Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ জানুয়ারি, ২০১৬ ০০:৫৭

খুলনা মহানগরীর সীমানা বাড়ছে

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

খুলনা মহানগরীর সীমানা বাড়ছে

খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) সীমানা আরও ৪৪ কিলোমিটার বাড়ানো হচ্ছে। প্রস্তাবিত এলাকার তিন-চতুর্থাংশ অধিবাসী পূর্ণ বয়ষ্ক নারী ও পুরুষ। অকৃষিজীবী মানুষ শতকরা ৭৫ ভাগ। পিছিয়ে পড়া বিশাল এই জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিতে প্রস্তাবিত এলাকাগুলোকে সিটি করপোরেশনের আওতায় আনা হচ্ছে। নতুন সীমানা যুক্ত হলে খুলনা সিটির আয়তন বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে। জানা যায়, শহরতলি বটিয়াঘাটা উপজেলার হরিণটানা, মাথাভাঙ্গা, ডুবি, খোলাবাড়িয়া, আলুতলা, সাচিবুনিয়া (আংশিক), ঠিকরাবাদ, কৃষ্ণনগর, ডুমুরিয়ার চক আসানখালী (আংশিক), দৌলতপুর থানার আড়ংঘাটা, তেলিগাতী, দেয়ানা (আংশিক), যুগীপোল, ফুলতলা উপজেলার শিরোমণি, গিলাতলা, আটরা ও শ্যামগঞ্জ এলাকা সিটি করপোরেশনের মধ্যে আনা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত এই এলাকার মধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, পল্লী বিদ্যুত্, বিকেএসপি, খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পিডিবি, স্মৃতিসৌধ, সমাজসেবা অধিদফতর, বিভাগীয় আবহাওয়া অফিস, কৃষি খামার, জেলখানা, পাইকারি মত্স্য বাজার, কেডিএর  আহসানাবাদ আবাসিক প্রকল্প, শিল্প এলাকা, ক্যান্টনমেন্ট, চিড়িয়াখানা, আরআরএফ, কোস্টগার্ড আবাসন প্রকল্পসহ ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৩০টির অধিক আবাসিক প্রকল্প রয়েছে। স্থানীয় এমপিদের মতামতের ভিত্তিতে খুলনা জেলা প্রশাসক গত ৩০ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠিয়েছেন।

জানা যায়, বর্তমানে খুলনা সিটি করপোরেশনের আয়তন ৪৫ দশমিক ৬৫ বর্গ কিলোমিটার। প্রস্তাবিত এলাকার অনুমোদন মিললে সিটি করপোরেশনের আয়তন হবে ৯০ বর্গ কিলোমিটার। ১৯৮৮ সাল থেকে কেসিসির সীমানা বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে। আশপাশের উপজেলার ২০টি মৌজার সম্পূর্ণ ও আংশিক অংশকে কেসিসির অন্তর্ভুক্ত করতে ২০০৭ সালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। এর মধ্যে ২০১৪ সালের ৫ অক্টোবর খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) নগরীর সীমান্তবর্তী এলাকায় লবণচরা, হরিণটানা ও আড়ংঘাটা নামে ৩টি নতুন থানা স্থাপন করে। কিন্তু ওই সব এলাকা কেসিসির প্রস্তাবিত এলাকার মধ্যে ছিল না। ফলে জেলা প্রশাসক নিজস্ব ক্ষমতাবলে ডুমুরিয়ার চর মথুরাবাদ, বিলা পাবলা ও ফুলতলার মশিয়ালী মৌজার প্রস্তাবনা দেয়। যা কেএমপির হরিণটানা, আড়ংঘাটা ও পুরাতন খানজাহান আলী থানার আওতাভুক্ত।

এদিকে কেসিসি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ১১৩ দশমিক ৫০ বর্গকিলোমিটারকে কেসিসির আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

কিন্তু স্থানীয় এমপিদের আপত্তির মুখে ৪৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা বাদ পড়ে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে খুলনা মহানগরবাসী।


আপনার মন্তব্য