শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ২৩:৫৮

ফুটবলে সোনালি দিন ফেরাতে মরিয়া জেমি ডে

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ফুটবলে সোনালি দিন ফেরাতে মরিয়া জেমি ডে

বাংলাদেশ ফুটবলের হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা জেমি ডে! তলানিতে চলে আসা এ দেশের ফুটবলকে আলোকবর্তিকা দেখাচ্ছেন ইংলিশ বংশো™ভূত জেমি। আর্সেনালের সাবেক ট্রেনারের হাত ধরে সোনালি সময় ফিরিয়ে আনার পথে হাঁটছে দেশের ফুটবল। মরিয়া ইংলিশ ভদ্রলোকও। জামাল ভূঁইয়া, সাদউদ্দীন, ইয়াসিনদের কোচ চাইছেন উজ্জ্বল পারফরম্যান্সে দেশের ফুটবলে জোয়ার আনতে। চাইছেন দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ক্রিকেটকে পেছনে ফেলে ফুটবলকে সবার উপরে জায়গা দিতে।

২০১৬ সালে ভুটানের কাছে হারের পর ফুটবলপ্রেমীরা সমালোচনায় এফোর-ওফোর করেছিলেন ফুটবলারদের। বলেছিলেন, বাংলাদেশের ফুটবলের কফিনে শেষ পেরেক ঠুঁকে দিয়েছে পর্বতবেষ্টিত দেশ ভুটান। কিন্তু হাল ছাড়েনি বাফুফে। একের পর এক নিয়োগ দিয়েছে দেশি ও বিদেশি কোচ। তারই ধারাবাহিকতায় গত বছর নিয়োগ পান জেমি ডে। তার নিয়োগে সরব হয়েছিলেন নিন্দুকেরা। কিন্তু সমালোচনা গায়ে মাখেননি তিনি। বরং নিজস্ব মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে দল সাজান একঝাঁক তরুণ প্রতিভাবান ফুটবলার নিয়ে। দক্ষিণ কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, লাওসের বিপক্ষে প্রস্তুতি ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে গুছিয়ে নেন দল। ফুটবলারদের বছরব্যাপী মাঠে রাখার ফল পাচ্ছেন এখন। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অসাধারণ খেলছেন জামালরা। সমানে সমানে লড়াই করছে র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা আফগানিস্তান, কাতার ও ভারতের বিপক্ষে। বিশেষ করে কাতার ও ভারতের বিপক্ষে জয় না পাওয়াটা ছিল দুর্ভাগ্যজনক। এমন নজরকাড়া পারফরম্যান্সে জেগে উঠেছে দেশের ফুটবল। ক্রিকেট সমর্থনপুষ্ট দেশটিতে ফুটবলকে ফের দর্শকের মনের কোঠরে নিয়ে যেতে চান কোচ। ইংল্যান্ডের বিখ্যাত পত্রিকার দ্য গার্ডিয়ানে বেঙ্গল টাইগার্সদের কোচ জেমি বলেছেন তার স্বপ্নের কথা, ‘দেশটিতে ক্রিকেটই মূল খেলা। এখানকার লোকেরা ক্রিকেট ভালোবাসেন। কিন্তু আমি মনে করি ফুটবলের সুযোগ আছে ক্রিকেটকে পেছনে ফেলার।’ জামালদের কোচ আরও বলেন, ‘অবশ্য এটাও সত্যি, বাংলাদেশের জনগণ ফুটবল ভালোবাসে। যদিও সাফল্য নেই সেখানে। টি-২০ ম্যাচে দেখেছি ২০-৩০ হাজার লোক খেলা দেখেন। ফুটবলেও ৩০-৪০ হাজার লোক খেলা দেখেন।’

 


আপনার মন্তব্য