শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:২৭, সোমবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

বিএনপির কাউন্সিল এবং দুই মহাসচিব তত্ত্ব!

কাজী সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
বিএনপির কাউন্সিল এবং দুই মহাসচিব তত্ত্ব!

সরকার কোনো লুকোচুরির খেলা খেলছে না। খুব স্পষ্ট করে এবং দৃঢ়ভাবেই বলছে যে, তারা এই মুহূর্তে তাদের উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন ছাড়া অন্য কিছু ভাবছে না। অর্থাত্ আগে উন্নয়ন এবং বাদবাকি সব পরে। এতদিন প্রধানমন্ত্রী, তার পারিষদবর্গ এবং শাসকলীগের কিছু ‘হাইব্রিড’ নেতা এ ব্যাপারে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন। কিন্তু ইদানীং কিছু সুবিধাভোগী বা সুবিধাপ্রত্যাশী বুদ্ধিজীবী-পেশাজীবী ‘দলদাস’ মিডিয়ায় সরকারি বক্তব্যের পক্ষে ‘ঢোল বাজাতে’ শুরু করেছেন। চতুর্দিকে দুশ্চিন্তা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এই কারণে যে, গণতন্ত্রের বিষয়টিও এখন ‘বাদবাকির’ মধ্যে পড়ে গেছে। গণতন্ত্রের পরিপূর্ণ স্বাদ এই ভূখণ্ডের মানুষ কখনো না পেলেও গণতন্ত্রের জন্য দীর্ঘ সাহসী সংগ্রামের ঐতিহ্য তাদের আছে। বর্তমানে গণতন্ত্র প্রকৃত অর্থে অনুপস্থিত, কিন্তু গণতন্ত্রের জন্য সাহসী কোনো আন্দোলন-সংগ্রাম নেই। লীগ সরকার খুব সাফল্যের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন, বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব বজায় রেখে তাদের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজপথ থেকে হটিয়ে দিতে পেরেছে। ফলে গণতন্ত্রের দেশে বহুদল, বহুমতের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় না। এটা যতটা না লীগ সরকারের সাফল্য, তারচেয়ে বেশি বিরোধী দলের, প্রধানত বিএনপির চরম ব্যর্থতা।

বিএনপি প্রকাশ্যে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতেই শুধু ব্যর্থ নয়, অর্থনৈতিক, সামাজিক নানা ক্ষেত্রে সরকার যে সাফল্যের প্রচার করছে এসব ব্যাপারেও বিএনপি কিছু বলছে না। মানুষ তাই ধরেই নিতে পারে যে, এই উন্নয়ন ও প্রাপ্তি সরকারে আওয়ামী লীগ থাকার কারণেই সম্ভব হয়েছে। বিএনপি নেতারা একটি কোরাসই গাইছেন যে, সরকার বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করতে চাচ্ছে, জেল-জুলুম, নিপীড়ন চালাচ্ছে, মামলা-মোকদ্দমায় ফাঁসাচ্ছে। এর বাইরে আর যেন কোনো কথা নেই। সরকারি বক্তব্যের যেন যুৎসই কোনো জবাবই নেই তাদের। সরকার জিডিপি নিয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছে। পুরনো তথ্য ঘেঁটেই তো বলা যায় যে, বেগম খালেদা জিয়া যখন সরকারের দায়িত্ব ছেড়ে যান তখন জিডিপি ছিল ৬.৭। বর্তমান সরকারের গত সাত বছরের শাসনে এই হার কখনো অতিক্রম করেছে বলে তো রেকর্ড বলে না। নারী শিক্ষা, প্রসূতি মৃত্যুহার, শিশু মৃত্যুহার, প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে ড্রপ-আউট কমিয়ে আনা, নারী শিক্ষা— এসব ক্ষেত্রে বেগম জিয়ার সরকার আমলে অবস্থা/অগ্রগতি কেমন ছিল, পরিসংখ্যান দিয়ে পাল্টা জবাব দিতে পারে বিএনপি। বর্তমান লীগ সরকারের আমলে এসব ক্ষেত্রে পরিস্থিতির কোনো অবনতি হয়নি এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে তা স্বীকার করতে কুণ্ঠাবোধ অথবা হীনমন্যতা মানুষ ভালো চোখে দেখবে না। কিন্তু এটা তো চোখে আঙ্গুল দিয়ে বিএনপি ‘নেতারা’ দেখাতে পারেন, বর্তমান অর্জনের পেছনে তাদের দলীয় সরকারেরও ভূমিকা ও অবদান আছে। শুধু তাদের সরকার কেন, পূর্ববর্তী অন্য সরকারসমূহেরও ভূমিকা, অবদান আছে। কিন্তু এসব কাজ তো রাজনৈতিক নেতৃত্বের, প্রকৃত রাজনীতিবিদদের কাজ।

এ জন্য প্রয়োজন লেখাপড়া করা, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার দক্ষ, পরিশ্রমী ও নিবেদিত কিছু দলীয় লোক। তাছাড়া তারা দুটার্ম তো পুরোপুরিই সরকার চালিয়েছে। তারা কী করেছে সে পরিসংখ্যান তাদের হাতের কাছে থাকবে না কেন? একটি রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়া, তা করতে না পারলে দিনে পাঁচ-সাতটি প্রেস ব্রিফিং দেওয়াই কি দলীয় বক্তব্য জনগণের কাছে নেওয়ার একমাত্র কাজ না মাধ্যম? সরকার খারাপ, সরকার স্বৈরাচারী পন্থায় রাষ্ট্র পরিচালনা করছে, গণতন্ত্রকে নির্বাসনে দিয়েছে এই ধরনের সস্তা ও চটুল কথায় মানুষের মন ভরবে কেন? বিএনপির কোনো পার্টি লিটারেচার নেই কেন? মতাদর্শগত লড়াই তো গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয় বা নয়াপল্টন কার্যালয়ে নিরাপদ প্রেসব্রিফিং দিয়ে হয় না। লিফলেট, বুকলেট, পোস্টারের মাধ্যমে দলের প্রকৃত রাজনৈতিক, আদর্শিক এবং কর্মসূচিগত বিষয়াবলি দলের তৃণমূল এবং সাধারণের মধ্যে নিয়ে যাওয়া একটি গণমুখী ও গণসংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের অংশ। বিরোধী দলে থাকলে প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরকারি প্রতিবন্ধকতা, জেল-জুলুম-নির্যাতন নিপীড়নের মুখে এ পথেই এগিয়ে যায় একটি দল। দল ও দলের মৌলিক রাজনৈতিক, আদর্শিক এবং স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা একই সঙ্গে দলীয় নেতা-কর্মী-সংগঠকের পাশাপাশি জনগণের করণীয় কী হবে তার একটা নির্দেশনাও থাকে। বিএনপির বর্তমান দুর্দশার কথা মানুষ জানে। এই দুর্দশা সৃষ্টির পেছনে বিএনপির নেতৃত্বের দায়ও কম নয়। বুঝলাম, তাদের বক্তব্যই ঠিক যে, তারা এখন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের কবলে; সভা-সমাবেশ করতে পারছে না, পারছে না প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে। কিন্তু গত নয় বছরে বিএনপি জনগণকে পক্ষে রাখার জন্য বুদ্ধিবৃত্তিক ও মতাদর্শগত লড়াইয়ের ক্ষেত্রে কী করেছে? কয়টা লিফলেট, বুকলেট, পোস্টার বা এই ধরনের লিখিত আবেদন এবং বক্তব্য জনগণের কাছে পৌঁছিয়েছে? সরকারের নানা অর্জন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের কৃতিত্ব এবং অবদান বিধৃত করে মাসে দু-চারটা এমন প্রকাশনা তো তারা করতে পারত। সরকারের অতিরঞ্জিত বক্তব্যের যুৎসই জবাব দেওয়া যেত। বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো ভঙ্গুর হলেও পুস্তক-পুস্তিকা-প্রচারপত্র দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার মতো অবস্থা এখনো তাদের লোপ পায়নি।

একটি বড় রাজনৈতিক দল ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর বাধার মুখে কীভাবে কাজ করা লাগে তা জানতে হয়। সেই ধরনের কর্মকৌশল নির্ধারণেও বিএনপি ব্যর্থ। ফলে বিএনপির অনেক কৃতিত্বও দখল করে নিতে সক্ষম হয়েছে লীগ সরকার এবং শাসক লীগ। আগেই উল্লেখ করেছি, দলের নীতি, আদর্শ, কর্মসূচি এবং কর্মসূচি বাস্তবায়নের কৌশল নিয়ে আলাপ-আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রয়োজন অভিজ্ঞ, লেখাপড়া জানা বুদ্ধিদীপ্ত কেরিয়ার রাজনীতিবিদের। বিএনপির দুর্ভাগ্য, দল পরিচালনায় এটাই অভাব। দল চলে কর্মচারী দ্বারা। কেরিয়ার ও প্রবীণ-নবীন রাজনীতিবিদদের কোনো মূল্যই নেই। মাঝে মাঝে বক্তৃতা দিয়ে আর টকশোতে গিয়ে নিজেদের ‘নেতা-ভাবমূর্তি’ রক্ষা করেন তারা। সরকার গণতন্ত্রবিরোধী কোনো কথা প্রকাশ্যে সুনির্দিষ্ট করে বলছে না ঠিক, কিন্তু তা যে তারা আপাতত ‘পেন্ডিং’ রেখেছে সে কথা শুরুতেই বলেছি। কিন্তু গণতন্ত্র বন্দী রেখে উন্নয়নের রাজনীতির দশা কেমন হয় আমাদের ভূখণ্ডেই তার নজির আছে। পাকিস্তানি আমলে আইউবের উন্নয়নের রাজনীতি, বাংলাদেশ আমলে ‘অর্থনৈতিক কর্মসূচি’র নামে বাকশালের রাজনীতি এরশাদের আমলে উন্নয়নের ঢোল পিটিয়ে স্বৈরশাসনের বিভীষিকা দেখেছে মানুষ। বিএনপি এসব কিছু মানুষের সামনে যথাযথভাবে তুলে ধরে বোঝানোর উদ্যোগ এখনো নেয়নি যে, গণতন্ত্র ‘শিকেয়’ তুলে যে উন্নয়ন তার সুফল ভোগ করে মোটা-তাজা একটি সরকারি আশীর্বাদপুষ্ট শ্রেণি। তারাই আরও মোটা-তাজা হয়, তেলে মাথায় তেল দেওয়া হয়। সরকার উন্নয়নের কথা এমনভাবে প্রচার করছে যেন এতে দেশের সব সংকটের সমাধান হয়ে যাচ্ছে এবং মানুষ তাতে বেজায় খুশি। তাই গণতন্ত্রকে আপাতত ‘ফোর্সলিভ’ দিয়ে দেওয়ায় কোনো ক্ষতি নেই। অথচ গণতন্ত্র না থাকলে মানুষের রাষ্ট্রকর্মে অংশগ্রহণের সব পথ রুদ্ধ থাকে, জনগণের মতামতের ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় না বলে ‘উন্নয়নের জোয়ারে’ ভেসে যায় সরকারের ‘খয়ের খাঁ’রা। এই উন্নয়নের জোয়ার গ্রামকেন্দ্রিক বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলকে এবং গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী দেশের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণকে স্পর্শ করে না। ৪ ফেব্রুয়ারি দৈনিক জনকণ্ঠে প্রকাশিত একটি সংবাদে গ্রামবাংলার গণ-আর্তনাদ সরকারের উন্নয়নের ‘বাদ্যকে’ ছাপিয়ে দিয়েছে। খবরে উল্লেখ করা হয়, কর্মসংস্থানের অভাবে, আর্থিক অভাব-অনটনের ফলে গ্রাম ছেড়ে দুর্ভাগা ছিন্নমূল মানুষ পাড়ি দিচ্ছে শহরাভিমুখে। দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে ৪৫ হাজার বস্তি। ক্ষুধা, দারিদ্র্য থেকে মুক্তির অন্বেষণে গ্রামের মানুষ আশ্রয় নিয়েছে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহর-উপশহরের বস্তিতে। একটি গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় লক্ষ্য থাকে গ্রাম-শহরে সমতাভিত্তিক উন্নয়ন সাধন। জনগণের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য জনপ্রতিনিধিরা তা নিশ্চিত করেন। কিন্তু জনগণের ভোট বা রায় ছাড়া রাষ্ট্র শাসনে নিয়োজিতরা জনগণের কাছে জবাবদিহির কোনো তাগিদ অনুভব করেন না বলে তারা যে সব স্বার্থান্বেষী মহলের প্রতিনিধিত্ব করেন তাদের স্বার্থেই কাজ করেন। তারা রাষ্ট্রীয় কোষাগারের বড় ব্যালান্স দেখান, রাজধানীর ফ্লাইওভার দেখান, জিডিপির হার দেখান। কিন্তু দেশে যে বিনিয়োগ হচ্ছে না, টাকা পড়ে আছে অলস হয়ে, একটু বৃষ্টি হলেই ফ্লাইওভারের শহর রাজধানী ঢাকা প্রায়ই ডুবে যায়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পেছনে প্রায় আশিভাগ অবদান বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি এবং কৃষক সমাজের। বর্ষায় বাংলাদেশের বহু গ্রামে ফ্লাইওভার, ব্রিজ-কালভার্ট তো দূরের কথা সাঁকো নির্মাণেরও ব্যবস্থা থাকে না, যোগাযোগ ত্রুটি ও অভাবে কৃষকের পণ্য নষ্ট হয়ে জাতীয় অর্থনীতির মারাত্মক ক্ষতি করে, সেদিকে তারা অ্যাড্রেস করেন না। কিন্তু বিএনপি নামক দলটি করে কী? এই অক্ষম দলটি নাকি সক্ষম হওয়ার চেষ্টা করছে। দলের চেয়ারপারসন নিযুক্ত কর্মকর্তারা বলছেন, আগামী ১৯ মার্চ দলটির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। একটি কাউন্সিল একটি দলকে উজ্জীবিত করতে পারে যদি যথাযথভাবে তা হয়। দল পুনর্গঠনের আওয়াজ শোনা যাচ্ছিল প্রায় এক বছর ধরে— পনেরো সালের জানুয়ারি-মার্চ তিন মাসের ‘সুইসাইডাল’ কর্মসূচির চরম ব্যর্থতার পর। আশা করা গিয়েছিল দলের নেতৃত্ব কাঠামোয় পরিবর্তন আসবে। নবীন-প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সামনে নিয়ে আসা হবে। এ জন্য বিএনপিতে কাউন্সিলের প্রয়োজন নেই। দলের গঠনতন্ত্রে চেয়ারপাসনের সে ক্ষমতা আছে। কিন্তু তা হয়নি। এমনকি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ‘ভার’টাও লাঘব করা হয়নি। শোনা যায়, মাতা-পুত্র এখনো এ ব্যাপারে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন। এখন আবার শোনা যাচ্ছে দুই মহাসচিব তত্ত্ব। মির্জা ফখরুলকে ‘সাইজ’ করার জন্য আরেকজনকে সাংগঠনিক মহাসচিব করার নতুন ছক এঁকেছেন মির্জাবিরোধীরা। তারা লবিংও শুরু করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। কী সর্বনাশা চিন্তা! বহু জেলায় কমিটি নেই পূর্ণাঙ্গ। বহু বছর সম্মেলন হয় না অর্ধেকের বেশি জেলায়। কমিটি করে দেওয়া হয় ঢাকার গুলশান থেকে। উপজেলা পর্যায়েও করুণ দশা। নেতাগিরি কেনাবেচা হয়। প্রচার আছে যে, দল ক্ষমতায় না থাকলেও কমিটি ও পদপদবি বেচা-কেনা করে দলের উপরিকাঠামোয় কেউ কেউ ‘লাল’ হয়ে গেছেন।

একটি বড় রাজনৈতিক দলের জাতীয় কাউন্সিলের জন্য যে প্রস্তুতি অন্তত তিন-চার মাস আগে থেকে নিতে হয় (বিএনপির মতো বিপুল জনসমর্থিত একটি দলে তো বছর খানেক আগে থেকে প্রস্তুতি শুরু হওয়া উচিত) তেমন কিছুই দৃশ্যমান নয় বিএনপিতে। সরকারি বাধার কথা বলা হচ্ছে। বাধা তো দেয়নি এখনো। একই সময়ে সরকারি দলও সম্মেলন করবে। জাতীয় পার্টিও। ধারণা করা যায়, বিএনপিকে কাউন্সিল করতে বাধা দেবে না সরকার। বাধা দিলে তো দেখা যাবে। কিন্তু মার্চের ১৯ তারিখ সম্মেলন করতে হলে ইতিমধ্যে অনেক কাজই সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার কথা। কী করেছে বিএনপি? এখন পর্যন্ত কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটিই করা হয়নি। অথচ ঘোড়ার আগে গাড়ি জুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। চেয়ারপারসন নির্বাচনের ফর্মুলা ঠিক করে ফেলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার-‘টমিশনার’ সব ঠিক করে ফেলা হয়েছে। বোঝাই যাচ্ছে কী হবে। তামাশা করার কী দরকার? চেয়ারপারসন পদে বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সাহস আছে নাকি কারও? প্রয়োজনও কি আছে? কাউন্সিলটা করাই হবে দলের মালিকানা দলিল হালনাগাদ করার জন্য এবং তারেক রহমানকে কো-চেয়ারম্যান করে যৌথ মালিকানা নিশ্চিত করার জন্য। অন্যরা তো হবেন তাদের ‘স্টাফ অফিসার’। নিয়োগ দেবেন মাতা-পুত্র। কাউন্সিলের কী ভূমিকা তাতে? কাউন্সিলের হাতে নতুন কমিটি নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হবে না। কারণ, যতই নতুন মুখের কথা বলা হোক, বেছে বেছে আনা হবে ‘ইওর অবিডিয়েন্ট সার্ভেন্টদের’— এমন আশঙ্কা সত্, সাহসী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতা-কর্মীদের। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, বিএনপির এখন যে দশা, সংগঠন ঠিক না করে, নিবেদিতপ্রাণ নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন না করে মা চেয়ারপাসন থাকার পরও পুত্রকে কো-চেয়ারম্যান বানিয়ে কী লাভ? কঠিন মামলা-মোকদ্দমায় জর্জরিত তারেক রহমান কি অদূর ভবিষ্যতে দেশে ফিরতে পারবেন বিএনপি ক্ষমতায় যেতে না পারলে? সেই ক্ষেত্রে তাকে চেয়ারম্যান বানিয়ে দিয়েও কতটুকু লাভবান হবে বিএনপি কিংবা তারেক রহমানের? বিএনপিকে একটি গতিশীল ও কার্যকর রাজনৈতিক দলে পরিণত করে দলটি প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক জাতীয় তাগিদ (যা এখনো বিদ্যমান) পূরণ করতে হলে এর ‘করপোরেট হাউস’ বা ‘প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির’ চরিত্র পাল্টাতে হবে।

দ্রুত যদি একটি অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন (যার সম্ভাবনা আছে) মোকাবিলা করতে হয়, দলীয় নেতৃত্বে ‘চাকর-বাকর’ (Henchman) না খুঁজে নবীন ও পরীক্ষিত সাহসী রাজনীতি সচেতনদের সামনে নিয়ে আসতে হবে। এটাও ভাবতে হবে যে, বেগম জিয়া আর কতদিন পারবেন? তারেক রহমানও দেশ ছাড়া। তাদের ছাড়া দল চলবে কী করে? তাহলেই দলের কাউন্সিল রাজনৈতিক তাত্পর্য বহন করবে এবং বাকি দেড় মাস সময়ের মধ্যেও কাউন্সিলকে ঘিরে সারা দেশে বইবে প্রাণের বন্যা। অন্যথায়, সরকার বিএনপির কাউন্সিলে বাধা দিচ্ছে বলে বিএনপির কোনো কোনো নেতা যে বায়বীয় বক্তব্য দিচ্ছেন, সাধারণ মানুষও তাকে অতীতের ভুল স্বীকার, আত্মসমালোচনা এবং ভবিষ্যত্ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দিকনির্দেশনামূলক একটি সফল দলীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতৃত্বের অযোগ্যতা ও ব্যর্থতা ঢাকার প্রয়াস বলেই মনে করবে।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট।

ই-মেইল : [email protected].


বিডি-প্রতিদিন/ ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা