শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৯ জুন, ২০২০ ২৩:৩০

করোনাভাইরাস

রংপুর সিটিতে নমুনা পরীক্ষা বৃদ্ধি করা হলে বাড়বে ১০ গুণ রোগী

১২ লাখ মানুষের মধ্যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে সাড়ে ৪ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

রংপুর সিটিতে নমুনা পরীক্ষা বৃদ্ধি করা হলে বাড়বে ১০ গুণ রোগী

রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকার ৩৩টি ওয়ার্ডে ১২ লাখ মানুষের বিপরীতে এখন পর্যন্ত সাড়ে চার হাজার মানুষ করোনা পরীক্ষা করাতে পেরেছে।  নগরীর কোনো মার্কেট, শপিংমলে সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না, নেই কোনো সংক্রমণ প্রতিরোধের ব্যবস্থা। নগরীর অধিকাংশ এলাকায় মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। জেলায় আক্রান্ত ৯৩৪ জনের মধ্যে  প্রায় ৭০০ জনই সিটি করপোরেশন এলাকার। পিসিআর মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হলে এর সংখ্যা দশগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কার কথা জানান খোদ স্বাস্থ্য বিভাগ। ভয়াবহ পরিণতির দিকে যাচ্ছে  সিটি করপোরেশনের বাসিন্দারা। সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান তাজ জানান, নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশি করোনা পজেটিভ রোগী রয়েছে যাদের সংখ্যা ১৩৫ জন। এ ছাড়া ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৫৩ জন, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৪৯ জন, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৩২ জন, ২০ নম্বর ওয়ার্ডে ২৬ জন, ২১ নম্বর ওয়ার্ডে ৫৬ জন, এবং ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৪ জন। তবে নগরীর আটটি ওয়ার্ডে আক্রান্ত রোগী নেই, আবার ৯টি ওয়ার্ডে আক্রান্তের সংখ্যা এক থেকে তিনজন। এসব ওয়ার্ডে নমুনা পরীক্ষার কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এদিকে জেলা প্রশাসন ও সিটি করপোরেশন কয়েকদফা সভা করে নগরীর কয়েকটি ওয়ার্ডকে রেড জোনের আওতায় এনে প্রস্তাবনা তৈরি করলেও এখন পর্যন্ত লকডাউনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন ও সিটি করপোরেশন পরস্পর বিরোধী কথা বলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেছেন সিটি করপোরেশন এলাকায় লকডাউন কার্যকর করার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের। অন্যদিকে সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেছেন প্রশাসনকে কঠোরভাবে লকডাউন কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। সব ধরনের সহায়তা করবে সিটি করপোরেশন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের একজন কর্মকর্তা জানান, রংপুর বিভাগের আট জেলায় করোনা সংক্রমণের নমুনা পরীক্ষার জন্য মাত্র দুটি পিসিআর ল্যাব আছে। এর একটি দিনাজপুরে। সেখানে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও নীলফামারী জেলার অধিবাসীদের করোনা নমুনা পরীক্ষা হয়। অন্যদিকে রংপুর সিটি করপোরেশনসহ পুরো জেলা, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার অধিবাসীদের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।  বিভাগের প্রায় দেড় কোটি মানুষের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে এই দুটি ল্যাব দিয়ে। প্রতিদিন দুটি পিসিআর ল্যাবের ক্ষমতা ১৮৮টি করে। ফলে প্রতিদিন শত শত মানুষ নমুনা পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন দফকরে ধর্ণা দিয়েও পরীক্ষা করাতে পারছেন না।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর