শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:১৯

জেলার রাজনীতি জয়পুরহাট

আওয়ামী লীগে বিভক্তি-কোন্দল মামলায় বিপর্যস্ত বিএনপি

মাজেদ রহমান, জয়পুরহাট

২০১৪ সালের ৯ নভেম্বর কাউন্সিলের পর চলতি বছর ৫ মার্চ জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল হতে যাচ্ছে। তিনবার ক্ষমতায় থাকার পরও জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের অবস্থা লেজে-গোবরে। কোন্দল আর বিভক্তিতে এখানে দলটি বিপর্যস্ত।

পাশাপাশি মামলায় বিপর্যস্ত জয়পুরহাট জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা। জেলার প্রায় পাঁচ হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে চলছে পাঁচ শতাধিক মামলা। বিএনপির যে কোনো  কর্মসূচি পুলিশের বাধার কারণে দলীয় কার্যালয়ের ৩০ গজের মধ্যে সীমাবদ্ধ। নতুন করে তৃণমূল পর্যায়ে দল গোছানোর কাজে হাত দিলেও তা হোঁচট খাচ্ছে নিজ দলের ভিন্ন মতের কারণে। এক গ্রুপ অন্য গ্রুপের বিরুদ্ধে তীর ছুড়ছে কমিটিতে নিজেদের পছন্দের লোক স্থান দেওয়া নিয়ে। বিএনপি করা সাচ্চা মানুষগুলো স্থান পাচ্ছেন না কমিটিতে। সব মিলিয়ে জেলা বিএনপি এখন কূলহারা। জয়পুরহাট জেলা জাতীয় পার্টিও অনেকটা নিষ্ক্রিয়। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আ স ম মোক্তাদির তিতাস এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজুর রহমান। মেয়াদ শেষ হলেও এখন পর্যন্ত উপজেলা, ইউনিয়ন ও পৌর কমিটি গঠন করা হয়নি। তবে জয়পুরহাট জাতীয় পার্টি জি এম কাদেরের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে বলে জানান নেতারা। এ ছাড়া বাসদ, কমিউনিস্ট পার্টির কমিটি থাকলেও তেমন কোনো কর্মসূচি দেখা যায় না তাদের। বাসদের সমন্বয়ক অধ্যক্ষ ওয়াজেদ পারভেজ ও কমিউনিস্ট পার্টির জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান বদি এ দল দুটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অন্যদিকে জয়পুরহাট জামায়াতের বেশির ভাগ নেতা-কর্মী-সমর্থকই ২০১৩-২০১৪ সালের বিভিন্ন সময়ে নাশকতা, জ্বালাও-পোড়াও মামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত। কেন্দ্রীয় নেতাদের যুদ্ধাপরাধ মামলায় ফাঁসি ও সাজা হওয়ায় জামায়াতের সাংগঠনিক অবস্থা প্রকাশ্যে স্থবির। তবে আন্ডারগ্রাউন্ডে তাদের দলীয় কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর