শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫৩, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫

শাহবাগে ফ্যাসিবাদ ইস্যুতে মাহফুজ আলমের ব্যাখ্যা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
শাহবাগে ফ্যাসিবাদ ইস্যুতে মাহফুজ আলমের ব্যাখ্যা

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম শাহবাগ ও জামায়াতের রাজনীতি নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন।  

বুধবার (১২ মার্চ) মাহফুজ আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টের এক স্ট্যাটাসে তিনি এ ব্যাখ্যা দেন।

তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো, ‘জামায়াত যুদ্ধাপরাধের সহযোগী ছিল। কিন্তু, নাহিদ ইসলাম যেভাবে বলেছেন এ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তারা কাফফারা দিয়েছেন। আমিও বলেছি, জামায়াতের যারা বাংলাদেশপন্থী, তারা এদেশে রাজনীতি করার অধিকার রাখেন। জামায়াতের নতুন প্রজন্মের অল্প কিছু ব্যতিক্রম বাদে কেউই পাকিস্তানপন্থী নন। ফলে, স্বাধীনতাবিরোধী ট্যাগ দিয়ে জামায়াত-শিবিরের রাজনৈতিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করা যাবে না। রাজনৈতিক ও আদর্শিক লড়াই করেই তাদের বিরুদ্ধে জিততে হবে। তাদের প্রোপাগান্ডা ওয়ারের জবাব দিতে হবে সত্য দিয়ে।

শাহবাগে যারা গিয়েছিল একটা বড় অংশ ‘চেতনা’র অন্ধতায় পড়ে গিয়েছিল। অনেক ছাত্র- তরুণ ইসলামবিদ্বেষ থেকে না, বরং নিছক যুদ্ধাপরাধী বিচারের দাবিতে গিয়ে উপস্থিত ছিল। তরুণ প্রজন্মের আবেগকে আওয়ামী লীগ ও বামপন্থীদের মুজিববাদী অংশ কাজে লাগিয়ে এদেশে মবোক্রেসি কায়েম করেছিল। যার ফসল ছিক দীর্ঘ এক দশকের ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন- বিরোধীদলীয় কর্মীদের গুম, খুন, ধর্ষণ ও নিপীড়ন।  

কিন্তু, শাহবাগে অংশ নেয়া অনেক ছাত্র- তরুণই তাদের ভুল বুঝতে পেরে মুজিববাদী বয়ানের বাইরে যেতে চেয়েছেন। গত কয়েক বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তারা অংশীজন ছিলেন। আহতও নিহত হয়েছেন। তারা আমাদের সহযোদ্ধা। তারা আমাদের কমরেডস বটেন! এ অভ্যুত্থানে শক্তিশালী ভূমিকা রেখে তারা লীগ ও মুজিববাদের পরাজয় নিশ্চিত করেছেন। তারা ইতোমধ্যে তাদের রাজনৈতিক ভুলের প্রায়শ্চিত্ত তথা কাফফারা আদায় করেছেন।
 
আমি নিজে শাপলায় এসেছিলাম লংমার্চে নবীজির প্রতি ভালোবাসায়। ৫ ই মে তে আমি আসতে পারিনি। কিন্তু, যুদ্ধাপরাধের বিচার ও জামায়াত নেতাদের ভূমিকা নিয়ে আমাদের আগ্রহ ছিল না। আমরা মূলত নবীজির সম্মান ও ভালোবাসা সামনে রেখে ঢাকায় এসেছিলাম। আমি শর্ষিণাপন্থী যে মাদ্রাসায় পড়েছি, সেখানে জামায়াত নেতাদের ভ্রান্ত আকিদার অনুসারী হিসাবে গণ্য করা হত। আর, জামায়াত নেতাদের ফাঁসিকে দেখা হত তাদের আলেম ও সহি ‘ইসলাম’ বিরোধিতার ফসল হিসেবে। জামায়াতকে আমরা ছোটবেলা থেকে আলেম- ওলামা বিরোধী হিসাবেই জেনে এসেছি।  

অনেকেই হয়ত খেয়াল করেন না, অধিকাংশ শাপলার কর্মীরাই আসলে জামায়াতের আকিদা (বিশ্বাস ও কর্মপন্থা) ও নেতৃত্ব বিরোধী। শাপলার অনেক নেতৃত্বই জামায়াতের আলেম ও পীরপন্থা বিরোধিতার শিকার। এমনকি অনেকেই জামায়াত ও শিবির নেতাদের কর্তৃক নিগৃহীত ও নিপীড়িত হয়েছেন। কিন্তু, জামায়াত সফলভাবেই তাদের প্রক্সি হিসেবে ব্যবহার করতে পেরেছে। যেমন লীগ ‘শাহবাগী’দের ব্যবহার করেছে।  

আমরা অভ্যুত্থান- উত্তর সময়ে উপনীত হয়েছি। এখানে জামায়াতকে বা শিবিরের কর্মীদের ‘রাজাকার’, ‘স্বাধীনতাবিরোধী’ বলে বধযোগ্য করার যে বয়ান সেটার বিরোধী আমরা। তেমনি, শাহবাগের ইসলামফোবিয়ার বিরুদ্ধেও আমাদের অবস্থান। এ ইসলামফোবিয়ার শিকার আমি নিজে হয়েছি। পাঞ্জাবি টুপি পরলেই জঙ্গিবাদী বলা থেকে শুরু করে মাদ্রাসাছাত্রদের ও আলেমদের বিমানবিকীকরণের জন্য শাহবাগ দায়ী। শাহবাগের সাংস্কৃতিক বন্দোবস্ত বিএনপি- জামায়াতসহ বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ঊন-মানুষে পরিণত করেছিল।  
কিন্তু, অভ্যুত্থান- উত্তর সময়ে একটি সংলাপমুখর সময় এসে উপস্থিত হয়েছে। শাপলা- শাহবাগের বাইনারির বাইরে এসে শাহবাগের প্রাণভোমরা - মুজিববাদ, ভারতপন্থা ও শেখ পরিবারের বিরুদ্ধে পুরাতন শাপলা ও শাহবাগের কর্মীদের ‘কমরেডস’ হয়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। আসলে, শাপলা- শাহবাগের কর্মীরা কমরেডস হয়েছিল বলেই শেখ হাসিনার পতন ঘটেছিল। এদিকে, শাপলার নেতৃত্বের জন্যও কারো প্রক্সি না হয়ে রাষ্ট্রে ইজ্জত ও শরিকানা দাবির সুন্দর সুযোগ উপস্থিত হয়েছিল।  

আমি আমার আগের দুটি পোস্টে আলেম- ওলামাদের ধন্যবাদ দিয়েছিলাম তাদের শক্তিশালী ভূমিকার জন্য। তৌহিদবাদী জনতার নেতৃত্ব যেন ফ্রিঞ্জ এলেমেন্টের হাতে না গিয়ে মূলধারার হকপন্থী আলেমদের হাতে থাকে, এ আশা রাখি। মূলধারার আলেমরা আশা করি গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে, দেশের পক্ষে দাঁড়িয়ে শাহবাগের মবোক্রেসি ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন। নিজেরা সে সংস্কৃতির অনুকরণ করবেন না। এক্ষেত্রে আমরা মজলুম ও গণতান্ত্রিক মূলধারার আলেমদের পক্ষেই থাকব।

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শাপলার গণহত্যার বিচারের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা শাপলার হত্যাযজ্ঞ ডকুমেন্টেশনের কথা বলেছেন। আশা করি, শাপলায় শহিদ মাদ্রাসাছাত্র ও আলেমদের বিরুদ্ধে যে নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে বর্বর শেখ হাসিনা, তার সুষ্ঠু তদন্ত, ডকুমেন্টেশন ও বিচার নিশ্চিত হবে।  
 
সাবেক ‘শাহবাগী’ যারা অভ্যুত্থানের ভেতর দিয়ে নিজেদের ন্যায্য অবস্থান ব্যক্ত করেছেন, লড়াই করেছেন- তাদের কোনভাবেই বধযোগ্য করে তোলা যাবে না। যাকে তাকে ‘শাহবাগী’ ট্যাগ দিয়ে অভ্যুত্থান- উত্তর সময়ে বৃহত্তর সংহতির সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করা যাবে না। শাপলাপন্থী কেউ যদি ভাবেন, লীগ বিরোধী ও অভ্যুত্থানের পক্ষের সাবেক ‘শাহবাগী’দের শত্রু ও বধযোগ্য বানিয়ে তারা সফল হবেন, তা কিন্তু হবে না। আপনি শাপলার হয়ে মবোক্রেসি ও বিচারহীনতার দাবি করলে আপনিও তো ‘শাহবাগী’ হয়ে উঠবেন, নাকি? বামপন্থীদের মধ্যে যারা মুজিববাদ বিরোধী, তারা কিন্তু অনেক আগে থেকেই শাপলার হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন। ফলে,শত্রু- মিত্র ফারাক করা আমাদের জন্য খুবই জরুরি।  

তবে, পুরাতন ‘শাহবাগী’, যারা এখনো শাহবাগের প্রাণভোমরা- মুজিববাদ, ভারতপন্থা ও শেখ পরিবারের প্রতি আনুগত্যকে নিজেদের আদর্শ বলে মনে করেন, তাদের বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া উচিত হবে না। এরাই গুম ও গণহত্যার উসকানি দিয়েছিল ও ন্যায্যতা তৈরি করেছিল। জুলাই গণহত্যার সময়ও এরা চুপ ছিল, কেউ কেউ বৈধতা উৎপাদনে ব্যস্ত ছিল। বিদেশ থেকে এখনো যারা ফ্যাসিবাদের পক্ষে সাফাই গাইছে, এদের একটা বড় অংশ শাহবাগের ফ্যাসিবাদী। এরা জনগণের শত্রু, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের শত্রু, গণ-অভ্যুত্থানের শত্রু। এদের বিচার শুরু হয়েছে, শেষ ও হবে।  

অভ্যুত্থান- উত্তর বাংলাদেশে শাহবাগে বেড়ে ওঠা মবোক্রেসি ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি সব পক্ষকেই বাদ দিতে হবে। গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও সহনাগরিকদের সাথে মর্যাদাপূর্ণ সংলাপ ও সংহতির দিকে সবাইকে এগুতে হবে। শাহবাগের ছাত্র- তরুণ যারা মুজিববাদের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়েছেন, ‘শাহবাগী’ ট্যাগ দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মব উস্কে দেয়া বা বিভেদ তৈরি সবাইকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। রাজনৈতিক Vendetta থেকে হরেদরে সবাইকে শাহবাগী বলা বন্ধ করতে হবে। গণ- অভ্যুত্থানের শক্তিগুলোর মধ্যে আদর্শিক ও সাংস্কৃতিক লড়াই থাকবেই। কিন্তু, গণ-অভ্যুত্থানের শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমাদেরকে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া ও  মৈত্রী বাড়াতে হবে, শত্রু কমাতে হবে এবং চিহ্নিত শত্রুর দীর্ঘমেয়াদে পরাজয় নিশ্চিত করতে হবে’।

এই বিভাগের আরও খবর
বিবাহ নিবন্ধনে ডিজিটাল জন্মসনদ বাধ্যতামূলক করা হবে
বিবাহ নিবন্ধনে ডিজিটাল জন্মসনদ বাধ্যতামূলক করা হবে
গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা
গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা
বাংলাদেশে বাণিজ্য ও জলবায়ু কার্যক্রমে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার অঙ্গীকার
বাংলাদেশে বাণিজ্য ও জলবায়ু কার্যক্রমে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার অঙ্গীকার
মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী
মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
চলতি অর্থবছরের ৫৬ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস
চলতি অর্থবছরের ৫৬ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস
প্রতিটি সংসদীয় আসনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনার খবর ভিত্তিহীন
প্রতিটি সংসদীয় আসনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনার খবর ভিত্তিহীন
ইউজিসির ৯ কর্মকর্তার দায়িত্বে রদবদল
ইউজিসির ৯ কর্মকর্তার দায়িত্বে রদবদল
ট্রাইব্যুনালে বেনজীরের বিরুদ্ধে ১০ মামলা, ফেরাতে এনসিবিতে চিঠি দেবে তদন্ত সংস্থা
ট্রাইব্যুনালে বেনজীরের বিরুদ্ধে ১০ মামলা, ফেরাতে এনসিবিতে চিঠি দেবে তদন্ত সংস্থা
দিল্লির ঘটনায় ভারতীয় দূতকে ডেকে যা জানালো ঢাকা
দিল্লির ঘটনায় ভারতীয় দূতকে ডেকে যা জানালো ঢাকা
সামষ্টিক চাপে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে রুমিন ফারহানার প্রশ্ন
সামষ্টিক চাপে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে রুমিন ফারহানার প্রশ্ন
লিবিয়া হয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করলে ফেরত পাঠাবে ইতালি
লিবিয়া হয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করলে ফেরত পাঠাবে ইতালি
সর্বশেষ খবর
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য উৎপাদন, ফেনীতে এক বেকারিকে জরিমানা
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য উৎপাদন, ফেনীতে এক বেকারিকে জরিমানা

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

আমূলে বদলে গেলেন এমবাপ্পে!
আমূলে বদলে গেলেন এমবাপ্পে!

১৭ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ৪ মাংস বিক্রেতাকে জরিমানা
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ৪ মাংস বিক্রেতাকে জরিমানা

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নাঙ্গলকোট প্রেস ক্লাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত
নাঙ্গলকোট প্রেস ক্লাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৯০ শতাংশ আয় হারিয়ে ট্রাম্পের নীতিকে দুষলেন এমিজয়ী অভিনেত্রী
৯০ শতাংশ আয় হারিয়ে ট্রাম্পের নীতিকে দুষলেন এমিজয়ী অভিনেত্রী

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় এআইভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ চসিকের
সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় এআইভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ চসিকের

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

বিবাহ নিবন্ধনে ডিজিটাল জন্মসনদ বাধ্যতামূলক করা হবে
বিবাহ নিবন্ধনে ডিজিটাল জন্মসনদ বাধ্যতামূলক করা হবে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সম্পত্তির জন্য 'হানি ট্র্যাপে' ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের
সম্পত্তির জন্য 'হানি ট্র্যাপে' ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দিনাজপুরে ১১৪ জনকে ক্রীড়া ভাতা ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ
দিনাজপুরে ১১৪ জনকে ক্রীড়া ভাতা ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ঝিনাইদহে এক ব্যক্তির আত্মহত্যার অভিযোগ
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ঝিনাইদহে এক ব্যক্তির আত্মহত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স
৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা
গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কসবায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার
কসবায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাট সীমান্তে ভারতীয় বৃদ্ধকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে ব্যর্থ বিএসএফ
জয়পুরহাট সীমান্তে ভারতীয় বৃদ্ধকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে ব্যর্থ বিএসএফ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে বাণিজ্য ও জলবায়ু কার্যক্রমে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার অঙ্গীকার
বাংলাদেশে বাণিজ্য ও জলবায়ু কার্যক্রমে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার অঙ্গীকার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, মঙ্গলবার যুক্তিতর্ক
বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, মঙ্গলবার যুক্তিতর্ক

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

রাজধানীতে নাচ-গান-আবৃত্তিতে বর্ষাবরণ
রাজধানীতে নাচ-গান-আবৃত্তিতে বর্ষাবরণ

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী
মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে চান কুবার্সি
বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে চান কুবার্সি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীকে বাসযোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত শহর গড়ার প্রত্যয়
রাজশাহীকে বাসযোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত শহর গড়ার প্রত্যয়

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উত্ত্যক্তকারী ইমন ইয়াবাসহ আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উত্ত্যক্তকারী ইমন ইয়াবাসহ আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উদ্ধার হওয়া ২৪টি মোবাইল ও ৩৮ হাজার টাকা মালিকদের ফেরত দিল পুলিশ
উদ্ধার হওয়া ২৪টি মোবাইল ও ৩৮ হাজার টাকা মালিকদের ফেরত দিল পুলিশ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল বাস
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল বাস

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ
শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছাত্রনেতা খোকনের গুম থেকে ফিরে আসা নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী
ছাত্রনেতা খোকনের গুম থেকে ফিরে আসা নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ব্রাজিলের বিপক্ষে গোল করে ভাগ্য খুলল মরক্কোর স্ট্রাইকারের
ব্রাজিলের বিপক্ষে গোল করে ভাগ্য খুলল মরক্কোর স্ট্রাইকারের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চলতি অর্থবছরের ৫৬ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস
চলতি অর্থবছরের ৫৬ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে যুবককে হত্যার ঘটনায় মামলা
মুন্সীগঞ্জে যুবককে হত্যার ঘটনায় মামলা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ‘পারমাণবিক অস্ত্রের’ সামনে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না : ট্রাম্প
ইরানের ‘পারমাণবিক অস্ত্রের’ সামনে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না : ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ফাইনালে গিয়ে ইয়ামালকে বোঝাতে চাই, তার মরক্কোর হয়ে খেলা উচিত ছিল’
‘ফাইনালে গিয়ে ইয়ামালকে বোঝাতে চাই, তার মরক্কোর হয়ে খেলা উচিত ছিল’

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে: ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি খোলাসহ যা যা থাকছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে
হরমুজ প্রণালি খোলাসহ যা যা থাকছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জান্নাতের টিকিট বিলিয়ে কেমনে ধর্ষণ করলা, আস্তাগফিরুল্লাহ : সংসদে শামীম কায়সার
জান্নাতের টিকিট বিলিয়ে কেমনে ধর্ষণ করলা, আস্তাগফিরুল্লাহ : সংসদে শামীম কায়সার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর
নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, অস্বস্তিতে ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, অস্বস্তিতে ইসরায়েল

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের
ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু
১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের রুখে দিল জাপান
শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের রুখে দিল জাপান

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ
জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেই আগুনে পুড়ল সাম্রাজ্য
সেই আগুনে পুড়ল সাম্রাজ্য

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেনজীরের যত অপরাধ
বেনজীরের যত অপরাধ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার প্রভাবে কমল তেলের দাম, তিন মাসে সর্বনিম্নে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার প্রভাবে কমল তেলের দাম, তিন মাসে সর্বনিম্নে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?
সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম
বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’
‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান
স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুরাসাওকে ৭–১ গোলে উড়িয়ে ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফেরাল জার্মানি
কুরাসাওকে ৭–১ গোলে উড়িয়ে ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফেরাল জার্মানি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলের গণমাধ‍্যমে আনচেলত্তির তীব্র সমালোচনা
ব্রাজিলের গণমাধ‍্যমে আনচেলত্তির তীব্র সমালোচনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে টপকে বিশ্বকাপে গোলের শীর্ষে জার্মানি
ব্রাজিলকে টপকে বিশ্বকাপে গোলের শীর্ষে জার্মানি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৯ উইকেটে স্বপ্নময় কাউন্টি অভিষেক হাসান মাহমুদের
৯ উইকেটে স্বপ্নময় কাউন্টি অভিষেক হাসান মাহমুদের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট
২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট

১০ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

আগামী ৫ দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে যেসব অঞ্চলে
আগামী ৫ দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে যেসব অঞ্চলে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’:  জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য
‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’: জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাজ্যে বিক্ষোভের মুখে হাসনাত-সাদিক
যুক্তরাজ্যে বিক্ষোভের মুখে হাসনাত-সাদিক

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সর্বশেষ শিকার ক্রিকেটার নাঈম
সর্বশেষ শিকার ক্রিকেটার নাঈম

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

খুনের উপত্যকা রাউজান
খুনের উপত্যকা রাউজান

পেছনের পৃষ্ঠা

এবারও কি মরক্কো রূপকথা
এবারও কি মরক্কো রূপকথা

মাঠে ময়দানে

মাদক চোরাচালানে ব্যবহার হচ্ছে শিশু
মাদক চোরাচালানে ব্যবহার হচ্ছে শিশু

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধবিরতি চুক্তি যেকোনো সময়
যুদ্ধবিরতি চুক্তি যেকোনো সময়

প্রথম পৃষ্ঠা

দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন সোহেল-স্বপ্না
দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন সোহেল-স্বপ্না

প্রথম পৃষ্ঠা

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার বেনজীর
দুবাইয়ে গ্রেপ্তার বেনজীর

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষাক্রম প্রণয়নে দোলাচল : উত্তরণের উপায়
শিক্ষাক্রম প্রণয়নে দোলাচল : উত্তরণের উপায়

সম্পাদকীয়

ইসলামে সীমান্ত রক্ষার ৭টি পুরস্কার
ইসলামে সীমান্ত রক্ষার ৭টি পুরস্কার

সম্পাদকীয়

বাংলাদেশে বাড়তি বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে পারছে না নেপাল
বাংলাদেশে বাড়তি বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে পারছে না নেপাল

পেছনের পৃষ্ঠা

বেনজীরের যত অপরাধ
বেনজীরের যত অপরাধ

প্রথম পৃষ্ঠা

গোলকধাঁধায় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য মোকাবিলায় তিন কৌশল
গোলকধাঁধায় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য মোকাবিলায় তিন কৌশল

পেছনের পৃষ্ঠা

বাজেটে গরিব আরও গরিব হবে
বাজেটে গরিব আরও গরিব হবে

নগর জীবন

চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল
চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল

প্রথম পৃষ্ঠা

অবহেলায় ২৫ প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন
অবহেলায় ২৫ প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়ছে অধিকাংশ নদনদীর পানি
বাড়ছে অধিকাংশ নদনদীর পানি

পেছনের পৃষ্ঠা

সীমারেখার রাজনীতি
সীমারেখার রাজনীতি

সম্পাদকীয়

পনোগ্রাফি মামলায় কারাগারে
পনোগ্রাফি মামলায় কারাগারে

দেশগ্রাম

শরিফুলের ৬ উইকেটের পরও টাইগারদের শ্বাসরুদ্ধকর হার
শরিফুলের ৬ উইকেটের পরও টাইগারদের শ্বাসরুদ্ধকর হার

মাঠে ময়দানে

কারখানা বন্ধ থাকলে ভোটাধিকার থাকবে না
কারখানা বন্ধ থাকলে ভোটাধিকার থাকবে না

পেছনের পৃষ্ঠা

কঠিন চ্যালেঞ্জে মমতা, তৃণমূলের সংকট কাটছে না
কঠিন চ্যালেঞ্জে মমতা, তৃণমূলের সংকট কাটছে না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রবীণ সুরক্ষার নতুন চ্যালেঞ্জ
প্রবীণ সুরক্ষার নতুন চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদে ‘মায়ের ডাক’ সদস্যদের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদে ‘মায়ের ডাক’ সদস্যদের সাক্ষাৎ

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে ফেরানো হবে দেশে
যেভাবে ফেরানো হবে দেশে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ পয়লা আষাঢ়
আজ পয়লা আষাঢ়

পেছনের পৃষ্ঠা

অনগ্রসর এলাকায় শিক্ষার সুযোগ পৌঁছলে বিকশিত হবে সুপ্ত প্রতিভা
অনগ্রসর এলাকায় শিক্ষার সুযোগ পৌঁছলে বিকশিত হবে সুপ্ত প্রতিভা

পেছনের পৃষ্ঠা

পুকুরে ভাসছিল নারীর লাশ
পুকুরে ভাসছিল নারীর লাশ

দেশগ্রাম

শিক্ষাকে আনন্দময় করার কাজ চলছে
শিক্ষাকে আনন্দময় করার কাজ চলছে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সরকারের একক নিয়ন্ত্রণে
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সরকারের একক নিয়ন্ত্রণে

প্রথম পৃষ্ঠা