শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০ ২৩:৫০

প্রচলিত নিয়মেই ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ বইমেলার ভাবনা

মোস্তফা মতিহার

১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত অমর একুশে গ্রন্থমেলা, ২০২১-এর প্রাথমিক সময় নির্ধারণ করে খসড়া প্রস্তাব তৈরি করেছেন প্রকাশকরা। বাংলা একাডেমিতে প্রস্তাব পাঠানোর আগে আজ সকালে তারা সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদের সঙ্গে দেখা করে প্রস্তাবগুলোর সংযোজন- বিয়োজন করবেন। এরপর আজ অথবা ১৭ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমির কাছে প্রস্তাবগুলো জমা দেওয়া হবে। এতে মেলা আয়োজনের প্রস্তুতির জন্য বাংলা একাডেমি দুই মাস সময় পাবে। এমন তথ্য জানিয়েছেন প্রকাশকরা।

গত বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমির নির্বাহী পর্ষদের সভায় ২০২১ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলা সাময়িক স্থগিত রেখে ভার্চুয়ালি আয়োজনের সিদ্ধান্তের পর প্রকাশকরা প্রতিবাদ জানান। পরে বাংলা একাডেমির সঙ্গে বৈঠকেও বসেন বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি ও বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক বিক্রেতা সমিতির নেতারা। প্রকাশকদের চাপের মুখে রবিবারের ওই বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত হয় ভার্চুয়ালি নয়, শারীরিক উপস্থিতিতেই মেলার আয়োজন হবে। আর ওই বৈঠকে মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী স্বাস্থ্যবিধি মেনে বইমেলার আয়োজন নিয়ে প্রকাশকদের কাছে লিখিত প্রস্তাব ও শারীরিক উপস্থিতিতে মেলা আয়োজনের জন্য প্রকাশকদের কাছে দুই মাস সময় চান। বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘শারীরিক উপস্থিতিতে মেলার আয়োজনের জন্য বাংলা একাডেমি আমাদের কাছে লিখিত প্রস্তাবের পাশাপাশি দুই মাস সময় চায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত রবিবার রাতে আমরা দুই সমিতি বৈঠকে বসে প্রস্তাব তৈরি করি। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে কিছু সংযোজন-বিয়োজন করে আজ বা ১৭ ডিসেম্বর প্রস্তাবগুলো লিখিত আকারে বাংলা একাডেমিতে জমা দেব। প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর ১৭ ফেব্রুয়ারি দুই মাস সময় পূর্ণ হবে। মহাপরিচালক যে দুই মাস সময় চেয়েছেন সে দুই মাস পেয়ে যাবেন। আমরা আশা করি এ দুই মাসের মধ্যেই একাডেমি তাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারবে।’ এ বিষয়ে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘প্রস্তাব না পেলে কিছুই বলতে পারব না। ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত প্রকাশকরা যে সময় ভেবে রেখেছেন সেই সময়ের বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। আমরাও চাই মেলা সঠিক সময়েই আয়োজিত হোক। প্রকাশকদের দাবি অনুযায়ী শারীরিক উপস্থিতিতে বইমেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত আমরা ঠিকই নিয়েছি। তবে সবকিছু নির্ভর করছে পরিস্থিতির ওপর।’


আপনার মন্তব্য