শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩০ মার্চ, ২০২১ ২১:৪৭

চৈত্রে বৈশাখের প্রস্তুতি

চৈত্রে বৈশাখের প্রস্তুতি

চলছে চৈত্র মাস। এ সময় একটু বেশি তেজ নিয়েই ঘটে রোদের আবির্ভাব। যা ত্বকের ক্ষতির কারণ, পাশাপাশি ধুলাবালি আর অনিয়ন্ত্রিত লাইফস্টাইল তো আছেই! সব সমস্যাকে তুড়ি মেরে বৈশাখে ত্বকে ম্যাজিক দেখাতে আগে থেকে গ্রহণ করুন আগাম প্রস্তুতি।

 

ত্বকের পরিচ্ছন্নতায় : এমন দিনে ত্বক পরিষ্কারে বেছে নিন গ্লিসারিনসমৃদ্ধ সাবান, ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ। তবে সবচেয়ে ভালো ময়েশ্চারাইজিং ক্লিনজার। গরমের দিনে তৈলাক্ত ত্বকে তেল গ্রন্থিগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠার কারণে বেশি তেল বের হয়। এমন ত্বকে মেডিকেটেড ফেসওয়াশ ব্যবহার উপযোগী হবে।

 

সবসময় সানস্ক্রিন : ত্বকের কালচে ভাব দূর করা এবং ত্বক পুড়ে যাওয়া ঠেকায় সানস্ক্রিন। তাই বাইরে বেরোলে অবশ্যই সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করতে হবে। বিশেষ করে চোখের নিচের নমনীয় ত্বকের জন্য মেডিকেটেড সানস্ক্রিন এবং তৈলাক্ত ত্বকের জন্য তেলবিহীন সানস্ক্রিনই ব্যবহার করতে হবে। আমাদের আবহাওয়াতে সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর বা এসপিএফ অন্তত ৩০ থাকা জরুরি।

 

ত্বকের সুস্থতায় ক্রিম : শুষ্ক ত্বকের খসখসে ভাব ও বলিরেখা দূর করার জন্য সব সময় ত্বক উপযোগী ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। সেক্ষেত্রে ত্বকের ধরন বুঝে ক্রিম বাছাই করতে হবে।

 

এ তো গেল নিয়মিত ত্বকে ব্যবহƒত প্রসাধনী বৃত্তান্ত। এ ছাড়াও ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে দুই-একদিন পরপর এক্সট্রা কিছু যতœ নিতে হয়। এ ছাড়া হঠাৎ ত্বকে কোনো সমস্যা দেখা দিলে নিতে পারেন কার্যকরী কিছু ব্যবস্থা। জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে-

 

* গরমে ত্বকের আর্দ্রতা হারিয়ে যায়। আবার তৈলাক্ত ত্বকে তেলতেলে ভাবও থেকে যায়। এমন সমস্যার দারুণ সমাধান হতে পারে শসা ও মসুর ডালের পেস্ট। মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।

* গোলাপের পাপড়ি ও দুটি খেজুর দুধে ভিজিয়ে রাখুন দুই থেকে তিন ঘণ্টা। তারপর পেস্ট করে চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। হালকা শুকিয়ে এলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

* তরমুজের জুস আইস স্কুপ করে মুখে ঘষুণ। এতে রোদে পোড়াভাব দূর হবে সহজেই। ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল মোলায়েম।

* গরমে তৈলাক্ত ত্বক দ্রুত ঘেমে যায় ও ময়লা দ্রুত শুষে নেয়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আপনি শসার রস পরিমাণ মতো, আধা চা-চামচ লেবুর রস, আধা চামচ গোলাপজলে মিশিয়ে লোশনের মতো মুখে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত চার-পাঁচ দিন করলে অভাবনীয় উপকার পাবেন।

* গরমে ব্রণের মাত্রা এড়াতে সপ্তাহে তিন-চারবার চিরতার পানি এবং দুই-তিনটি কাঁচা হলুদ ও আখের গুড় খেতে পারেন। নিমপাতা, হলুদ, চিরতা ও মুলতানি মাটি একসঙ্গে মিলিয়ে পেস্ট বানিয়ে ব্যবহার করলেও উপকার পাবেন।

 

লেখা : তামিম মেহজাবিন


আপনার মন্তব্য