শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ এপ্রিল, ২০১৯ ২৩:০৪

টার্গেট নারী ও প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরা

মুহাম্মদ সেলিম, চট্টগ্রাম

টার্গেট নারী ও প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরা

সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি ও নারীদের টাগের্ট করে মাঠে সক্রিয় সাইবার অপরাধ চক্র। প্রথমে তারা বিভিন্ন নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। তারপর প্রেমের দাবি নিয়ে ম্যাসেঞ্জারে পাঠাতে বলে নগ্ন ছবি ও ভিডিও। টাগের্টের ছবি এবং ভিডিও হাতে পাওয়ার পর উম্মোচন হয় কথিত প্রেমিকের আসল চরিত্র। নগ্ন ছবি ও ভিডিও প্রকাশের হুমকি দিয়ে আদায় করা হয় টাকা। চট্টগ্রামে অসংখ্য নারী ও বিত্তশালী সাইবার ক্রাইমের শিকার হলেও মান-সম্মানের ভয়ে নব্বই শতাংশ অপরাধের বিষয়ে আইনের আশ্রয় নেয় না ভুক্তভোগীরা।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, ‘সিএমপি’তে সাইবার অপরাধ নিয়ে যত অভিযোগ জমা পড়ে তার মধ্যে বেশির ভাগ ঘটনার শিকার হন নারী ও সমাজে অবস্থা সম্পন্ন ব্যক্তি। সাইবার অপরাধীরা টাগের্টকে সুপরিকল্পিতভাবে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায় করতেই ফাঁদ পাতে। অনেকে তাদের ফাঁদে পা দিয়ে প্রতারণার শিকার হন।’

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, প্রতিনিয়ত সাইবার অপরাধের শিকার হয়ে প্রশাসনের কাছে প্রতিকার পেতে আসছে লোকজন। ভুক্তভোগীরা প্রতিকার চাইলেও সিংহভাগ পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে রাজি হন না। 

আইনি সহায়তা পেতে আসা ভুক্তভোগীদের প্রায় সবাই  ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, স্কাইপিতে ভুয়া আইডি খুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন  পোর্টাল, ব্লগে মিথ্যা মানহানিকর তথ্য প্রচার করে ভুক্তভোগীদের সম্মানহানি করছে। এছাড়া ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমু, বুটিম, উইচ্যাটসহ বিভিন্ন অ্যাপসে অশ্লীল ছবি, ভিডিও ও ম্যাসেজ পাঠিয়ে উত্ত্যক্ত করছে সাইবার অপরাধীরা। সিএমপি’র বিভিন্ন ইউনিটে আইনি সহায়তা নিতে আসা ভুক্তভোগীদের ৮০ শতাংশই    হচ্ছে নারী। যাদের বেশির ভাগেরই বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। সিএমপির কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ‘প্রায় ভুয়া আইডি খুলে মানহানিকর প্রচারণা এবং অশ্লীল ছবি পাঠিয়ে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ পাই। কিন্তু ভুক্তভোগীরা মোখিক অভিযোগ করলেও কেউ লিখিতভাবে তা জানাতে চায় না।

 তাই এ ক্ষেত্রে পুলিশের কিছুই করার থাকে না।’

 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর