Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:৪৫

যেভাবে বুঝবেন ছেলেটি ব্যাচেলর

রাফিউজ্জামান সিফাত

যেভাবে বুঝবেন ছেলেটি ব্যাচেলর

দিনরাত বুয়ার প্রশংসা

ছেলেটি কি কাজের বুয়ার প্রশংসায় পঞ্চমুখ? তার মুঠোফোনের ডায়াল লিস্টের সবার প্রথমে বুয়ার নম্বর? উত্তর যদি হ্যাঁ হয় তবে নিশ্চিত ধরে নিন ছেলেটি ব্যাচেলর। সে এবং তার মেসের সবাই বুয়ার রান্নার ওপর পুরোমাত্রায় নির্ভরশীল।

 

জিন্সের প্যান্ট, টি-শার্ট, বিছানার চাদর

ব্যাচেলররা ছয় মাসে একবার বিছানার চাদর, ৯ মাসে টি-শার্ট আর বছরে একবার জিন্সের প্যান্ট ধোয়। এটাকে অপরিচ্ছন্নতা বলে থাকেন অনেকে। তবে বিষয়টা শুধু তা নয়, সময়ের প্রতি বাড়তি নজর এবং কাপড় কাচার সাবানের পেছনে অহেতুক খরচ কমানোর উদ্দেশ্যেই তারা সাধারণত এরূপ যুগান্তকারী পন্থা অবলম্বন করে থাকেন। অবশ্য এই খরচ বাঁচিয়ে কোনো লাভ হয় না তাদের। ব্যাচেলরদের ঘরে বডি স্প্রে, পারফিউমের অসংখ্য খালি বোতল পড়ে থাকতে দেখা যায়। বোঝাই যায়, ওই টাকা কোথায় খরচ হয়।

 

ঘুমানোর সময়সূচি

ব্যাচেলররা দিনে ঘুমায়, রাতে জাগে। বাদুড় বা নিশাচর প্রাণীদের স্টাইল এটা। যুগের পর যুগ ধরে ব্যাচেলররা ঘুমানোর এই সময়সূচির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আসছে। সকালে ক্লাসে উপস্থিতি কমে যাওয়ার ভয়, ল্যাব বা ক্লাস টেস্ট ফেল, প্রেমিকার সঙ্গে ডেটিং, বাবার হুমকি কোনো কিছুই তাদের ঘুমানোর এই সময়সূচির পরিবর্তন ঘটাতে পারে না। তারা নিষ্ঠার সঙ্গে দিনে ঘুমায়, রাতে জাগে। 

 

বাড়িওয়ালা বনাম ব্যাচেলর

টম অ্যান্ড জেরি কার্টুনের বাস্তব চিত্রের দেখা পাওয়া যায় বাড়িওয়ালা বনাম ব্যাচেলরদের মাঝে। মানব ইতিহাসে কোনো বাড়িওয়ালাই তার ব্যাচেলর ভাড়াটিয়ার ওপর সন্তুষ্ট হয়েছে বলে জানা যায়নি। অন্যদিকে ব্যাচেলররাও চেষ্টা করেন বাড়িওয়ালাকে পাশ কাটিয়ে চলতে। ওদের এতেই আরাম। দুজনের ভিতরে সর্বদাই ‘টুক-পলান্তি’ খেলা চলে। এ খেলা মন্দ না।

 

সৃজনশীলতা

ব্যাচেলররা মাত্রই ক্রিয়েটিভ। তারা চেয়ারকে কেবল বসার জন্য নয়, আলনা হিসেবেও ব্যবহার করে। তারা একই বিছানায় খায়, ঘুমায়, ফেসবুক চালায়, তাস খেলে,  প্রেমিকার সঙ্গে সারা রাত মোবাইলে গল্প করে। তারা চায়ের কাপ, মগ, ফুলের টব যে কোনো কিছুকে যে কোনো সময় আশট্রেতে রূপান্তরিত করে দিতে পারে।

 

ডিনার

ব্যাচেলররা ডায়েটে থাকার চেষ্টা করে। বারোটায় ঘুম থেকে ওঠার কারণে অনেকেরই ব্রেকফাস্ট করতে হয় না। দুপুরে শিঙ্গাড়া দিয়ে চালিয়ে দিতে পারলে লাঞ্চ বা দুপুরের খাবারও হয়ে গেল। তাই রাতের খাবার বা ডিনারটাই তাদের সারা দিনের আয়োজন। ব্যাচেলরদের সাধারণত শেষ রাতে ক্ষুধা লাগে। এই সময় তারা যে কোনো কিছু তৃপ্তি নিয়ে খেতে পারে। হোক সেটা দুপুরের ভেজা ভাত কিংবা দুই দিন আগের ডাল-তরকারি।


আপনার মন্তব্য