Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ জুন, ২০১৯ ২৩:০৯

জুনেই রূপসার ওয়াটার প্লান্ট থেকে সুপেয় পানি সরবরাহ

প্রতিদিন গড় উৎপাদন হবে ১১ কোটি লিটার

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

জুনেই রূপসার ওয়াটার প্লান্ট থেকে সুপেয় পানি সরবরাহ

অবশেষে বাস্তবায়ন হতে চলেছে খুলনার বহুল প্রতীক্ষিত সুপেয় পানি সরবরাহ প্রকল্প। ইতিমধ্যে মধুমতি থেকে ৩৩ কিলোমিটার পাইপলাইনে পানি আনা হয়েছে রূপসার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টে (শোধনাগার)। এখানে পানি পরিশোধনের পর জুনের শেষের দিকে তা পরীক্ষামূলকভাবে খুলনা শহরে সরবরাহ করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে সুপেয় পানি পাবেন মহানগরীর ১৫ লাখ মানুষ। প্রতিদিন গড়ে ১১ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা যাবে। প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনা ওয়াসা এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও ওয়াসাসূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য। জানা যায়, খুলনা মহানগরীতে সুপেয় পানির সংকট দীর্ঘদিনের। এ সংকট নিরসনে সুপেয় পানির চাহিদা মেটাতে ২০১৩ সালে মেগা প্রকল্প হাতে নেয় ওয়াসা। প্রকল্পের আওতায় শহরে ৬৫০ কিলোমিটার পাইপলাইন বসানো হয়েছে। নির্মাণ করা    হয়েছে রিজার্ভার ও ওভারহেড ট্যাংক। বর্তমানে রূপসায় ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টে পাইপলাইনে আনা মধুমতি নদীর পানি বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরিশোধন করা হচ্ছে। এ শোধনাগার থেকে রূপসা নদীর তলদেশ হয়ে খুলনা শহরের ৭টি রিজার্ভারে পানি সরবরাহ করা হবে। ওয়াসার পানি সরবরাহ প্রকল্পের ব্যবস্থাপক খান সেলিম আহম্মেদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, এখন রূপসার ট্রিটমেন্ট প্লান্টে পানি পরিশোধন, শহরের কিছু জায়গায় চেম্বার স্থাপন ও পাইপ সংযুক্তকরণের কাজ চলছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে প্রতিদিন গড়ে ১১ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা যাবে।

ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল্লাহ জানান, ট্রিটমেন্ট প্লান্টে কয়েক স্তরে ফিল্টারের মাধ্যমে নদীর পানি পরিশোধন করা হচ্ছে। পরে রিজার্ভার থেকে ৪টি পাম্পের সাহায্যে মানসম্পন্ন পানি খুলনা শহরে সরবরাহ করা হবে। ট্রিটমেন্ট প্লান্ট থেকে রূপসা নদীর তলদেশ হয়ে খুলনা শহরের ৭টি রিজার্ভার পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার পাইপলাইন বসানো হয়েছে। এ ছাড়া নগরীতে ৬৫০ কিলোমিটার পাইপলাইন বসানো হয়; যার মাধ্যমে গ্রাহককে সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রকল্পের বিভিন্ন প্যাকেজে গড়ে ৯৮ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। জুনের শেষ দিকে ৩০ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার, বানিয়াখামার, লবণচরা জোনে পানি সরবরাহ করা হবে। পরে পর্যায়ক্রমে শহরের সব জায়গায় পাইপলাইনে পানি দেওয়া হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর