শিরোনাম
প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ২৩:৩০
প্রিন্ট করুন printer

হাতিল কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন এনবিআর চেয়ারম্যান

অনলাইন ডেস্ক

হাতিল কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন এনবিআর চেয়ারম্যান

দেশের স্বনামধন্য শিল্প প্রতিষ্ঠান কলকারখানা ধারাবাহিক পরিদর্শনের অংশ হিসেবে আসবাব খাতের শীর্ষ ব্র্যান্ড হাতিল কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন অভ্যন্তরীন সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। 

গত শনিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল থেকে হাতিল কমপ্লেক্স-এর পাশাপাশি হাতিলের দু'টি কারখানা পরিদর্শন করেন তিনি। সকাল ১০টায় আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম গাজীপুরের জিরানি বাজারস্থ হাতিল কমপ্লেক্সে উপস্থিত হন। এসময় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মত বিনিময় সভায় অংশ নেন। এক ঘণ্টার মতো এই মতবিনিময় সভায় হাতিলের নানামুখি দিক নিয়ে আলোচনা হয়। 

এরপর বেলা ১২ টার দিকে এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম হাতিলের ফার্নিচার ইউনিট কারখানাটি পরিদর্শন করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্লাইউড ইউনিটও পরিদর্শন করেন। আয়োজিত অনুষ্ঠানে হাতিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম তার কর্মব্যস্ত সময় থেকে কিছুটা সময় বের করে হাতিলের কারখানা পরির্দশনে আসার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।

তিনি এসময় এনবিআর চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আর্কষন করে বলেন, ফার্নিচার তৈরির কাঁচামাল যেমন মেসিনারিস কাঠ, লেকার, ফেব্রিক, জয়েনারিস সবকিছুই ইমপোর্ট করতে হয়, কারন দেশে এই শিল্প এখনও গড়ে ওঠেনি। তবে এইসব কাঁচামাল ইমপোর্ট করার সময় ইমপোর্ট ডিউটি বেশি হওয়াতে পণ্যের সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করেও দামের কারনে বৈদেশিক বাজারের সাথে প্রতিযোগিতা করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া হাতিল ভ্যাট প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারের যথাযথ আইন ও বিধি অনুসরন করে ব্যবসা পরিচালনা করে কিন্তু যখন উৎসে মূসক কর্তনকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট পন্য বিক্রয় করে তখন সেই প্রতিষ্ঠান মূসক কর কর্তন করে। এই কারনে মূসক সমন্বয়ের সময় অনেক জটিলতার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি সমাধানের অনুরোধ করেন তিনি। 

হাতিলের কারখানার সার্বিক দিকগুলোর প্রশংসা করে পরিদর্শন শেষে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, হাতিলের কারখানা পরিদর্শনে এসে ভালো লেগেছে। তাদের কার্যক্রম দেখে আমি আশাবাদী খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে হাতিল অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করবে। ভ্যাটের বিষয়গুলি আমি জানতে পারলাম। আমার যা করনীয় সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবো।

প্রসঙ্গত, নিজস্ব ব্রান্ডের আসবাব রপ্তানিতে শীর্ষস্থানে পৌঁছেছে হাতিল। গত কয়েক বছরে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, নেপাল ও ভুটানে ছড়িয়েছে ব্র্যান্ড হাতিল। দেশের অনেক প্রতিষ্ঠানই পণ্য রপ্তানি করে। তবে তাদের বেশির ভাগই ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী তাদের নামে পণ্য উৎপাদন করে থাকে। সেখানে হাতিল পুরোপুরি ভিন্ন। তারা নিজস্ব ব্র্যান্ডের আসবাব উৎপাদন ও রপ্তানি করছে। মানে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর মানুষ বাংলাদেশি ব্র্যান্ড হাতিলের আসবাব কিনছেন। এভাবেই বৈশ্বিক ব্র্যান্ড হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে হাতিল। 

 

বিডী-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর