শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ২৩:৪২

একান্ত সাক্ষাৎকারে ময়মনসিংহের মেয়র

আগামী দিনগুলো চ্যালেঞ্জিং

সৈয়দ নোমান, ময়মনসিংহ

আগামী দিনগুলো চ্যালেঞ্জিং

২২ বর্গমিটার থেকে ৯১ দশমিক ৩১ বর্গমিটার। ২১টি ওয়ার্ড থেকে ৩৩টি ওয়ার্ড। জনসংখ্যাও বেড়ে দাঁড়িয়েছে পৌনে পাঁচ লাখের কাছাকাছি। মোট ভোটার ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৩৬। এটি দেশের দ্বাদশ সিটি করপোরেশন ময়মনসিংহের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি।

তবে বদলায়নি নগরপিতা। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ৫ মের পর নয়া সিটির নতুন করে দায়িত্ব নেবেন টানা সাড়ে ৯ বছর ময়মনসিংহ পৌরসভার দায়িত্বে থাকা ইকরামুল হক টিটু। মেয়র পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ভোটের আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি নির্বাচিত হয়েছেন।

তাই নবনির্বাচিত এই নগরপিতাকে ঘিরে নগরবাসীর প্রত্যাশা অনেক। এ কারণে আগামী দিনগুলোও অনেক  বেশি চ্যালেঞ্জিং বলে মনে করছেন টিটু। এসব চ্যালেঞ্জ  মোকাবিলা করে নগরবাসীর আশা-আকাক্সক্ষা কতটা তিনি পূরণ করতে পারবেন তা নিয়ে কথা হয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে।

দায়িত্ব নেওয়ার পরই নতুন করে অন্তর্ভুক্ত ১২টি ওয়ার্ডের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব থাকবে জানিয়ে টিটু বলেন, ‘২টি সম্পূর্ণ এবং ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন অংশ সিটিতে যুক্ত হয়েছে। সেসব এলাকা এখনো অনুন্নত। নগরীর সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই আমি সেসব এলাকায় নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দিতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী গ্রামকে শহরে রূপান্তর করতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘গুরুত্ব দিতে চাই অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থার ওপর। গোটা নগরীকে ফায়ার সেফটির মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে ধরনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন সেটিও সর্ব্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে নগর ভবন।’ মেয়র টিটু এর পরই গুরুত্ব দিতে চান তথ্যপ্রযুক্তির ওপর। বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে গোটা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে ই-ট্রাফিকিং সিস্টেমে নিয়ে আসার পরিকল্পনা আছে। নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে নগর ভবনের সব কর্মকা  ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা হবে।’  নগর ভবনের অভ্যন্তরে বিভিন্ন খাতে দুর্নীতি ও অনিয়মে থাকবে জিরো টলারেন্স জানিয়ে তরুণ এই মেয়র বলেন,  কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী নানাবিধ দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে যুক্ত হলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

প্রতিটি সেক্টরেই দক্ষ ব্যবস্থাপনা চালুর মাধ্যমে নগর ভবনের দুর্নীতি রোধ করার চ্যালেঞ্জও নিয়েছি। নাগরিক অধিকার, সুবিধা ও সম্মান-মর্যাদা নিয়ে নগরীতে বসবাস করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টিটু আরও বলেন, ‘সবার সহায়তা পেলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, জলাবদ্ধতা নিরসন,  ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিচ্ছন্ন সড়ক, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়নসহ একটি মডেল নগরী গড়ে তুলতে চাই। প্রতিটি পরিবারকে মাদকের ছোবল থেকে দূরে রাখতে চাই। মানসিকতা আছে, কাউন্সিলরদের সঙ্গে নিয়মিত  বৈঠক করে প্রতিটি নাগরিকের সমস্যা নিয়ে কাজ করার। এ ছাড়াও ফেসবুকেও একটি গ্রুপ খোলা থাকবে, যেখান থেকে নাগরিকদের বিভিন্ন পরামর্শ নেওয়া হবে। সমস্যার কথা লিখলেও নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ’।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর