শিরোনাম
শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:০০ টা
অষ্টম কলাম

৪০০ বছর আগের এক গম্বুজ মসজিদ

দিনাজপুর প্রতিনিধি

৪০০ বছর আগে মুঘল আমলে নির্মিত প্রাচীন কারুকার্যখচিত এক গম্বুজ মসজিদটি আজও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এ মসজিদটিকে দেশের সবচেয়ে ছোট মসজিদ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। চুনসুরকি দিয়ে নির্মিত মসজিদটিতে এখন নামাজ হয় না। মসজিদের সামনে ফাঁকা মাঠে দুই ঈদের জামাত হয়। মসজিদ ঘিরে অনেক কাহিনি রয়েছে। এখন মসজিদটি পরিচালিত হয়ে আসছে বংশপরম্পরায়। মসজিদের ভিতরে দুই সারিতে চার-পাঁচ জন করে নামাজ আদায় করতে পারেন।

ব্যক্তিগতভাবে নির্মিত মসজিদের বিভিন্ন গাছে সাঁটানো ফলক থেকে জানা যায়, এটি স্থাপিত হয় ১০১০ বাংলা সন, ১৬০৪ খ্রিস্টাব্দে। সংস্কার করা হয়েছে ২০১১ খ্রিস্টাব্দে। তবে ফলকটিও সংস্কার করা। দিনাজপুরের বীরগঞ্জ শহর থেকে ৫ কিমি দূরে ভোগনগর ইউনিয়নের ভাবকী গ্রামে অবস্থিত এ মসজিদে সড়কপথে যাওয়া যায়। এ মসজিদ সম্পর্কে অনেকের জানার আগ্রহ লক্ষণীয়। কিন্তু এ বিষয়ে তেমনভাবে কেউ জানেন না বলেছেন। স্থানীয়রা মনে করেন, এটিই হয়তো দেশের সবচেয়ে ছোট মসজিদ। দেশের কোথাও এত ছোট প্রাচীন মসজিদ আছে বলে জানা নেই। স্থানীয় সত্তর বছরের তফিজুল আলম বলেন, ‘এটি আমরা ছোট থেকে দেখে আসছি। তবে ছোট হওয়ায় মসজিদে আর নামাজ করা হয় না। একসময় এখানে নামাজ আদায় করতেন যারা প্রতিষ্ঠা করেছেন। তবে মসজিদের সামনের ফাঁকা মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করে এলাকার মানুষ।’ মসজিদ পরিচালনায় দায়িত্ব পালনকারী আলম বলেন, ‘আমার বংশধরদের একজন ব্যক্তিগতভাবে এ মসজিদটি নির্মাণ করেন। তিনি ইমাম পীর নামে খ্যাত ছিলেন। মসজিদটি ভেঙে যাওয়ায় সংস্কার করা হয়েছে।

প্রতি বছর রক্ষণাবেক্ষণ করে নতুনত্ব বজায় রাখার চেষ্টাও হয়। মসজিটি ৫ বিঘা জমির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এর মধ্যে মসজিদের পাশে প্রাচীন একটি কবর এবং পেছনে একটি বড় পুকুর রয়েছে। ২০১১ সালে সংস্কার করা হয়েছে মসজিদটি।’

সর্বশেষ খবর