শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ জুন, ২০২১ ১৯:১১
প্রিন্ট করুন printer

বাবা-মা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার; ধারণা খাবারের সঙ্গে বিষপান করিয়ে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

বাবা-মা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার; ধারণা খাবারের সঙ্গে বিষপান করিয়ে হত্যা
প্রতীকী ছবি
Google News

রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুর এলাকা থেকে হাত-পা বাধা অবস্থায় বাবা-মা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পরিবারের এক মেয়ে মেহজাবিন মুন সবাইকে বিষাক্ত কিছু পান করিয়ে হত্যা করতে পারেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।

শনিবার সকালে কদমতলী মুরাপুরের ২৮ নম্বর রজ্জব আলী সরদার রোডের পাঁচ তলা বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতরা হলেন, মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম (৪০) ও মেয়ে জান্নাতুল (২০)।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে বিষাক্ত কিছু প্রয়োগের আলামত পাওয়া গেছে। আলামতগুলো পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করেছে পুলিশ। মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

এ ঘটনায় সংকটাপন্ন অবস্থায় তার অপর মেয়ে মেহজাবিন মুনের স্বামী শফিকুল ইসলাম ও তাদের শিশু সন্তানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে শফিকুলকে মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে তাদের শিশুসন্তান আশঙ্কামুক্ত রয়েছে, তাকে ঢামেকের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

শফিকুল ইসলাম জানান, তাদের বাসা কদমতলির বাগানবাড়ি এলাকায়। শুক্রবার (১৮ জুন) রাত ৯টার দিকে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি যান। রাতে মেহজাবিন তাদের সবাইকে নুডুলসসহ অনেক কিছু খেতে দেয়। বাসার সবাই খেয়েছে, কিন্তু পরে কি হয়েছে এ বিষয়ে তার কিছুই স্পষ্ট মনে নেই। স্ত্রী মুনের সঙ্গে গত তিন মাস ধরে তার সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিলো না। মুনের সঙ্গে তার বাবা-মায়েরও সম্পর্ক ভালো ছিল না বলে জানান শফিকুল।

কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে এমনটি হতে পারে। মেয়ে মেহজাবিন মুনকে আটক করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাকে এসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) শাহ ইফতেখার আহমেদ জানান, ধারণা করা হচ্ছে মেহজাবিন মুন পরিবারের সবাইকে খাবারের সঙ্গে বিষপান করিয়ে হত্যা করেছেন। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর