শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:৪১

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ র‌্যাব বিজিবিসহ ৪২ হাজার সদস্য

গোলাম রাব্বানী

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ র‌্যাব বিজিবিসহ ৪২ হাজার সদস্য

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৪২ হাজার ৮৭০ জন সদস্য। ভোটের আগে দুই দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর এক দিনসহ মোট চার দিন মাঠে থাকবেন তারা। এ ছাড়া মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে থাকবেন বিজিবি-র‌্যাব ও পুলিশের সদস্যরা। বিজিবির টহল টিমের সঙ্গে থাকবেন একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ ছাড়া ভোটের আগেই চিহ্নিত অপরাধী-সন্ত্রাসী ও ভোটে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে এমন দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার নির্দেশও দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দুই সিটি নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইসি আজ বৈঠকে বসবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা থাকবেন। আজকের বৈঠকের জন্য প্রস্তুত করা কার্যপত্রে নির্বাচনী নিরাপত্তার উল্লেখযোগ্য পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে- গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা; ভোটের দিন কেন্দ্রের চৌহদ্দির মধ্যে ধূমপান নিষিদ্ধ ও দিয়াশলাই, লাইটারসহ দাহ্য পদার্থ বহনে কড়াকড়ি আরোপ করা, নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে ভোটারদের কেন্দ্রে যাওয়া-আসার জন্য আগে থেকেই নির্বাচনী এলাকায় নিবিড় টহলের ব্যবস্থা  নেওয়া। উত্তর সিটির মোট ১ হাজার ৩১৮ কেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৮ এবং সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন। একই সংখ্যক সদস্য দক্ষিণের ১ হাজার ১৫০ কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বেও থাকবেন। তবে ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা চার দিনের জন্য নিয়োজিত থাকলেও অঙ্গীভূত আনসার ও ভিডিপির সদস্যরা ৫ দিনের জন্য নিয়োজিত থাকবেন। এ ছাড়া উত্তরের ৫৪টি সাধারণ ওয়ার্ডের জন্য মোবাইল ফোর্সের টিম ৫৪টি, স্ট্রাইকিং ফোর্সের টিম ১৮টি, র‌্যাবের ৫৪ টিম এবং বিজিবির সদস্য থাকবেন ২৭ প্লাটুন। আর দক্ষিণে ৭৫টি সাধারণ ওয়ার্ডের জন্য মোবাইল ফোর্স ৭৫ টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্সের টিম ২৫টি, র‌্যাবের ৭৫ টিম এবং বিজিবির সদস্য থাকবেন ৩৮ প্লাটুন। কার্যপত্রে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এসব সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ভোট কেন্দ্রের বাইরে র‌্যাব-পুলিশের টিম থাকবে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় চার দিনের জন্য ১২৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবেন। ভোটের আগে-পরে ৫ দিন উত্তরে ২৭ জন এবং দক্ষিণে ৩৭ জন বিচারিক হাকিম নিয়োজিত থাকবেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর