শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:১০

অ্যালোভেরায় কত গুণ!

অ্যালোভেরা, বাংলায় যার নাম ঘৃতকুমারী। রূপচর্চায় এর রয়েছে নানাবিধ ব্যবহার। ত্বক গ্লো করা, চুল পড়া রোধ করা- এসব গুণ পাওয়া যাবে অ্যালোভেরায়। এ ছাড়া ঔষধি গুণ থাকায় ৫ হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে ভেষজ পাথেয় হিসেবে মানুষ ব্যবহার করে আসছে।

 

গবেষণায় প্রমাণিত, ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরার যেমন বিকল্প নেই, তেমনি এই প্রাকৃতিক উপাদানটিকে কাজে লাগিয়ে অনেক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। প্রতিদিন অ্যালোভেরার রস বা জুস পান করলে ত্বক, চুল ও দেহকে পরিশুদ্ধ করে প্রাণবন্ত করে তোলে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালোভেরা জুস খাওয়া মাত্র সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের প্রভাব বেড়ে যায়, যে কারণে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের পাশাপাশি হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। রক্তে খারাপ কলেস্টেরলের মাত্রাও হ্রাস পায়। ফলে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও দূর হয়। খাদ্য তালিকায় উপাদানটি রাখলে শরীরের যে কোনো চোট-আঘাত দ্রুত সারায়। কারণ অ্যালোভেরা জুসে উপস্থিত অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র যে কোনো ধরনের ক্ষত সারিয়ে তোলে। ক্ষতের ওপরে অ্যালোভেরা জেল লাগালেও সমান উপকার পাওয়া যায়।

 

হরমেনাল সমস্যার স্থায়ী কোনো চিকিৎসা না থাকলেও অ্যালোভেরা দেহের সব হরমোন নিঃসরণের মাত্রা ঠিক রাখে। প্যানক্রিয়াস সংক্রান্ত নানা রোগের চিকিৎসাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। নিয়মিত প্রাকৃতিক উপাদানটি খাওয়া শুরু করলে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলস এর ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের ঘাটতিও দূর হতে থাকে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এই জুস শরীরে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ এত বৃদ্ধি করে যে দেহের প্রতিটি কোণায় জমতে থাকা টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, এসব টক্সিক উপাদানের মাত্রা যদি বৃদ্ধি পেতে থাকে, তাহলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। নিয়মিত ঘৃতকুমারী গ্রহণে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটা শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে ছোট-বড় কোনো রোগই ধারেকাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে। এই ভেষজ উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর পাচক রসের ক্ষরণ এতটা বাড়িয়ে দেয় যে মানবদেহে বদ-হজমের মতো রোগ ধারেকাছেও ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে অ্যাসিডিটি এবং কনস্টিপেশনের মতো সমস্যাও কমতে শুরু করে।

তথ্য : হেলথ জার্নাল


আপনার মন্তব্য