শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ জানুয়ারি, ২০২০ ০১:৪০

কীটনাশক মনিটরিং করতে স্বাধীন কমিশন কেন নয়

হাই কোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি করে এমন কীটনাশক মনিটরিং করতে একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাই কোর্ট। একই সঙ্গে গ্লাইফোসেট সমৃদ্ধ কীটনাশকের লাইসেন্স প্রদান এবং তার নবায়ন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)সহ ৭টি বেসরকারি পরিবেশবাদী সংস্থার করা এ সংক্রান্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম. এনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে। আগামী আট সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে গ্লাইফোসেট সমৃদ্ধ সব কীটনাশকের ক্ষতিকারক প্রভাবের বিষয়ে প্রচারণার মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি করতে এবং গ্লাইফোসেট সমৃদ্ধ কীটনাশকের ব্যবহার থেকে সরে আসার বিষয়ে ৯০ দিনের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট। আদালতে বেলার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল তৌফিক সাজোয়ার।

শুনানিতে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ক্যান্সার গবেষণা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএআরসির একটি প্রকাশনাতে ‘গ্লাইফোসেট’ উপাদানটিকে মানুষের জন্য সম্ভাব্য ক্যান্সার সৃষ্টিকারী আখ্যা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সানফ্রানসিসকো ও ক্যালিফোর্নিয়ার তিনটি আদালত গ্লাইফোসেট সমৃদ্ধ রাউন্ডআপ ব্যবহারে ক্যান্সার আক্রান্ত ব্যক্তিবর্গকে প্রচুর পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দেয় এবং ইতিমধ্যে আইএআরসির প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে ভারতের পাঞ্জাব ও কেরালা, বাহরাইন, অস্ট্রিয়া, জার্মানি, ডেনমার্ক ও ফ্রান্সসহ বেশকিছু দেশ গ্লাইফোসেট নিষিদ্ধ অথবা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিষিদ্ধ করতে এবং নিরাপদ বিকল্প প্রবর্তনে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তিনি আরও বলেন, উন্নত বিশ্ব গ্লাইফোসেট থেকে সরে আসার উদ্যোগ গ্রহণ করলেও বাংলাদেশে অন্তত ৭৯ ধরনের প্রচলিত কীটনাশকে গ্লাইফোসেটের উপস্থিতি রয়েছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর