শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:১৯

আমলাদের আচরণবিধির বাইরে যাওয়া উচিত নয়

-আলী ইমাম মজুমদার

আমলাদের আচরণবিধির বাইরে যাওয়া উচিত নয়
Google News

সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কীভাবে চলবেন সে বিষয়ে আচরণবিধি আছে। তাদের সেই আচরণবিধির বাইরে যাওয়া উচিত নয়। প্রশাসনের বিভিন্ন ক্যাডারের গ্রুপভিত্তিক ফেসবুক থাকতে পারে। সেখানে যদি তারা কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নেয় তাহলে সমস্যা। এটা দোষণীয়। কিন্তু প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনো গ্রুপ করে একাডেমিক আলোচনা,  পারস্পরিক মতবিনিময় কিংবা আইনগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তা দোষণীয় বলে আমি মনে করি না।

গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে ফোনে আলাপচারিতায় তিনি এ কথা বলেন। আলাপকালে আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, আমলাদের জন্য দোষণীয় হবে যদি তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই হোক বা বৈঠকেই হোক রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কোনো মতবিনিময় করেন। এ ছাড়া তারা যদি কারও পক্ষে বিপক্ষে অবস্থান নেন কিংবা এমন কোনো মতবিনিময় করে যা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে, তাহলে তা দোষণীয় হবে। আচরণবিধিও লঙ্ঘন হবে। আচরণবিধির বাইরে যায় এমন কোনো কাজে আমলাদের জড়িত হওয়া উচিত নয়। আমলারা কোনো রাজনৈতিক সভা সমাবেশে যেতে পারেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা নির্ভর করবে সরকারের ওপর। আজকে যিনি সরকারপ্রধান তিনি আবার আওয়ামী লীগের সভানেত্রীও। তাই তিনি যখন কোনো রাজনৈতিক সভা সমাবেশে যান সেখানে ক্ষেত্র বিশেষে আমলাদেরও যেতে হয়। সেটা নিরাপত্তার কারণই হোক বা প্রটোকলের কারণেই হোক। তবে তারা রাজনৈতিক সভা সমাবেশে অংশ নিতে পারবেন না। সভা সমাবেশে বক্তৃতাও করতে পারবেন না। সাবেক এই মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, ইউএনও-এসি ল্যান্ড বা মাঠ পর্যায়ের সব কর্মকর্তা সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। সরকার যত আইন-বিধিনিষেধ আরোপ করে, তা তাঁদের মাধ্যমেই প্রয়োগ হয়। সামান্য লকডাউন করতে গেলেই দেখা যায় ইউএনওর গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয় বা যে কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে গেলে অনেকে ক্ষুব্ধ হয়। এই কর্মকর্তারা কিন্তু সরকারের নির্দেশেই এসব করেন। ইউএনও-এসি ল্যান্ডদের নিরাপত্তার দরকার রয়েছে। 

এই বিভাগের আরও খবর