শিরোনাম
প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল, ২০২১ ০৯:০০
প্রিন্ট করুন printer

বাংলাদেশ: সাংস্কৃতিক সৌন্দর্য্য ও বৈচিত্রতার এক অপূর্ব লীলাভূমি’ শীর্ষক ওয়েবিনার

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ: সাংস্কৃতিক সৌন্দর্য্য ও বৈচিত্রতার এক অপূর্ব লীলাভূমি’ শীর্ষক ওয়েবিনার

বাংলা নববর্ষ ১৪২৮ উদযাপন উপলক্ষে গত ১২ এপ্রিল ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ‘বাংলাদেশ: সাংস্কৃতিক সৌন্দর্য্য ও বৈচিত্রতার এক অপূর্ব লীলাভূমি’ শীর্ষক একটি ওয়েবিনার আয়োজন করে। কনসাল জেনারেল মোহাম্মাদ মনিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন তুর্কি ট্রাভেল ক্লাবের সভাপতি সেলমান আরিঞ্জ, কবি, লেখক ও আলোকচিত্র শিল্পী আকগুন আকোভা, কবি ও শিক্ষক নাজমি আগিল, বিশিষ্ট সাংবাদিক আহমেদ চস্কুনাইদিন এবং ট্রাভেল ম্যগাজিন ‘ভ্রমণ এর সম্পাদক আবু সুফিয়ান। ওয়েবিনারে তুর্কি ট্রাভেল ক্লাবের সদস্য ছাড়াও তুরস্কের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

কনসাল জেনারেল ইসলাম তাঁর স্বাগত বক্তব্যে বলেন ‘পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশের সংস্কৃতির এমন এক উৎসব যা জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে এক অবিস্মরণীয় মেলবন্ধনে আবদ্ধ করেছে’। পহেলা বৈশাখ বাঙ্গালি জাতিকে একটি সহিষ্ণু, শান্তিপ্রিয় ও প্রগতিশীল জাতি হিসেবে এগিয়ে যেতে যুগ যুগ ধরে এক শক্তিশালী নিয়ামক হিসাবে কাজ করে আসছে, তিনি যোগ করেন। ইউনেস্কো কর্তৃক ২০১৬ সালে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ কে বিশ্ব মানবতার ‘অপরিমেয় বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ হিসেবে ঘোষণা বাঙালি হিসেবে আমাদেরকে গর্বিত করেছে বলে, ইসলাম উল্লেখ করেন। কনসাল জেনারেল আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এধরনের সাংস্কৃতিক মিথস্ক্রিয়া বাংলাদেশ ও তুরস্কের জনগণের মধ্যকার ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করবে।
 
তুর্কি ট্রাভেল ক্লাবের সভাপতি সেলমান আরিঞ্জ বলেন, তিনি ইতোমধ্যে ২০০ এর অধিক দেশ ভ্রমন করেছেন, কিন্তু বাংলাদেশের মত আর কোন দেশ তাঁর হৃদয় ও মনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে নাই। ভ্রমণ ম্যাগাজিনের সম্পাদক আবু সুফিয়ান বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও পর্যটন খাতের উপর বক্তব্য প্রদানের সময় বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও দর্শনীয় স্থানগুলোর উপস্থাপনের পাশাপাশি করোনা পরবর্তী সময়ে পর্যটন খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনার কথা তলে ধরেন। আকোভা তাঁর বাংলাদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে বলেন যে, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের অপরূপতা ছাপিয়ে বাংলাদেশ মানুষের সরলতা ও আতিথেয়তা তাঁর হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করেছে। নাজমি আগিল যিনি কনস্যুলেটের উদ্যোগে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ভ্রমণ করেছেন, তিনি তার রচিত “বাংলাদেশ ব্লুজ” কাব্য গ্রন্থটি সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করেন এবং আশা প্রকাশ করেন এ গ্রন্থটি তুরস্কের জনগণের বাংলাদেশকে জানার পরিধি ও আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করবে। তিনি বাংলাদেশকে নিয়ে আরও একটি কাব্য গ্রন্থ প্রকাশের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ বিষয়ে উচ্চতর গবেষণারত খ্যাতনামা তুর্কি সাংবাদিক চস্কুনাইদিন বাংলাদেশের প্রতি তাঁর গভীর ভালবাসার কথা ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশের উপর একটি কুইজ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। 

বিডি প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

 

এই বিভাগের আরও খবর