শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১৬ জুন, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ জুন, ২০১৯ ০১:২৪

পুলিশভ্যানে ককটেল হামলার রহস্য উদ্ঘাটনের কাছাকাছি

-------- ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক

অনেক অপরাধের রহস্য আমরা উদঘাটন করি। এজন্য আমাদের কাছে কিন্তু কোনো মন্ত্র নেই। রাজধানীতে আমরা হাজার হাজার সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়েছি। কোনো ঘটনা ঘটলেই সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ নিয়ে আসা হয়। এর মাধ্যমে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধের রহস্য উদঘাটন করা হয়। এই সিসিটিভি ক্যামেরার সাহায্যে আমরা মালিবাগে পুলিশভ্যানে ককটেল হামলার ঘটনার রহস্য উদঘাটনের কাছাকাছি চলে এসেছি।

গতকাল ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ‘নাগরিক তথ্য সংগ্রহ সপ্তাহ ২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। ১৫ জুন থেকে শুরু হয়ে নাগরিক তথ্য সংগ্রহ সপ্তাহ চলবে ২১ জুন পর্যন্ত। ডিএমপির ৫০টি থানার ৩০২টি বিট থেকে একযোগে সংগৃহীত হবে নাগরিক তথ্য সংগ্রহ ও হালনাগাদ কার্যক্রম। গতকাল রাজধানীর উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরে উবারচালক মো. আরমান হত্যা প্রসঙ্গে ডিএমপি প্রধান বলেন, উত্তরায় উবারচালক খুন হয়েছে, এটি আমাদের মাথায় আছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ওই এলাকায় ব্যাপকভাবে সিসিটিভি ক্যামেরা ইনস্টল করা হয়েছে। আমরা প্রযুক্তি ব্যবহার ও সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করে আশা করি উবারচালকের হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে পারব। কারা উবারচালককে হত্যা করেছে তাও বের করা সম্ভব হবে। ডিএমপি কমিশনার বলেন, সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (সিআইএমএস) মাধ্যমে ভাড়াটেদের তথ্য সংগ্রহ করার কারণে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে পুলিশ ও নাগরিকদের মধ্যে কিছুটা ঢিলেঢালা ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঢিলেঢালা ভাবের কারণে অপরাধীরা আবার চেষ্টা করছে নগরীতে আস্তানা গাড়তে। এজন্য এটা আবার শুরু করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত শহরে নাগরিকদের তথ্য ডাটাবেস সংগ্রহ করা হয় নাগরিকদের নিরাপত্তা সুদৃঢ় করার জন্য, কোনো অপরাধ প্রতিকার, প্রতিরোধ এবং উদঘাটনের জন্য। দেরিতে হলেও আমরা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ২০১৬ সাল থেকে অফিশিয়ালি নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করছি।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর