Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০২:০১

স্বাস্থ্য সেবা অধিকার, শেখ হাসিনার অঙ্গীকার স্লোগানে স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বাস্থ্য সেবা অধিকার, শেখ হাসিনার অঙ্গীকার স্লোগানে স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ

‘স্বাস্থ্য সেবা অধিকার, শেখ হাসিনার অঙ্গীকার’- এ স্লোগানকে সামনে রেখে সপ্তাহব্যাপী জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ-২০১৯ উদযাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। গতকাল সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, বর্তমানে স্বাস্থ্য সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানসহ স্বাস্থ্য খাতের বিপুল উন্নয়ন হওয়া সত্ত্বেও জাতীয়ভাবে কোনো কর্মসূচি না থাকায় জনগণ এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য অবহিত হতে পারছে না। এসব বিষয় বিবেচনায় এবারের স্বাস্থ্য সপ্তাহের প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সেবা সপ্তাহ উদ্যাপন উপলক্ষে জাতীয়, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ ঘোষিত ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধিতে দক্ষ জনবল তৈরির জন্যও আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এরই অংশ হিসেবে প্রতিটি বিভাগে একটি করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, নতুন নতুন মেডিকেল কলেজ, নার্সিং ইনস্টিটিউট, পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট নার্সিং ইনস্টিটিউটসহ অন্যান্য চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করছি। নতুন ১০ হাজার চিকিৎসকসহ পর্যাপ্ত সংখ্যক নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান। গত সপ্তাহে বিসিএসের  মাধ্যমে ৩০৬ জন চিকিৎসক যোগদান করেছেন।

তিনি বলেন, ২০১৬ সালে জাতীয় ওষুধনীতি আধুনিকায়ন করা হয়েছে। ওষুধের কাঁচামাল দেশেই তৈরির জন্য মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় এপিআই পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পাঁচ বছর মেয়াদি ‘চতুর্থ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচি ২০১৭-২০২২’ গ্রহণ করেছে।

জাহিদ মালেক বলেন, সরকার বর্তমানে জিডিপির ০.৯২ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু এখন ৭২, যা ২০০০ সালে ছিল ৬৫.৩। মাতৃমৃত্যুর হার ২০১৭ সালে প্রতি লাখে ১৭২ জন যা ২০১৫ সালে ছিল ১৭৬ জন। প্রতি ১০০০ জনে নবজাতকের মৃত্যু ২০১৫ সালে ছিল ২০ যা ২০১৭ সালে কমে হয় ১৮.৪।


আপনার মন্তব্য