শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ মে, ২০২১ ২৩:৪৮

অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকদের রেশনিং সুবিধা জরুরি

ড. মাহফুজ কবীর

অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকদের রেশনিং সুবিধা জরুরি

২০২১-২২ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামাগ্রী স্বল্পমূল্যে রেশনিং সুবিধায় সরবরাহের পরামর্শ দিয়েছেন বিআইআইএসএস গবেষণা পরিচালক ড. মাহফুজ কবীর। এই অর্থনীতিবিদ বলেছেন, কাজ কমে যাওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষের আয় কমে গেছে। তাই সামাজিক সুরক্ষা খাতের আওতা বাড়াতে হবে। নতুন করে দারিদ্র্যসীমার বাইরে চলে যাওয়া জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে যতটা সম্ভব সহায়তা দিতে হবে। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) গবেষণা পরিচালক ড. মাহফুজ কবীর। তিনি বলেন, মহামারী করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা মোকাবিলায় সরকার ঈদের পর লকডাউন তুলে দিতে পারে। ফলে আবারও বাড়তে পারে করোনার সংক্রমণ। এক কথায় ঈদের পর করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য ও আর্থিক খাতে সহায়তা অধিক হারে বাড়াতে হবে। কর্মসংস্থানের নতুন নতুন প্রকল্প নিতে হবে। নিম্ন আয়ের মানুষকে কাজ দিতে হবে, তাদের আয় অনেক কমে গেছে। অতিক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য দিতে হবে বিশেষ সহায়তা। তিনি বলেন, তৈরি পোশাকশিল্পের বাইরে অন্যান্য শিল্প খাতের এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক শিল্প খাতের শ্রমিকদের রেশনিং দিতে হবে। এটা সহজে টিসিবির মাধ্যমে সম্ভব। পাশাপাশি বাড়াতে হবে সামাজিক সুরক্ষার আওতা। উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে বাড়াতে হবে অর্থসহায়তার পরিমাণ। এটা না করতে পারলে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠী দারিদ্র্যসীমার মধ্যে পড়ে যাবে। তাদের বাঁচাতে আসছে বাজেটে পদক্ষেপ চাই। বিআইআইএসএসের এই গবেষণা পরিচালক বলেন, আসছে বাজেটে তামাকের করকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন দরকার। এজন্য তামাকপণ্যে সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করতে হবে। বিশেষ করে সিগারেটের নিম্নস্তরে প্রস্তাবিত কর ও দাম প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা গেলে রাজস্ব বাড়বে। নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে। কারণ সিগারেট ব্যবহারকারীর প্রায় ৭২ শতাংশ নিম্নস্তরের সিগারেট ব্যবহার করেন।

ড. মাহফুজ কবীর বলেন, রূপকল্প ২০২১ ও ভিশন ২০৪১ সরকারের এ দুটি পরিকল্পনা স্পষ্ট করেছে কোন কোন খাতে কী কী কাজ করতে হবে। সরকারের নীতিসহায়তা, সরাসরি বিনিয়োগের সুফল পাচ্ছে জনগণ।

করোনার মধ্যেও উন্নয়ন ধরে রাখা গেছে, যা অনেক দেশই পারেনি। এসব অর্জনের স্বীকৃতি দিচ্ছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনও।

এই বিভাগের আরও খবর