শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:০২

ঢাকা ট্যাক্সেস বার নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ

নির্ধারিত সময়ে প্রকাশ হয়নি ভোটার তালিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

আয়কর সংক্রান্ত আইনজীবীদের সংগঠন ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের এবারের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সংগঠনের আইনে নির্বাচনের একমাস আগে ভোটার তালিকা প্রকাশ করার নিয়ম থাকলেও গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ না করা এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র না দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। আগামী ২২ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচন উপলক্ষে গঠিত নির্বাচন কমিশন ও বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ। সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এসব অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে ওই নির্বাচনের জন্য গঠিত কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট মো. হুমায়ুন কবির এবং সদস্য সচিব ও বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুফী মোহাম্মদ আল মামুনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। এমনকি ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে কল করলেও তারা ধরেননি। জানা গেছে, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি সংগঠনের বার্ষিক সাধারণসভা এবং ২২ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ। এ উপলক্ষে গত ৫ জানুয়ারি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও এবারের নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সুফী মোহাম্মদ আল মামুনের স্বাক্ষরে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুযায়ী ৭ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন, ৮ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাই ও খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, ১০ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ও চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ এবং ২২ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত ২১ জানুয়ারি ভোটার তালিকা টাঙ্গানোর কথা থাকলেও বৃহস্পতিবার সরেজমিনে জাতীয় রাজস্ব ভবনের নিচতলায় সংগঠনের কার্যালয়ে কোনো ভোটার তালিকা পাওয়া যায়নি। সংগঠনের প্রায় ১০ হাজার নিয়মিত সদস্য থাকলেও কারা ভোটার হতে পারলেন তা জানতে গতকালও সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা সংগঠনের কার্যালয়ে ভিড় করেন। কিন্তু ভোটার তালিকা না পেয়ে গণমাধ্যমের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে। সংগঠনের দাফতরিক কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বছর ভোটার ছিলেন ৭১০৩ জন আইনজীবী। কিন্তু এবার কত ভোটার তা জানা যায়নি।

এ বিষয়ে এবার নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক ও সাবেক সহসভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. ফিরোজ আলম বলেন, সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ভোটগ্রহণের ৩০ দিন আগে ভোটার তালিকা টাঙ্গাতে হবে। কিন্তু এবার তা করা হয়নি। বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সদস্য সচিবের কাছে ভোটার তালিকা চাইলেও তারা তা দিতে পারেননি।

আওয়ামী কর আইনজীবী লীগের এ সহসভাপতি বলেন, একটি গ্রুপ রাতের অন্ধকারে কমিটি গঠনের পাঁয়তারা করছে। যাকে সহযোগিতা করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সদস্য সচিব। গত বছরও ঠিক একই প্রক্রিয়ায় কমিটি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এবারের জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরামের প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হতে ইচ্ছুক অ্যাডভোকেট মো. আবু নাছের মজুমদার মেজবাহ বলেন, এখন পর্যন্ত কাউকে মনোনয়নপত্র দেওয়া হয়নি। আমরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক। ভোটাররা যাকে ভোট দেবে তিনিই নির্বাচিত হবেন। কিন্তু নির্বাচনই হতে দিচ্ছে না। একটি মহল রাতে অন্ধকারে কমিটি দেওয়ার চেষ্টা করছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর