শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

নিশীথিনী...

রুনা তাসমিনা
প্রিন্ট ভার্সন
নিশীথিনী...

গল্প

এই নিয়ে তিনবার যেন তিনি শুনতে পেলেন,

মেয়েটাকে একলা ফেলেই চলে যাচ্ছিস! তোর মনে কী দয়ামায়া বলতে কিচ্ছু নেই?

প্রতিবারই চমকে পেছনে ফিরে তাকিয়েছেন ফরিদ সাহেব। কিন্তু কাউকে দেখতে পাননি। ভূতপ্রেতে জীবনেও বিশ্বাস করেন না তিনি। তাহলে কোত্থেকে আসছে কথাগুলো! অবচেতন মনের কথা এত জোরে শোনা যায়! তিনি দাঁড়িয়ে পড়লেন এবার। ট্রেন থেকে নেমে স্টেশন রোডের রাস্তা ধরে হাঁটছেন তিনি। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে জ্বলছে লাইটপোস্টের বাতি। প্রথমদিকে লাইটগুলো যখন লাগানো হয়েছিল দিনের আলোর মতো উজ্জ্বল হয়ে থাকত এখানটায়। একটি দুটি করে ভাঙতে ভাঙতে এখন মাত্র কয়েকটি লাইট জেগে আছে। শুনেছেন দুর্বৃত্তের কাজ। কিন্তু লাইটগুলো ঠিক করার গরজও কেউ মনে করেনি তাই ছায়ান্ধকারে ঢেকে থাকে রাস্তাটি। কোনো দুষ্ট ছেলেপেলে পিছু নিয়েছে কিনা পেছনে কিছুদূর হেঁটে গিয়ে দেখে আসলেন। নাহ্। কোথাও কোনো মানুষের দেখা নেই। অন্ধকার দলা পাকিয়ে আছে বিল্ডিংয়ের কোনায়, গাছের মাথায়। চিন্তা করতে লাগলেন তিনি আগাগোড়া বিষয়টি।

অফিসের কাজে প্রায়শ ঢাকা যেতে হয় ফরিদ সাহেবকে। রাতের ট্রেনেই আবার ফিরে আসেন। এবার রাতের ট্রেন ধরতে পারলেন না। তীব্র গরমের পর বিকেলের দিকে আকাশ যেন কালো মেঘে ছেয়ে গেল। সন্ধ্যার সঙ্গে সঙ্গেই ঝমঝম করে নামল বৃষ্টি। বিজলি চমকের সঙ্গে বিকট হুঙ্কার! বৃষ্টি থামার অপেক্ষা করতে করতে ঘড়ির কাঁটা কখন আটটা তিরিশের ঘর পেরিয়ে গেছে খেয়ালই করেননি। ট্রেন ৯টায়। বৃষ্টির মধ্যেই বেরিয়ে পড়লেন ট্রেন ধরার জন্য। মতিঝিল থেকে কমলাপুর রেলস্টেশনের দূরত্ব বেশি না। সময় বাঁচানোর জন্য সিএনজি নিতে চাইলেন। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও কোনো সিএনজি ড্রাইভারকে রাজি করাতে পারলেন না কমলাপুর স্টেশন যেতে। সবার এক কথা।

স্যার, রিশকায় চইলা যান। রাস্তায় পানি জইম্যা গ্যাছে। গাড়ি চালান যাইব না।

এমনিতেই ঢাকা শহরে ট্রাফিক জ্যাম লেগেই থাকে। এখন বৃষ্টির পানি জমে যাওয়ায় কী অবস্থা কে জানে! অগত্যা রিকশাই ভরসা। ঘণ্টাদেড়েকের বৃষ্টিতে নদীতে পরিণত হয়েছে ঢাকার রাজপথ। রিকশাওয়ালার মেজাজ সপ্তম চড়ে আছে। আবার এই পানি তাদের জন্য আশীর্বাদও। ইচ্ছেমতো ভাড়া চাওয়া যায় যাত্রীদের কাছে। স্টেশন যাওয়ার জন্য তিরিশ, চল্লিশ টাকা সোজা দ্বিগুণ করে দিয়েছে সবাই। কিন্তু এখন ভাড়া নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। উঠে পড়লেন একটি রিকশায়। রিকশাওয়ালা সিটি করপোরেশনকে গালিগালাজ করে, ফরিদ সাহেবের কান ঝালাপালা করে কখনো প্রায় হাঁটুসমান, কখনো প্রায় কোমর সমান পানি ভেঙে রিকশা নিয়ে যখন স্টেশনে পৌঁছাল- ট্রেন ছেড়ে দিয়েছে তার আরও কুড়ি-পঁচিশ মিনিট আগে। এই পানির মধ্যে আবার বাসস্টেশন যাবেন, সে সাহস করতে পারলেন না। সাড়ে ১১টায় তূর্ণা নিশীতা গটগট করে বেরিয়ে গেল স্টেশন ছেড়ে। মহানগর প্রভাতীর টিকিটও পাওয়া গেল না। সারা রাত স্টেশনে অনেক ছুটোছুটির পর অবশেষে সুবর্ণের এই টিকিটটি জোগাড় করলেন। শোভন চেয়ার, ‘ঠ’ বগি। সিটে বসে হাঁফ ছাড়লেন, যখন দেখলেন অনেকেই সিট না পেয়ে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি গরমটাকে যেন উসকে দিল আরও। অনেকেই দাঁড়িয়ে আছে। কেউ ভেজা গায়ে, কেউ কাকভেজা। স্যাঁতসেঁতে বাতাসের সঙ্গে মিশেছে ঘামের বিশ্রী গন্ধ। দম বন্ধ করা পরিবেশ গোটা কম্পার্টমেন্টে। পত্রিকা খুলে আজকের খবরগুলো পড়ার দিকে মন দিলেন। অন্য খবরের পাশাপাশি প্রতিদিনকার মতো খুন, ধর্ষণ, আত্মহত্যার খবর। কিছু কিছু ঘটনার প্রতিবাদে এতক্ষণে ফেসবুক নিশ্চয় ভরে উঠেছে। মনে মনে হাসলেন তিনি। যে যার মতো করে ঘটনার বিবরণে ভরে তুলেছে ফেসবুক নামের পত্রিকার পাতা। কাল যদি আরেকটি ঘটনা ঘটে, এগুলো ভুলে গিয়ে ওটা নিয়েই মাতামাতি হবে। খুব হইচই হবে। নতুন আরেকটি ঘটনায় চাপা পড়ে যাবে ওটাও। পাতাটা বাদ দিয়ে ভিতরের পাতাগুলো ওল্টাতে লাগলেন। খেলাধুলার খবরগুলোয় একটু নজর বুলিয়ে রেখে দিলেন পত্রিকাটি। অফিসের কাজে আটকা পড়া। তবুও কেন যেন নিজের ওপর বিরক্ত হয়ে উঠল মনটা। টঙ্গীতে বেশ কিছু যাত্রী নেমে যাওয়ায় বগি অনেকটা ফাঁকা এখন। ভ্যাপসা, দুর্গন্ধময় ভাবটাও নেই আর। ট্রেন আবার চলতে শুরু করতেই গা-টা এলিয়ে দিলেন সিটে। সারা দিনের ছুটোছুটি, ধকলের পর শরীর একটু আরাম পেতেই চোখের পাতা লেগে গেল আপনা আপনিই।

আটপৌরে ঘুম। কোনো স্টেশনে থামলেই ছুটে যাচ্ছে। এই ঘুম পুরোপুরি ভাঙল শোরগোল শুনে। লাকসাম স্টেশন থেকে কয়েকজন উঠেছে। এরাই নিজেদের মধ্যে হৈ চৈ করে কথা বলছে।

রহিম মিয়ার আইজ খুশির দিন। এক্কেরে হাত খালি কইরা যাইতাছে।

কোঁচড় তো ভইরা গ্যাছে। মুহের হাসি কেমুন দ্যাখছ না! আরেকজন বলল।

হাসি হাসি মুখ করা একজনকে উদ্দেশ করে বলা। যাকে নিয়ে বলা হচ্ছে বোঝাই যাচ্ছে কথাগুলো সে খুব উপভোগ করছে।

বহুত দিন পর ভাগ্য মুখ তুইল্যা চাইছে। খুশি তো লাগবই। ঠোঁটে হাসি ঝুলিয়ে রেখেই বলল রহিম মিয়া নামের লোকটি।

হাটুরে হবে। এরপর শুরু হলো নিজেদের মধ্যে হিসাব-নিকাশ। কে কত বিক্রি করল, ক্রেতা দাম কম বলায় কে ঘরে পালা দেশি মোরগটি দেয়নি। ক্রেতাদের সঙ্গে স্বর উঁচু করে কথা বলতে বলতে ওদের হয়তো এভাবেই কথা বলায় অভ্যাস হয়ে গেছে। ট্রেন গতি নিয়ে চলতে শুরু করেছে আবার। বন্ধ জানালার বাইরে তাকিয়ে দেখলেন রাতের নিকশ কালো অন্ধকার ছাড়া কিছুই দেখা যাচ্ছে না। এখানেও বৃষ্টি হচ্ছে। রুপোর সুতোর মতো পানির ধারা এঁকেবেঁকে জানালার কাচ বেয়ে নেমে যাচ্ছে মাটিতে।

চায়ের হাঁক শুনে এককাপ চা দিতে বললেন। সেই লোকগুলোও নিল। রহিম মিয়া নামের লোকটি আরও কিছুটা উঁচু স্বরে বলল,

এইদিকে চাইড্ডা চা দেন। বিস্কুট আছে ভাই? থাইকলে দুইডা কইরা বিস্কুটও দিয়েন।

যেন কম্পার্টমেন্টের সবাইকে জানাতে চায়, সে আজ জিতেছে। কিন্তু সেই জিতের আনন্দ সে একলা নিচ্ছে না। প্রকাশিত খুশি। এদের সমাজে এসব নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না। এদের ভালোবাসা যেমন প্রকাশ্য, ঘৃণাটাও তেমন। গলার স্বরের মতোই উচ্চকিত এদের জীবন। চাইনিজ রেস্টুরেন্টের মতো আলো-আঁধারির খেলা চলে না এখানে। ফরিদ সাহেব মনে মনে ভাবেন, বেশ ভালোই আছে রহিম মিয়ারা। বৃষ্টির মতো ঝরঝরে জীবন এদের।

লাকসাম থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব কম নয়। তবুও প্রতিবার এই স্টেশনে আসলেই ফরিদ সাহেবের মন কেমন যেন উৎফুল্ল হয়ে ওঠে। নাড়ির টান একেই বলে মনে হয়। লাকসাম পেরুলেই ফেনী! আহ! একেবারে নিজের শহরের সঙ্গে! রাত ১১টার দিকে ট্রেন থামল বটতলী স্টেশনে। এক্সিট গেটের পাশে এক মহিলাকে জেরা করছে পুলিশ। মহিলার টিকিট নেই। ছয় সাত বছরের মেয়েটি মায়ের আঁচল ধরে সেঁটে আছে গায়ের সঙ্গে। ছেলেটি কোলে। মহিলা কিছু বোঝানোর চেষ্টা করছে পুলিশ দুজনকে। ফরিদ সাহেব কি মনে করে এগিয়ে গিয়ে জানতে চাইলেন কী ঘটনা?

আর কী! টিকিট না নিয়ে ট্রেনে উঠে এখন নাকি কান্না। মনে করছে চালাকি করে পার পেয়ে যাবে।

কথার মাঝখানে মৃদুস্বরে প্রতিবাদ করে উঠল মেয়েটি।

সা’ব! বিশ্বাস করেন! আমি চালাকি করতাছি না। বিপদে পইড়া টেরেনে উইট্টা পড়ছি। এই পত্তম টেরেনে উটছি। টিকিট কীভাবে লইতে হয়, এইডাও জানি না। সা’ব! হেদের একটু বুঝাইয়া কন না! ফরিদ সাহেবকে পেয়ে যেন সে যেন সহায় খুঁজে পেল। দূর থেকে যাকে মহিলা মনে হয়েছিল, কাছে এসে দেখলেন তেইশ-চব্বিশ বছর বয়স হবে তার। চুল থেকে পা পর্যন্ত ঢেকে আছে অভাব। মায়ের কান্না দেখে ভয়ার্ত চোখে তাকিয়ে থাকা মেয়েটির চোখও টলমল করছে পানিতে। ছেলেটা ঘুমিয়ে আছে মায়ের ঘাড়ে মাথা রেখে। রাত অনেক। এভাবে এখানে ওদের ফেলে যেতে বিবেক বাধা দিল। ওদের ভাড়াটা তিনিই দিয়ে দিলেন। ঝামেলাটা মিটিয়ে তিনি বেরিয়ে এসে বাসার পথ ধরেছেন। আসার পথেই কথাগুলো শুনতে পেলেন। পরপর তিনবার! বুঝতে পারছেন না কী করবেন! কি ভেবে আবার ফিরে গেলেন টিকিট কাউন্টারের সামনে। দেখলেন সারি সারি চেয়ার থাকা সত্ত্বেও মেয়েটি ফ্লোরে বসে আছে। ঠান্ডায় কুঁকড়ে মেয়েটি ঘুমিয়ে পড়েছে মায়ের পাশ ঘেঁষে। ছেলেটি কোলে।

এভাবে বসে আছ কেন! কোথায় যাবে, চলে যাও! কেউ নিতে আসবে?

মেয়েটি চুপ করে আছে।

আরে বাবা কথা না বললে কী করে বুঝব কী সমস্যা! বেশ বিরক্তি নিয়েই বললেন তিনি।

সা’ব...

কিছু বলতে গিয়ে থেমে গেল মেয়েটি। নিজের মনকে শান্ত করে এবার কিছুটা নরম গলায় বললেন,

দেখো, স্টেশন ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। এভাবে বসে না থেকে কোথায় যাবে চলে যাও।

কোথায় যামু? এই শহরের কিছুই আমি চিনি না।

অচেনা জায়গায় দুটো বাচ্চা নিয়ে চলে এলে! মেয়েটির সাহস দেখে আশ্চর্য ফরিদ সাহেব।

এক কুটুম আছে, তার ঠিকানা লইয়া আইছি।

কুটুমের ঠিকানা হাতে নিয়েই চলে এসেছে। অচেনা জায়গায়। খালি হাতে। ব্যাপারটা কেমন গোলমেলে লাগছে ফরিদ সাহেবের কাছে। বাড়ছে কৌতূহলও। এদিকে বাসা থেকে ফোন আসছে বারবার।

তোমার কুটুম কি জানে তুমি আসবে?

না। ঠিকানা লইয়া আইছি। ভিতরের কান্নাটা মুখে স্পষ্ট।

বোকা মেয়ে। এই রাতে এতবড় শহরে কোথায় খুঁজবে তোমার কুটুমকে?

পকেট থেকে বের করে দুটো একশ টাকার নোট মেয়েটির হাতে দিয়ে বললেন,

বাচ্চা দুটোকে কিছু কিনে দিও। বাসে করে যেও যেখানে যাবে।

কি মনে করে পকেট থেকে নিজের একটি কার্ড দিয়ে বললেন,

এখানে আমার ফোন নম্বর আছে। দরকার হলে ফোন দিও। আবারও ফোনে রিং হচ্ছে। তিনি বেরিয়ে এলেন স্টেশন থেকে। ভেজা রাস্তা দেখে বুঝতে পারলেন বৃষ্টি এখানেও হয়েছে। সঙ্গে ছাতা নেই। তাড়াতাড়ি পা চালালেন বাসার দিকে। রাত ১২টা তো হবেই। মনে দ্বিধা নিয়েই বাসায় পৌঁছে গেলেন মিনিট কুড়ির মধ্যে।

কাপড়-চোপড় ছেড়ে, ফ্রেশ হয়ে পাশের রুমে গেলেন। গভীর ঘুম আরিবা, আদিবা। ফরিদ সাহেবের দুই মেয়ে। চোখেমুখে নেই কোনো ভয়ার্ত ভাব। নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছে দু’জন। মনে পড়ে গেল বাসা থেকে কুড়ি, পঁচিশ মিনিটের দূরত্বে একই বয়সি আর দুটো বাচ্চা উপোস ঘুমিয়ে আছে। ঠান্ডায় কুঁকড়ে থাকা শরীরে মায়ের আঁচল ছাড়া আর কিছু নেই। তার দিয়ে আসা টাকায় ওদের মা খাবার কিনতে পেরেছে কী না কে জানে! কিছু খাবার তো আমি নিজেই কিনে দিয়ে আসতে পারতাম! হঠাৎ এ কথাটি মনে এসে ভীষণ অস্বস্তি লাগছে। মেয়ে দুটোকে আদর করে রুম থেকে বেরিয়ে এলেন। স্ত্রী টেবিলে খাবার নিয়ে অপেক্ষা করছে। খেতে বসে বার বার মনে পড়ছে মেয়েটির কথা, বাচ্চা দুটোর কথা। কানে অনবরত বেজে চলেছে সেই আওয়াজ-মেয়েটিকে একলা ফেলেই চলে যাচ্ছিস? ঘুমোতে গিয়ে বিছানায় এপাশ ওপাশ করছেন।

কী ব্যাপার? কী হয়েছে তোমার? এসেছ পর্যন্ত কেমন গম্ভীর হয়ে আছ? কিছু খেলেও না। স্ত্রীর প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে বললেন,

বৃষ্টিতে ভিজে শরীর ম্যাজম্যাজ করছে। তাই ঘুম আসছে না।

ইচ্ছে করেই মিথ্যেটা বললেন। দেখা আর অদেখাতে অনেক পার্থক্য। খামোখা বাইরের কথা ঘরে এনে অশান্তি হবে। পুরুষ হলে হয়তো কিছুক্ষণ তাকে নানা বিশেষণ দিয়ে চুপ হয়ে যেত। কিন্তু মেয়ের বেলায় হাজার প্রশ্ন করবে। ফরিদ সাহেব ছোটোকাল থেকেই দেখে বড় হয়েছেন, তার বাবাকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে। বাবার সূত্রে এই অভ্যাস তারও। কিন্তু তার স্ত্রীর কথা হলো এখন বাবার আমল নেই। চড়া দামের বাজারে নিজেদেরই চলতে হয় হাজার হিসাব-নিকাশ করে। ফরিদ সাহেব প্রথমদিকে বউকে বোঝানোর চেষ্টা করতেন। এখন আর করেন না। তার কথায়ও যুক্তি আছে। ব্যাংকের একজন অফিসারের যে বেতন, তাতে আসলেই হিমশিম খেতে হয় সবদিক সামলে চলতে। আবার নিজেকেও পারেন না দমিয়ে রাখতে। তাই বাইরের কথা বাইরেই রেখে দেন।

তোমার কী হয়েছে ঠিক করে বল তো? অফিসের কাজে ঢাকা গিয়েছিলে। কোনো ঝামেলা হয়েছে?

না না। কোনো ঝামেলা হয়নি। ট্রেনে খানিকটা ঘুমিয়ে পড়েছিলাম সে জন্য হয়তো ঘুম আসছে না। বুঝতে পারছেন বউ ঠিকই তার অস্থিরতা আঁচ করতে পারছে। প্রসঙ্গটা এড়িয়ে যাওয়ার জন্যই বউকে ঘুমোতে বলে নিজেও পাশ ফিরে শুয়ে চোখ বন্ধ করলেন।

অফিসে যাওয়ার পথে কৌতূহল সামলাতে পারলেন না। রিকশা ঘুরিয়ে নিলেন স্টেশনে। নেই! এদিক সেদিক খোঁজ করলেন, কয়েকজন সুইপারকে জিজ্ঞেসও করলেন। কেউ কিছু বলতে পারেনি। ব্যস্ত স্টেশনে প্রতিদিন হাজার মানুষ আসা-যাওয়া করে। একজন মা তার বাচ্চা দুটো নিয়ে কুটুমের বাড়িতে পৌঁছাতে পারল কি-না কে রাখে সে খবর! পস্তাচ্ছেন ঠিকানাটি কেন দেখেননি। স্টেশন থেকে বেরিয়ে আসার পথে আবার যেন শুনতে পেলেন-মেয়েটিকে তুই একলা ফেলে রেখে চলে যাচ্ছিস? চমকে পেছন ফিরে তাকান। সবাই যার যার কাজে ব্যস্ত। কে করছে এই প্রশ্ন! তিনি যখন নিজের কার্ড দিয়ে বের হয়ে আসছিলেন, মেয়েটির চোখে করুণ এক আকুতি ছিল। সে কী বলতে চেয়েছিল

সা’ব! আমগোরে সঙ্গে লইয়া যান! একটু আশ্রয় কুনোহানে জুটাইয়া দ্যান!

ফরিদ সাহেবের চোখ খুঁজে বেড়ায় তেইশ চব্বিশ বছরের একটা মেয়ে আর তার দুটো বাচ্চাকে। যাদের বয়স তার নিজের দুই মেয়ে আরিবা আদিবার মতো...

এই বিভাগের আরও খবর
অনুপস্থিত স্যার!
অনুপস্থিত স্যার!
শিং
শিং
ডুয়েল সিম
ডুয়েল সিম
স্নো-পাউডার
স্নো-পাউডার
উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টর
উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টর
বুড়িগঙ্গা হত্যায় আমরা শতভাগ সফল হয়েছি
বুড়িগঙ্গা হত্যায় আমরা শতভাগ সফল হয়েছি
কাজী নজরুল সমকালের চোখে
কাজী নজরুল সমকালের চোখে
সাহিত্য বিভাগে লেখা পাঠানোর ঠিকানা
সাহিত্য বিভাগে লেখা পাঠানোর ঠিকানা
আগুন
আগুন
হৃদয়ের দোষ কী
হৃদয়ের দোষ কী
পর্যটনের পাহাড়
পর্যটনের পাহাড়
শিমলার বুক ক্যাফে
শিমলার বুক ক্যাফে
সর্বশেষ খবর
হারে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের
হারে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

৯ মিনিট আগে | শোবিজ

গফরগাঁওয়ে বলাকা কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন
গফরগাঁওয়ে বলাকা কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হত্যা মামলার আসামির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
হত্যা মামলার আসামির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মরক্কোয় মিলল ‘ট্যাংকের মতো’ ডাইনোসর স্পাইকোমেলাসের জীবাশ্ম
মরক্কোয় মিলল ‘ট্যাংকের মতো’ ডাইনোসর স্পাইকোমেলাসের জীবাশ্ম

২৯ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের আহ্বান সিইসির
পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের আহ্বান সিইসির

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজার পরিস্থিতিকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিতে জাতিসংঘের পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তার চিঠি
গাজার পরিস্থিতিকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিতে জাতিসংঘের পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তার চিঠি

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় চোরাচালান পণ্য জব্দ
সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় চোরাচালান পণ্য জব্দ

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা কমিশনের কাজ : ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা কমিশনের কাজ : ইসি সানাউল্লাহ

৫৭ মিনিট আগে | জাতীয়

অভিষেকে মারকুটে ব্যাটিং শেবাগপুত্র আর্যবীরের
অভিষেকে মারকুটে ব্যাটিং শেবাগপুত্র আর্যবীরের

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পোল্যান্ডে মহড়ার সময় এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, বেঁচে নেই পাইলট
পোল্যান্ডে মহড়ার সময় এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, বেঁচে নেই পাইলট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চ্যাম্পিয়নস লিগ ড্র : ২০২৫–২৬ মৌসুমে কে কার মুখোমুখি
চ্যাম্পিয়নস লিগ ড্র : ২০২৫–২৬ মৌসুমে কে কার মুখোমুখি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আগামী সংসদ নির্বাচন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হবে : ইসি আনোয়ারুল
আগামী সংসদ নির্বাচন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হবে : ইসি আনোয়ারুল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞার প্রক্রিয়া শুরু, তেহরানের ক্ষোভ
ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞার প্রক্রিয়া শুরু, তেহরানের ক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেনাপোলে বিএনপি কর্মী মিজানকে গলা কেটে হত্যা
বেনাপোলে বিএনপি কর্মী মিজানকে গলা কেটে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল স্থগিত
হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল স্থগিত

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের ফরজ পরিধি
ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের ফরজ পরিধি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

প্রতিদিন ৬৮ হাজার ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শ্বাসের মাধ্যমে নিচ্ছে মানুষ
প্রতিদিন ৬৮ হাজার ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শ্বাসের মাধ্যমে নিচ্ছে মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসারাঙ্গাকে নিয়েই শ্রীলঙ্কার এশিয়া কাপ দল ঘোষণা
হাসারাঙ্গাকে নিয়েই শ্রীলঙ্কার এশিয়া কাপ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সবজির আগুনে ঘামছে ক্রেতা
সবজির আগুনে ঘামছে ক্রেতা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কোটালীপাড়ায় সেবা প্রত্যাশীদের সুসজ্জিত বসার স্থান ও দৃষ্টিনন্দন ফুলের বাগান উদ্বোধন
কোটালীপাড়ায় সেবা প্রত্যাশীদের সুসজ্জিত বসার স্থান ও দৃষ্টিনন্দন ফুলের বাগান উদ্বোধন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটির চেক, সেই চিকিৎসকের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান
উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটির চেক, সেই চিকিৎসকের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরেই তফসিল
রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরেই তফসিল

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা
সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‌‘মঞ্চ ৭১’র অনুষ্ঠানে উত্তেজনা, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আটক
‌‘মঞ্চ ৭১’র অনুষ্ঠানে উত্তেজনা, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আটক

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে
জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা
প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা
উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে
পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি
রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'
'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন
৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া
ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান
চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা
শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময়সীমা সীমিত করছেন ট্রাম্প
বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময়সীমা সীমিত করছেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ার ফাহিমা হত্যায় ঢাকায় স্বামী গ্রেপ্তার
বগুড়ার ফাহিমা হত্যায় ঢাকায় স্বামী গ্রেপ্তার

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি
ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নির্বাচনী প্রচারণায় ইট-পাটকেলের তোপের মুখে পালালেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট
নির্বাচনী প্রচারণায় ইট-পাটকেলের তোপের মুখে পালালেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা
উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু
১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩৬ দল চূড়ান্ত
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩৬ দল চূড়ান্ত

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানে সময় দরকার: ফাওজুল কবির
প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানে সময় দরকার: ফাওজুল কবির

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ
লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস
ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি
বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি

পেছনের পৃষ্ঠা

রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান
রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান

নগর জীবন

আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য
আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি
ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও মব রাজধানীতে
আবারও মব রাজধানীতে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের
মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের

নগর জীবন

একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের
একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের

নগর জীবন

রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স
রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স

নগর জীবন

অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ
অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি

মাঠে ময়দানে

প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন
প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন

নগর জীবন

ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া

প্রথম পৃষ্ঠা

কমপ্লিট শাটডাউন
কমপ্লিট শাটডাউন

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা
কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা

শোবিজ

সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী
সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল
গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের মোহনীয়রূপে জয়া
ফের মোহনীয়রূপে জয়া

শোবিজ

মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি
মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি

মাঠে ময়দানে

বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’
ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’

শোবিজ

নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ
নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ

পেছনের পৃষ্ঠা

শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা
শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা

পূর্ব-পশ্চিম

চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন
চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন

মাঠে ময়দানে

সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি

প্রথম পৃষ্ঠা

গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর
গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট
ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট

নগর জীবন

‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’
‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’

পূর্ব-পশ্চিম