শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:২০

দলে থাকাতেই আনন্দ শরিফুলের

ক্রীড়া প্রতিবেদক

দলে থাকাতেই আনন্দ শরিফুলের

ক্রিকেট খেলা যখন শুরু করেন শরীফুল ইসলাম, তখন তার ক্রিকেট গুরু তাকে জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন দেখতে বলেছিলেন। শুধু তাই নয়, টেস্ট ক্রিকেটকে বলেছিলেন ক্রিকেটের মূল সংস্করণ। বাঁ হাতি দীর্ঘকায় পেসার শরীফুল টেস্ট খেলার সেই স্বপ্ন বুকে নিয়ে খেলা শুরু করেন। হয়েছেন যুব বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন। দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। খেলেছেন টি-২০ ক্রিকেট। টেস্ট অভিষেক না হলেও ছিলেন স্কোয়াডে। সাদা পোশাকে না খেললেও দলে থাকতে পেরেই রোমাঞ্চিত শরীফুল, ‘এর আগে এত কাছে থেকে টেস্ট দেখিনি। প্রথমবারের মতো ১৪ জনের স্কোয়াডে থেকে উত্তেজিত ছিলাম। টেস্ট একটি মজার খেলার। প্রতিটি সেসনে মুভমেন্ট চেঞ্জ হয়। এত কাছে ছিলাম বলেই মনে হয়নি সবসময় মনে হয়েছে আমি টেস্ট খেলছি।’ আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম টেস্টের স্কোয়াডে ছিলেন শরীফুল। কাল পাল্লেকেলেতে চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় টেস্টে অভিষেক হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

অনূর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন দলের মূল স্ট্রাইকার বোলার ছিলেন শরীফুল। গতি, বাউন্স ও সুইং দিয়ে তিনি আস্থাশীল হয়েছেন টিম ম্যানেজমেন্টের। তাই টিম ম্যানেজমেন্ট তাকে প্রথমবারের মতো টেস্ট স্কোয়াডে নিয়েছেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট স্কোয়াডে রেখেছেনও। তবে গত মার্চে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজে অভিষেক হয় বাঁ হাতি পেসারের। যদিও প্রথম ম্যাচে মনে রাখার মতো পারফরম্যান্স ছিল না তার। ৪ ওভারে ৫০ রান দেন। তবে পরের দুই ম্যাচে আলো ছড়ানো বোলিং করেন। দ্বিতীয় ম্যাচে ৩ ওভারে ১৬ রানের খরচে নেন ১ উইকেট এবং তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ২ ওভারে ২১ রান দিলেও নেন ১ উইকেট।

পাল্লেকেলেতে প্রথম টেস্ট ড্র হয়েছে। নাজমুল হোসেন শান্তের ১৬৩ ও মুমিনুল হকের ১২৭ এবং তামিম ইকবালের ৯০, মুশফিকুর রহিমের অপরাজিত ৬৮ ও লিটন দাসের ৫০ রানে ভর করে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ৫৪১ রান। স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা ইনিংস ঘোষণা করে ৮ উইকেটে ৬৪৮ রান তুলে। ১০৭ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে তামিমের অপরাজিত ৭৪ রানে ভর করে টাইগারদের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ১০০ রান। ম্যাচটি বোলারদের ঘাম ঝরাতে হয়েছে বোলারদের। প্রচ  গরমে বোলারদের জন্য বাঁ হাতি পেসারের খারাপ লেগেছে, ‘টেস্ট খেলাটা একটু কঠিন। যে পরিবেশে খেলা হচ্ছিল তা কষ্টের।’

 পেস বোলারদের একটু পরপর পানি খাওয়ানো, তাদের সঙ্গে কথা বলা, তাদের কাছ থেকে কিছু জানা। সব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল যে রকম মজার আছে  সে রকম ওদের একটু কষ্টও আছে। তো এটা (কষ্ট) আসলে  খেলারই অংশ, এটা আমাদের হাতে নেই। এটা জয় করে আমাদের ভালো কিছু করতে হবে।’

২৯ এপ্রিল চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় টেস্ট শুরু। টেস্টেও একাদশে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ওপেনার সাইফ হাসানের জায়গায় ফিরতে পারেন বাঁ হাতি ওপেনার সাদমান ইসলাম। সাইফ দুই ইনিংস মিলিয়ে রান করেন মাত্র ১।