শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

কলকাতার চিঠি

পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে প্রশ্ন, মমতা আর কত দিন

সুখরঞ্জন দাশ গুপ্ত
অনলাইন ভার্সন
পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে প্রশ্ন, মমতা আর কত দিন

ভারতের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন হলো- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর কত দিন? শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, গোটা দেশের চায়ের টেবিল থেকে হেঁশেলের আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘দিদি গেট’, ‘চিট গেট’, ‘সারদা গেট’- কেলেঙ্কারির মতো বিষয়গুলো। শুধু সাড়ে তিন বছরের ক্ষমতায়ই নয়, যিনি সর্বদা নিজেকে সততার প্রতীক বলে জাহির করে আসছেন তার দলের সাংসদ (রাজ্যসভা) কুনাল ঘোষ সিবিআই কোর্টে দাঁড়িয়ে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলে দিয়েছেন, দেশের প্রায় ৪০ লাখ আমানতকারীর টাকা লুট করেছে সারদা অ্যান্ড কোম্পানি। আর এই সারদা কোম্পানির মালিক সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠতা ২০০৮ সাল থেকে। মমতা সর্বদা নিজেকে সততার প্রতীক বলে জাহির করলেও দেখা যাচ্ছে, তার মতো দুর্নীতিপরায়ণ রাজনীতিবিদ স্বাধীনতা-উত্তর পশ্চিমবঙ্গে বা ভারতবর্ষে আসেনি। মাত্র দুই দিন আগে তার দলের সাংসদ কুনাল ঘোষ এই বোমাটি ফাটানোর পর তিনি ভুল বকতে শুরু করেছেন। শুধু ভুলই বকছেন না, রীতিমতো আক্রমণ করছেন মিডিয়াকে। অথচ, পশ্চিমবঙ্গের এই মিডিয়ার জন্যই তার উত্থান। কারণ তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ধরার মধ্যে পড়ে না। তিনি প্রচার করেছিলেন আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট করেছেন। এখানেও তিনি শঠতার আশ্রয় নিয়েছেন। দেখা গেছে, ওই নামে আমেরিকায় কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই নেই। তার জন্য পশ্চিমবঙ্গে সারদার আমানতকারী প্রায় দেড়শ লোক আত্মহত্যা করেছেন। আর এই মৃত্যু উপত্যকায় দাঁড়িয়ে সারদা লাভবান হয়েছে প্রায় চার হাজার কোটি রুপি। বিগত লোকসভা নির্বাচনের আগে ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী সভায় এসে বলেছিলেন, ক্ষমতায় এসে তার প্রথম কাজ হবে মমতার আত্মদাম্ভিকতা ভেঙে দেওয়া। যদিও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইকে দিয়ে এই আর্থিক কেলেঙ্কারি তদন্ত করানোর জন্য শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, সারা ভারতবর্ষে দাবি উঠেছিল। তখন মমতা ক্ষমতার জোরে সেই দাবি বার বার নস্যাৎ করেছিলেন। কিন্তু ভারতের শীর্ষ আদালত সিবিআই তদন্তের আদেশ দিতে গিয়ে বলেছেন, এতবড় আর্থিক কেলেঙ্কারির হোতা সে যত বড় নেতাই হোক, তাকে খুঁজে বের করতেই হবে। এই সিবিআই তদন্ত আটকানোর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি কোষাগার থেকে আইনজীবী নিয়োগ করে প্রায় ১৮ কোটি টাকা খরচ করেছেন। সিবিআই শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয়, ত্রিপুরা, আসাম, উড়িষ্যার মতো যেসব রাজ্যে সারদার চিট ফান্ডের ব্যবসা ছিল সেইসব এলাকায়ও তদন্ত চালিয়েছে। আর তদন্ত করতে গিয়ে তাদের হাতে এমন সব নথি এসেছে যা প্রকাশিত হলে গোটা পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে টালমাটাল অবস্থার সৃষ্টি হবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে মোদি যখন পশ্চিমবঙ্গে প্রচারে এসেছিলেন তখন তিনি মমতাকে আক্রমণ করলে মমতা জবাবে তাকে ‘খুনি’ বলে পাল্টা আক্রমণ করেন। গলা চড়িয়ে বলেন, আমি ওকে দেখে নেব। মোদি জবাবে বলেছিলেন, দিদি আপনি তো আমাকে দেখতে হলে দড়ি দিয়ে বাঁধবেন। সেজন্য দড়ি কিনতে টেন্ডার ডাকবেন। সেই টেন্ডার দেবে সারদার সুদীপ্ত সেন। অফিসাররা সেই টেন্ডারে প্রশ্ন তুলবে। তখন আবার রিটেন্ডার ডাকবেন। এতসবের কী দরকার? আমি পশ্চিমবঙ্গে এসেছি। এখনই আমাকে ধরে জেলে পুরে দিন। ইতিমধ্যে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ কুনাল ঘোষ গ্রেফতার হয়েছেন। তৃণমূল সাংসদ ইমরান খান, মিঠুন চক্রবর্তী, অর্পিতা ঘোষ, সিনজয় বসুকে (টুম্পাই) সিবিআই ডেকে জেরা করেছে। তাদের থেকেও বেরিয়ে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ অনেক গোপন তথ্য। তবে এক্ষেত্রে তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছে সিবিআই। ইতিমধ্যে সংস্থাটি সর্বোচ্চ আদালতকে জানিয়েছে, এই তদন্তের ব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ সহযোগিতা করছে না। এদিকে কুনাল যে বোমা ফাটিয়েছেন তাতে তিনি বলেছেন, সুদীপ্ত সেনের সব ব্যবসার ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল। শুধু ওয়াকিবহালই নন, ২০০৯ এবং ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর সুদীপ্ত মমতাকে কালিম্পং রেস্টহাউসে বসে বলেছিলেন, দিদি আপনাকে প্রধানমন্ত্রী বানাবোই। টাকার জন্য ভাববেন না। ওটা আমাদের ওপর ছেড়ে দিন। কত কোটি রুপি লাগবে? ১০ হাজার কোটি? তা-ই তুলে দেব। কুনালের বিস্ফোরণ আর সিবিআই তদন্তের পরে মনে হচ্ছে দিদির বোধ হয় আর প্রধানমন্ত্রী হওয়া হলো না। অনেকেই বলেন, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। কিন্তু জনগণও দুর্নীতি মেনে নেয় না। ইউপিএ’র ১০ বছরের শাসনামলে তিনটি- কোলগেট, কমনওয়েলথ গেমস, টুজি স্পেকট্রাম কেলেঙ্কারির কথা উঠেছিল। এই তিনটি এখনো প্রমাণিত হয়নি কিন্তু জনগণ ইউপিএ সরকারকে প্রত্যাখ্যান করেছে। নির্বাচনে জনমত পক্ষে টানতে বিরোধীরা এই তিনটি বিষয় বেশি প্রচার করেছিল। সেটা কাজেও লেগেছিল। এখন সেই দুর্নীতির ঢেউ গিয়ে লেগেছে তৃণমূল শিবিরে। পশ্চিমবঙ্গে খুব মজার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে কংগ্রেস বা বামপন্থিরা বিজেপিকে আটকাবে নাকি মমতার দুর্নীতি নিয়ে প্রকাশ্যে রাস্তায় নামবে। এখন শুধু বন্ধুবান্ধবই নয়, বাসে, ট্রামে উঠলে সবার একটাই প্রশ্ন- দিদি কবে ক্ষমতাচ্যুত হবেন। দিদিকে কবে গ্রেফতার করা হবে? ট্যাক্সি ড্রাইভাররা বলেন, ‘দিদি এতনা বড় চোর হ্যায়, উনকো কাব জেলমে ভেজেগা?’ গত সাড়ে তিন বছরে নিজের প্রচার ছাড়া রাজ্যের উন্নয়নের জন্য কোনো কাজই করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সুদীপ্তর টাকায় পাঁচটি টিভি চ্যানেল আর ছয়টি কাগজ বের করেছেন। ছয়টির মধ্যে একটি হিন্দি, একটি উর্দু আর চারটি বাংলা। অসংখ্য ম্যাগাজিনও তিনি বের করেছেন।
যাক, সিবিআই এখন হিসাব গুটিয়ে নিচ্ছে। সিবিআই দিল্লি থেকে ৪০ জনের এক জবরদস্ত বাহিনী পশ্চিমবঙ্গে পাঠিয়েছে। তারা জবাবদিহি করবে সুপ্রিমকোর্টের কাছে। তাদের নিয়োগও করেছেন সুপ্রিমকোর্ট। কুনালের বিস্ফোরণের পর দিদির সংক্ষিপ্ত বক্তব্য- ‘এটা ছোটখাটো ব্যাপার’। যখন চিট ফান্ড নিয়ে মিডিয়া প্রচার শুরু করে তখন দিদি একদিন প্রকাশ্য জনসভায় প্রশ্ন তুলেছিলেন, কুনাল চোর? টুম্পাই চোর? মুকুল চোর? আমি চোর? এখন তো দেখা যাচ্ছে দিদির সেই ভবিষ্যদ্বাণী ফলে যাচ্ছে। তিনি তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ কুনালকে আটক করিয়েছিলেন তার মুখ আটকানোর জন্য। গত তিন-চার দিনে যেভাবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য রাজনীতিতে একটার পর একটা মমতা সরকারের দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসছে তা দেখে হতাশাগ্রস্ত বাঙালিরা প্রশ্ন তুলছেন, তাহলে কি দুর্গাপূজার আগে দিদি যাবেন? সম্প্রতি কলকাতা এসেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত সাহ। তিনি কলকাতায় এক বিশাল জনসভায় ঘোষণা করে গেছেন, ‘দিদি আপনাকে আর ছাড়া হবে না। এবার আপনাকে হাতের মুঠোয় পেয়েছি।’ অমিত সাহ সাধারণ রাজনীতিবিদ নন। তিনি মোদির খুব ঘনিষ্ঠ। তিনিও গুজরাটের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। তিনি যা বলবেন মোদি তা ফেলতে পারবেন না। মমতা এখনো বুঝতে পারছেন না তিনি কত বড় পাপ করে চলেছেন। তার পরিণামই বা কি? বাংলায় একটা কথা আছে- পাপ বাপকেও ছাড়ে না। যার জন্য শতাধিক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন তাদের জন্য মমতার কি একটুও মমতা নেই? শেষটা দেখতে আমাদের এ মাসের বাকি কটা দিন অন্তত অপেক্ষা করতে হবে। সিবিআই এ মাসের মধ্যে সুপ্রিমকোর্টে প্রাথমিক রিপোর্ট দেবে। তারপর গঙ্গা দিয়ে কত জল গড়াবে তা হয়তো মমতার পশ্চিমী দোসররা ঠাহর করতে পারছেন না। তবে সেটা যে নেহাত কম হবে না তা হলফ করে বলা যায়।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫৯ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়