শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২৩:২৫

রংপুর মেডিকেলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় হপার

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

রংপুর মেডিকেলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় হপার

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাজে লাগানো হচ্ছে গণপূর্ত প্রকৌশলীদের উদ্ভাবিত হপার যন্ত্র। পরীক্ষামূলক বাস্তবায়নে ভালো ফল পাওয়ায় হাসপাতালে স্থায়ীভাবে এ প্রযুক্তি স্থাপন করতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে গড়ে প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার রোগী ভর্তি থাকেন। প্রায় এক টন চিকিৎসা বর্জ্য জমে হাসপাতালে।

সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় হাসপাতাল চত্বর ও গণশৌচাগারগুলো ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা বর্জ্য খোলা স্থানে রাখেন। এতে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। বর্ষার সময় আবর্জনা গোটা হাসপাতাল চত্বরে ছড়িয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে চালকলে ব্যবহূত হপার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আশার আলো দেখাচ্ছে।

বর্তমানে সিসিইউ, চক্ষু, গাইনি, সার্জারি, ইএনটি, লেবার ওয়ার্ড, সাধারণ সার্জারি, নিউরো সার্জারি এবং পথ্য ওয়ার্ডসহ ১২টিতে পরীক্ষামূলক এ হপার স্থাপন        করা হয়েছে। হপারের সঙ্গে যুক্ত আছে ১২ ইঞ্চি ব্যাসের পিভিসি পাইপ। হপারে বর্জ্য ফেললে পাইপ দিয়ে নিচে পড়ে যায়। সেখান থেকে শেডে ফেলেন পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার বেলাল হোসেন বলেন, বর্জ্য অপসারণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকে না। আগে প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে তিন শিফটে ব্যস্ত থাকতে হতো। এখন তার প্রয়োজন হচ্ছে না। হপার পদ্ধতির প্রথম ধারণা দেন গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলীরা। তারা বলেন, বর্জ্য অপসারণে হপার পদ্ধতির সুবিধা পেতে হলে হপারে যুক্ত পাইপ রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে।

 হপার পদ্ধতি ভালোভাবে কাজ করলে পুরো হাসপাতাল এর আওতায় আনা হবে বলে জানিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অজয় কুমার রায় বলেন, বর্জ্য রাখার শেড নির্মাণ করা হয়েছে। ইনসিনারেটরও নির্মাণ করা হয়েছে। এটি চালু হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অনেক উন্নত হবে। গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৗশলী সাকিউল আলম বলেন, হপার পদ্ধতি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রথম ব্যবহূত হচ্ছে। সফলতা পাওয়া গেলে সব ওয়ার্ডে এটি চালু করা হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর