শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

কলকাতার চিঠি

পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে প্রশ্ন, মমতা আর কত দিন

সুখরঞ্জন দাশ গুপ্ত
অনলাইন ভার্সন
পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে প্রশ্ন, মমতা আর কত দিন

ভারতের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন হলো- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর কত দিন? শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, গোটা দেশের চায়ের টেবিল থেকে হেঁশেলের আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘দিদি গেট’, ‘চিট গেট’, ‘সারদা গেট’- কেলেঙ্কারির মতো বিষয়গুলো। শুধু সাড়ে তিন বছরের ক্ষমতায়ই নয়, যিনি সর্বদা নিজেকে সততার প্রতীক বলে জাহির করে আসছেন তার দলের সাংসদ (রাজ্যসভা) কুনাল ঘোষ সিবিআই কোর্টে দাঁড়িয়ে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলে দিয়েছেন, দেশের প্রায় ৪০ লাখ আমানতকারীর টাকা লুট করেছে সারদা অ্যান্ড কোম্পানি। আর এই সারদা কোম্পানির মালিক সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠতা ২০০৮ সাল থেকে। মমতা সর্বদা নিজেকে সততার প্রতীক বলে জাহির করলেও দেখা যাচ্ছে, তার মতো দুর্নীতিপরায়ণ রাজনীতিবিদ স্বাধীনতা-উত্তর পশ্চিমবঙ্গে বা ভারতবর্ষে আসেনি। মাত্র দুই দিন আগে তার দলের সাংসদ কুনাল ঘোষ এই বোমাটি ফাটানোর পর তিনি ভুল বকতে শুরু করেছেন। শুধু ভুলই বকছেন না, রীতিমতো আক্রমণ করছেন মিডিয়াকে। অথচ, পশ্চিমবঙ্গের এই মিডিয়ার জন্যই তার উত্থান। কারণ তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ধরার মধ্যে পড়ে না। তিনি প্রচার করেছিলেন আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট করেছেন। এখানেও তিনি শঠতার আশ্রয় নিয়েছেন। দেখা গেছে, ওই নামে আমেরিকায় কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই নেই। তার জন্য পশ্চিমবঙ্গে সারদার আমানতকারী প্রায় দেড়শ লোক আত্মহত্যা করেছেন। আর এই মৃত্যু উপত্যকায় দাঁড়িয়ে সারদা লাভবান হয়েছে প্রায় চার হাজার কোটি রুপি। বিগত লোকসভা নির্বাচনের আগে ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী সভায় এসে বলেছিলেন, ক্ষমতায় এসে তার প্রথম কাজ হবে মমতার আত্মদাম্ভিকতা ভেঙে দেওয়া। যদিও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইকে দিয়ে এই আর্থিক কেলেঙ্কারি তদন্ত করানোর জন্য শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, সারা ভারতবর্ষে দাবি উঠেছিল। তখন মমতা ক্ষমতার জোরে সেই দাবি বার বার নস্যাৎ করেছিলেন। কিন্তু ভারতের শীর্ষ আদালত সিবিআই তদন্তের আদেশ দিতে গিয়ে বলেছেন, এতবড় আর্থিক কেলেঙ্কারির হোতা সে যত বড় নেতাই হোক, তাকে খুঁজে বের করতেই হবে। এই সিবিআই তদন্ত আটকানোর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি কোষাগার থেকে আইনজীবী নিয়োগ করে প্রায় ১৮ কোটি টাকা খরচ করেছেন। সিবিআই শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয়, ত্রিপুরা, আসাম, উড়িষ্যার মতো যেসব রাজ্যে সারদার চিট ফান্ডের ব্যবসা ছিল সেইসব এলাকায়ও তদন্ত চালিয়েছে। আর তদন্ত করতে গিয়ে তাদের হাতে এমন সব নথি এসেছে যা প্রকাশিত হলে গোটা পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে টালমাটাল অবস্থার সৃষ্টি হবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে মোদি যখন পশ্চিমবঙ্গে প্রচারে এসেছিলেন তখন তিনি মমতাকে আক্রমণ করলে মমতা জবাবে তাকে ‘খুনি’ বলে পাল্টা আক্রমণ করেন। গলা চড়িয়ে বলেন, আমি ওকে দেখে নেব। মোদি জবাবে বলেছিলেন, দিদি আপনি তো আমাকে দেখতে হলে দড়ি দিয়ে বাঁধবেন। সেজন্য দড়ি কিনতে টেন্ডার ডাকবেন। সেই টেন্ডার দেবে সারদার সুদীপ্ত সেন। অফিসাররা সেই টেন্ডারে প্রশ্ন তুলবে। তখন আবার রিটেন্ডার ডাকবেন। এতসবের কী দরকার? আমি পশ্চিমবঙ্গে এসেছি। এখনই আমাকে ধরে জেলে পুরে দিন। ইতিমধ্যে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ কুনাল ঘোষ গ্রেফতার হয়েছেন। তৃণমূল সাংসদ ইমরান খান, মিঠুন চক্রবর্তী, অর্পিতা ঘোষ, সিনজয় বসুকে (টুম্পাই) সিবিআই ডেকে জেরা করেছে। তাদের থেকেও বেরিয়ে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ অনেক গোপন তথ্য। তবে এক্ষেত্রে তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছে সিবিআই। ইতিমধ্যে সংস্থাটি সর্বোচ্চ আদালতকে জানিয়েছে, এই তদন্তের ব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ সহযোগিতা করছে না। এদিকে কুনাল যে বোমা ফাটিয়েছেন তাতে তিনি বলেছেন, সুদীপ্ত সেনের সব ব্যবসার ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল। শুধু ওয়াকিবহালই নন, ২০০৯ এবং ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর সুদীপ্ত মমতাকে কালিম্পং রেস্টহাউসে বসে বলেছিলেন, দিদি আপনাকে প্রধানমন্ত্রী বানাবোই। টাকার জন্য ভাববেন না। ওটা আমাদের ওপর ছেড়ে দিন। কত কোটি রুপি লাগবে? ১০ হাজার কোটি? তা-ই তুলে দেব। কুনালের বিস্ফোরণ আর সিবিআই তদন্তের পরে মনে হচ্ছে দিদির বোধ হয় আর প্রধানমন্ত্রী হওয়া হলো না। অনেকেই বলেন, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। কিন্তু জনগণও দুর্নীতি মেনে নেয় না। ইউপিএ’র ১০ বছরের শাসনামলে তিনটি- কোলগেট, কমনওয়েলথ গেমস, টুজি স্পেকট্রাম কেলেঙ্কারির কথা উঠেছিল। এই তিনটি এখনো প্রমাণিত হয়নি কিন্তু জনগণ ইউপিএ সরকারকে প্রত্যাখ্যান করেছে। নির্বাচনে জনমত পক্ষে টানতে বিরোধীরা এই তিনটি বিষয় বেশি প্রচার করেছিল। সেটা কাজেও লেগেছিল। এখন সেই দুর্নীতির ঢেউ গিয়ে লেগেছে তৃণমূল শিবিরে। পশ্চিমবঙ্গে খুব মজার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে কংগ্রেস বা বামপন্থিরা বিজেপিকে আটকাবে নাকি মমতার দুর্নীতি নিয়ে প্রকাশ্যে রাস্তায় নামবে। এখন শুধু বন্ধুবান্ধবই নয়, বাসে, ট্রামে উঠলে সবার একটাই প্রশ্ন- দিদি কবে ক্ষমতাচ্যুত হবেন। দিদিকে কবে গ্রেফতার করা হবে? ট্যাক্সি ড্রাইভাররা বলেন, ‘দিদি এতনা বড় চোর হ্যায়, উনকো কাব জেলমে ভেজেগা?’ গত সাড়ে তিন বছরে নিজের প্রচার ছাড়া রাজ্যের উন্নয়নের জন্য কোনো কাজই করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সুদীপ্তর টাকায় পাঁচটি টিভি চ্যানেল আর ছয়টি কাগজ বের করেছেন। ছয়টির মধ্যে একটি হিন্দি, একটি উর্দু আর চারটি বাংলা। অসংখ্য ম্যাগাজিনও তিনি বের করেছেন।
যাক, সিবিআই এখন হিসাব গুটিয়ে নিচ্ছে। সিবিআই দিল্লি থেকে ৪০ জনের এক জবরদস্ত বাহিনী পশ্চিমবঙ্গে পাঠিয়েছে। তারা জবাবদিহি করবে সুপ্রিমকোর্টের কাছে। তাদের নিয়োগও করেছেন সুপ্রিমকোর্ট। কুনালের বিস্ফোরণের পর দিদির সংক্ষিপ্ত বক্তব্য- ‘এটা ছোটখাটো ব্যাপার’। যখন চিট ফান্ড নিয়ে মিডিয়া প্রচার শুরু করে তখন দিদি একদিন প্রকাশ্য জনসভায় প্রশ্ন তুলেছিলেন, কুনাল চোর? টুম্পাই চোর? মুকুল চোর? আমি চোর? এখন তো দেখা যাচ্ছে দিদির সেই ভবিষ্যদ্বাণী ফলে যাচ্ছে। তিনি তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ কুনালকে আটক করিয়েছিলেন তার মুখ আটকানোর জন্য। গত তিন-চার দিনে যেভাবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য রাজনীতিতে একটার পর একটা মমতা সরকারের দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসছে তা দেখে হতাশাগ্রস্ত বাঙালিরা প্রশ্ন তুলছেন, তাহলে কি দুর্গাপূজার আগে দিদি যাবেন? সম্প্রতি কলকাতা এসেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত সাহ। তিনি কলকাতায় এক বিশাল জনসভায় ঘোষণা করে গেছেন, ‘দিদি আপনাকে আর ছাড়া হবে না। এবার আপনাকে হাতের মুঠোয় পেয়েছি।’ অমিত সাহ সাধারণ রাজনীতিবিদ নন। তিনি মোদির খুব ঘনিষ্ঠ। তিনিও গুজরাটের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। তিনি যা বলবেন মোদি তা ফেলতে পারবেন না। মমতা এখনো বুঝতে পারছেন না তিনি কত বড় পাপ করে চলেছেন। তার পরিণামই বা কি? বাংলায় একটা কথা আছে- পাপ বাপকেও ছাড়ে না। যার জন্য শতাধিক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন তাদের জন্য মমতার কি একটুও মমতা নেই? শেষটা দেখতে আমাদের এ মাসের বাকি কটা দিন অন্তত অপেক্ষা করতে হবে। সিবিআই এ মাসের মধ্যে সুপ্রিমকোর্টে প্রাথমিক রিপোর্ট দেবে। তারপর গঙ্গা দিয়ে কত জল গড়াবে তা হয়তো মমতার পশ্চিমী দোসররা ঠাহর করতে পারছেন না। তবে সেটা যে নেহাত কম হবে না তা হলফ করে বলা যায়।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচন পর্যন্ত সেনাবাহিনীর মাঠে থাকা প্রয়োজন
নির্বাচন পর্যন্ত সেনাবাহিনীর মাঠে থাকা প্রয়োজন
সিন্ডিকেট ভেঙে স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা গড়তে হবে
সিন্ডিকেট ভেঙে স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা গড়তে হবে
হয়রানি ও প্রতারণার বিরুদ্ধে সরকারকে শক্ত হতে হবে
হয়রানি ও প্রতারণার বিরুদ্ধে সরকারকে শক্ত হতে হবে
জাতীয়তাবাদের উপহার সবাই মিলে এক জাতি
জাতীয়তাবাদের উপহার সবাই মিলে এক জাতি
তারুণ্যের কাছে প্রত্যাশা
তারুণ্যের কাছে প্রত্যাশা
মামলাবাণিজ্যে ধ্বংস হচ্ছে দেশ
মামলাবাণিজ্যে ধ্বংস হচ্ছে দেশ
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক: বাংলার মুক্তি ও বাংলাদেশের পূর্বাভাস
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক: বাংলার মুক্তি ও বাংলাদেশের পূর্বাভাস
বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি এড়াতে পারছেন না
বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি এড়াতে পারছেন না
জেনারেল ওয়াকার ম্যাজিকে গণমানুষের উচ্চাশা
জেনারেল ওয়াকার ম্যাজিকে গণমানুষের উচ্চাশা
আরববিশ্বের নীরবতা গাজার গণহত্যাকে উসকে দিচ্ছে
আরববিশ্বের নীরবতা গাজার গণহত্যাকে উসকে দিচ্ছে
দ্রব্যমূল্যের পাগলা ঘোড়া
দ্রব্যমূল্যের পাগলা ঘোড়া
চেনা যায় সহজেই
চেনা যায় সহজেই
সর্বশেষ খবর
১১ মাস পর হিলিতে ভারত থেকে কচুরমুখি আমদানি
১১ মাস পর হিলিতে ভারত থেকে কচুরমুখি আমদানি

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বসিলা ও বেড়িবাঁধ সড়কের যানজট নিরসনে ডিএমপির নতুন নির্দেশনা
বসিলা ও বেড়িবাঁধ সড়কের যানজট নিরসনে ডিএমপির নতুন নির্দেশনা

৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

কলাপাড়ায় সন্ত্রাসী হামলায় শিক্ষার্থী আহত
কলাপাড়ায় সন্ত্রাসী হামলায় শিক্ষার্থী আহত

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাদ্রাসাছাত্রকে হত্যার অভিযোগ
মাদ্রাসাছাত্রকে হত্যার অভিযোগ

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে নিহত ৩৫
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে নিহত ৩৫

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যা জানা গেল
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যা জানা গেল

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

সাবেক সংসদ সদস্য শাহরিন ইসলাম তুহিনের মুক্তির 
দাবিতে নীলফামারীতে আইনজীবীদের বিক্ষোভ
সাবেক সংসদ সদস্য শাহরিন ইসলাম তুহিনের মুক্তির  দাবিতে নীলফামারীতে আইনজীবীদের বিক্ষোভ

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে ‘তাণ্ডব’র শুটিং দৃশ্য
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে ‘তাণ্ডব’র শুটিং দৃশ্য

১৮ মিনিট আগে | শোবিজ

'সংস্কার যেটুকু প্রয়োজন দ্রুত সেরে নির্বাচন দিন'
'সংস্কার যেটুকু প্রয়োজন দ্রুত সেরে নির্বাচন দিন'

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঝিনাইদহে মাদক কারবারি আটক
ঝিনাইদহে মাদক কারবারি আটক

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে দিনব্যাপী কর্মশালা
বরিশালে দিনব্যাপী কর্মশালা

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাগড়াছড়িতে জেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা
খাগড়াছড়িতে জেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুন্সিগঞ্জে দুর্বৃত্তদের হামলা, ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
মুন্সিগঞ্জে দুর্বৃত্তদের হামলা, ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইটনায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
ইটনায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অনলাইনে দ্বৈত নাগরিকত্বের আবেদন শুরু ১৫ মে
অনলাইনে দ্বৈত নাগরিকত্বের আবেদন শুরু ১৫ মে

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

প্রাক-প্রাথমিকে ১৫০০ বিদ্যালয়ে স্মার্ট টিভি-ল্যাপটপ দেবে সরকার
প্রাক-প্রাথমিকে ১৫০০ বিদ্যালয়ে স্মার্ট টিভি-ল্যাপটপ দেবে সরকার

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

গোবিপ্রবির এএসভিএম বিভাগের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
গোবিপ্রবির এএসভিএম বিভাগের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ
জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল নরসিংদীর লটকন
জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল নরসিংদীর লটকন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দাবানলে জ্বলছে ইসরায়েল, হন্য হয়ে পালাচ্ছেন বাসিন্দারা
দাবানলে জ্বলছে ইসরায়েল, হন্য হয়ে পালাচ্ছেন বাসিন্দারা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশব্যাপী শব্দদূষণবিরোধী অভিযানে ২৬৫ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ
দেশব্যাপী শব্দদূষণবিরোধী অভিযানে ২৬৫ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তথ্য উপদেষ্টার সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
তথ্য উপদেষ্টার সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ
চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বিএনপি ক্ষমতায় না এলে ভাত খাব না’ বলা নিজামের পাশে তারেক রহমান
‘বিএনপি ক্ষমতায় না এলে ভাত খাব না’ বলা নিজামের পাশে তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গণপিটুনিতে যুবক নিহত
গণপিটুনিতে যুবক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘অন্যান্য পেশাজীবীর মতো সাংবাদিকদের পেশাগত লাইসেন্স থাকা দরকার’
‘অন্যান্য পেশাজীবীর মতো সাংবাদিকদের পেশাগত লাইসেন্স থাকা দরকার’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার
চট্টগ্রামে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বজ্রপাতে ট্রলি চালকের মৃত্যু
বজ্রপাতে ট্রলি চালকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটি ঘোষণা
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটি ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫ মে থেকে বাজারে আসবে সাতক্ষীরার আম
৫ মে থেকে বাজারে আসবে সাতক্ষীরার আম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানের তাড়া খেয়ে পিছু হটেছে ভারতীয় রাফাল
পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানের তাড়া খেয়ে পিছু হটেছে ভারতীয় রাফাল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘২২৭ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি’, অডিওটি শেখ হাসিনার
‘২২৭ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি’, অডিওটি শেখ হাসিনার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘মুক্তিযোদ্ধা’র সনদ বাতিলের তালিকায় আলোচিত নামগুলো কারা?
‘মুক্তিযোদ্ধা’র সনদ বাতিলের তালিকায় আলোচিত নামগুলো কারা?

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এখনো তৎপর মালয়েশিয়ার সিন্ডিকেট
এখনো তৎপর মালয়েশিয়ার সিন্ডিকেট

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানে হামলা চালাতে পারে ভারত’
‘২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানে হামলা চালাতে পারে ভারত’

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন-পাকিস্তানকে ‘মাথায় রেখেই’ কী রাফাল যুদ্ধবিমান কিনছে ভারত?
চীন-পাকিস্তানকে ‘মাথায় রেখেই’ কী রাফাল যুদ্ধবিমান কিনছে ভারত?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উচ্চতর গ্রেড পাবেন সরকারি চাকরিজীবীদের টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেডপ্রাপ্তরা
উচ্চতর গ্রেড পাবেন সরকারি চাকরিজীবীদের টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেডপ্রাপ্তরা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেয়ার মার্কিন প্রস্তাবে ‘অস্বীকৃতি’ সিরিয়ার
আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেয়ার মার্কিন প্রস্তাবে ‘অস্বীকৃতি’ সিরিয়ার

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুবর্ণা, শাওনসহ ১৭ অভিনয়শিল্পীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা
সুবর্ণা, শাওনসহ ১৭ অভিনয়শিল্পীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদি আরবে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
সৌদি আরবে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভিনেতা সিদ্দিকের ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ
অভিনেতা সিদ্দিকের ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুহুর্মুহু রকেট হামলায় বিপর্যস্ত মার্কিন রণতরী, বাধ্য হলো পিছু হটতে
মুহুর্মুহু রকেট হামলায় বিপর্যস্ত মার্কিন রণতরী, বাধ্য হলো পিছু হটতে

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যখন বুঝতে পারলাম কী হচ্ছে, তখন চিৎকার শুরু করি’
‘যখন বুঝতে পারলাম কী হচ্ছে, তখন চিৎকার শুরু করি’

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসছে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’, এক ঠিকানায় মিলবে সব সেবা
আসছে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’, এক ঠিকানায় মিলবে সব সেবা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে পাঠ্যবই থেকে বাদ মোগল-সুলতানি ইতিহাস
ভারতে পাঠ্যবই থেকে বাদ মোগল-সুলতানি ইতিহাস

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন ক্ষেপণাস্ত্র-বোট তৈরির ঘোষণা দিল ইরান
নতুন ক্ষেপণাস্ত্র-বোট তৈরির ঘোষণা দিল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধাবস্থা নিয়ে জেল থেকে যে বার্তা দিলেন ইমরান খান
ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধাবস্থা নিয়ে জেল থেকে যে বার্তা দিলেন ইমরান খান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ই-কমার্স ব্যবসায় মেয়ে, যে কারণে বিনিয়োগ করলেন না বিল গেটস
ই-কমার্স ব্যবসায় মেয়ে, যে কারণে বিনিয়োগ করলেন না বিল গেটস

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান পারমাণবিক শক্তিধর, কেউ হামলা করার সাহস করবে না : মরিয়ম
পাকিস্তান পারমাণবিক শক্তিধর, কেউ হামলা করার সাহস করবে না : মরিয়ম

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘অনুমানে দুইয়ে দুইয়ে চার না মেলানোই ভালো’
‘অনুমানে দুইয়ে দুইয়ে চার না মেলানোই ভালো’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইমরানকে মুক্তি দিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকুন: পিটিআই
ইমরানকে মুক্তি দিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকুন: পিটিআই

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুতিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা; স্থায়ী চুক্তি চান ট্রাম্প
পুতিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা; স্থায়ী চুক্তি চান ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি নেতা আমানের ১৩ ও তার স্ত্রীর ৩ বছরের সাজা বাতিল
বিএনপি নেতা আমানের ১৩ ও তার স্ত্রীর ৩ বছরের সাজা বাতিল

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রমিক অসন্তোষে গাজীপুরে দুই কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
শ্রমিক অসন্তোষে গাজীপুরে দুই কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রাইজবন্ডের ১১৯তম ‘ড্র’ আজ
প্রাইজবন্ডের ১১৯তম ‘ড্র’ আজ

১২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

চিন্ময় দাসের জামিন হাইকোর্টে
চিন্ময় দাসের জামিন হাইকোর্টে

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দাবানলে জ্বলছে ইসরায়েল, হন্য হয়ে পালাচ্ছেন বাসিন্দারা
দাবানলে জ্বলছে ইসরায়েল, হন্য হয়ে পালাচ্ছেন বাসিন্দারা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গৃহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবা-ছেলে গ্রেফতার
গৃহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবা-ছেলে গ্রেফতার

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইফোন ১৭-কে টপকে যাবে অ্যান্ড্রয়েড?
আইফোন ১৭-কে টপকে যাবে অ্যান্ড্রয়েড?

১৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

মিরাজের ঘূর্ণিতে তিনদিনেই জিতল বাংলাদেশ
মিরাজের ঘূর্ণিতে তিনদিনেই জিতল বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
অভিবাসী বহিষ্কারে রেকর্ড গড়লেন ট্রাম্প
অভিবাসী বহিষ্কারে রেকর্ড গড়লেন ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করতে চায় ডেসকো ওজোপাডিকো
বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করতে চায় ডেসকো ওজোপাডিকো

পেছনের পৃষ্ঠা

আমবাগান পরিদর্শনে চীনের রাষ্ট্রদূত
আমবাগান পরিদর্শনে চীনের রাষ্ট্রদূত

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আরও জটিল রোহিঙ্গা পরিস্থিতি
আরও জটিল রোহিঙ্গা পরিস্থিতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিজনেস পিপলকে মেরে ফেলা যাবে না
বিজনেস পিপলকে মেরে ফেলা যাবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

চীনের হাসপাতাল নীলফামারীতে
চীনের হাসপাতাল নীলফামারীতে

পেছনের পৃষ্ঠা

পল্লী বিদ্যুতে চালু রাখার চেষ্টা ডিইপিজেড
পল্লী বিদ্যুতে চালু রাখার চেষ্টা ডিইপিজেড

নগর জীবন

মোহনীয় কৃষ্ণচূড়া জারুল সোনালু
মোহনীয় কৃষ্ণচূড়া জারুল সোনালু

পেছনের পৃষ্ঠা

পাল্টা প্রস্তুতিতে পাকিস্তান
পাল্টা প্রস্তুতিতে পাকিস্তান

প্রথম পৃষ্ঠা

সাবিলা নূরের লুকোচুরি...
সাবিলা নূরের লুকোচুরি...

শোবিজ

অভিনেতা সিদ্দিককে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ
অভিনেতা সিদ্দিককে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিনিয়োগকারীরা আর ঝুঁকি নিতে চান না
বিনিয়োগকারীরা আর ঝুঁকি নিতে চান না

পেছনের পৃষ্ঠা

অপকর্ম করলে আওয়ামী লীগের মতো অবস্থা
অপকর্ম করলে আওয়ামী লীগের মতো অবস্থা

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহকর্মী ধর্ষণের শিকার, বাবা-ছেলে আটক
গৃহকর্মী ধর্ষণের শিকার, বাবা-ছেলে আটক

দেশগ্রাম

শেরেবাংলা, মেয়র হানিফ ও ঢাকার মশা
শেরেবাংলা, মেয়র হানিফ ও ঢাকার মশা

সম্পাদকীয়

ব্যবসায় পরিবেশ উন্নতির কোনো সম্ভাবনা নেই
ব্যবসায় পরিবেশ উন্নতির কোনো সম্ভাবনা নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

শিশুশিল্পী থেকে যেভাবে তারকা
শিশুশিল্পী থেকে যেভাবে তারকা

শোবিজ

আইসিইউতে অর্থনীতি, সংকটে রাজনীতি
আইসিইউতে অর্থনীতি, সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিতর্কে কারিনা
বিতর্কে কারিনা

শোবিজ

শ্রমিকেরাও মানুষ
শ্রমিকেরাও মানুষ

সম্পাদকীয়

মোহামেডানকে কাঁদিয়ে ক্রিকেটে আবাহনীই সেরা
মোহামেডানকে কাঁদিয়ে ক্রিকেটে আবাহনীই সেরা

মাঠে ময়দানে

গ্যাস ও ব্যাংকিং সংকটে বিপর্যয়ে রপ্তানি শিল্প
গ্যাস ও ব্যাংকিং সংকটে বিপর্যয়ে রপ্তানি শিল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

চম্পা কেন দূরে
চম্পা কেন দূরে

শোবিজ

১৫ বছর পর সেমিতে বার্সা-ইন্টার
১৫ বছর পর সেমিতে বার্সা-ইন্টার

মাঠে ময়দানে

নাচে এখন পেশাদারির জায়গা তৈরি হয়েছে
নাচে এখন পেশাদারির জায়গা তৈরি হয়েছে

শোবিজ

কী চায় নতুন দলগুলো
কী চায় নতুন দলগুলো

প্রথম পৃষ্ঠা

মানুষ মর্যাদা পাবে তার গুণের ভিত্তিতে
মানুষ মর্যাদা পাবে তার গুণের ভিত্তিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে লিড নিয়েছে বাংলাদেশ
চট্টগ্রামে লিড নিয়েছে বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে

নাটকীয় ফাইনালে কিংসের শিরোপা
নাটকীয় ফাইনালে কিংসের শিরোপা

মাঠে ময়দানে