শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:১০

উন্নয়নকাজে ধীরগতিতে জনদুর্ভোগ ভোগান্তিতে খুলনা নগরবাসী

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

উন্নয়নকাজে ধীরগতিতে জনদুর্ভোগ ভোগান্তিতে খুলনা নগরবাসী
খুলনার কেডিএ এভিনিউতে ড্রেনের জন্য বিশাল গর্ত করে ফেলে রাখা হয়েছে দিনের পর দিন। এতে নগরবাসীর ভোগান্তি বেড়েছে -বাংলাদেশ প্রতিদিন

গতকাল বেলা সাড়ে ১১টা। খুলনা মহানগরীর ব্যস্ততম কেডিএ এভিনিউ সড়ক। যান চলাচল বন্ধ। সড়কের একপাশে চলছে পানি নিষ্কাশনের ড্রেন তৈরির কাজ। ড্রেনের গর্ত করা মাটি-কাদা স্তূপ করে রাখা হয়েছে সড়কে। তার পাশেই চলছে ইট ভাঙা, রড কাটার কাজ। সড়কের অন্য পাশে বড় স্কেভেটর মেশিন দিয়ে জড়ো করা গৃহস্থালির ময়লা-আবর্জনা ট্রাকে তোলা হচ্ছে। এরই মাঝে ড্রেনের সাইড-ওয়াল ভেঙে বসানো হচ্ছে ওয়াসার পানি সরবরাহ লাইনের পাইপ। দিনের পর দিন এ ধরনের দৃশ্য দেখে হতাশ হয়ে পড়েছেন নগরবাসী। জানা যায়, মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে মিউনিসিপ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের (এমডিএফ) আওতায় কেডিএ এভিনিউ ও আবু আহমেদ সড়কের ড্রেন ও ফুটপাথ সংস্কার কাজের ধীরগতিতে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ১৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি বছরের ৩১ মার্চ। কিন্তু এখন পর্যন্ত ড্রেনের মাটি খনন কাজই শেষ হয়নি অনেক স্থানে। ড্রেনের সাইড-ওয়াল ও ফুটপাথ নির্মাণ কাজও বাকি রয়েছে। নগরীর শেখপাড়ার বাসিন্দা কামরুল ইসলাম বলেন, অপরিকল্পিতভাবে স্কেভেটর দিয়ে ড্রেনে গর্ত করার সময় গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর বিদ্যুতের ১১ হাজার ভোল্টের      পাঁচটি ও টেলিফোন লাইনের দুটি খুঁটি হেলে পড়ে। মেশিন দিয়ে ড্রেন কাটতে গিয়ে অনেক বাড়ির সীমানা-দেয়াল হেলে পড়েছে বা ধসে গেছে। অনেক ভবন এখন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, শেখপাড়া খলিল চেম্বারের মোড় থেকে হোটেল কদর পর্যন্ত এলাকায় ড্রেনের জন্য বিশাল গর্ত করে ফেলে রাখা হয়েছে দিনের পর দিন। ড্রেনের নোংরা কাদাপানিতে সয়লাব চারপাশ। সড়কের পাশে বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য এখানে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে এসব সাঁকোর ওপর দিয়ে চলছে মানুষ।

খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক বলেন, ‘উন্নয়নের জন্য কিছুটা ভোগান্তি সহ্য করতে হবে। তবে জলাবদ্ধতা দূর করতে ড্রেন প্রশস্তকরণের কাজ যে ঠিকাদার করছেন তাঁকে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে রাতের বেলায় আলো জ্বালিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর