শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০৪

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন

নতুন মেয়রের প্রথম অ্যাকশন মশার বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

নগরবাসীকে মশার উপদ্রব থেকে বাঁচাতে চলে মশক নিধন কর্মসূচি। ছিটানো হয় মশার ওষুধ। চলে নালা, নর্দমা ও ড্রেন পরিষ্কার অভিযান। ব্যয় হয় বড় অঙ্কের টাকা। কিন্তু এসব কার্যক্রমের কোনো সুফল মেলে না। মশার উপদ্রবে বাড়ে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশা। মশার অত্যাচারে অতিষ্ঠই থাকে নগরবাসী। কেবল রাত নয়, দিনের বেলায়ও সহ্য করতে হয় মশার অত্যাচার। তবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নবনির্বাচিত মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী দায়িত্ব গ্রহণের তিন দিনের মাথায় প্রথম অ্যাকশন প্ল্যানটি নিয়েছেন মশার বিরুদ্ধে। জানা যায়, গতকাল তৃতীয় দিন অফিস করেন নতুন মেয়র। গতকালই তিনি পরিচ্ছন্ন বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ বিভাগের কাছে প্রশ্ন ছিল- ওষুধ ছিটালেও মশা মরে না কেন? তবে এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে চসিকের দুই সদস্যের একটি টিম। তাছাড়া আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে মশক নিধনে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য চসিকের প্রথম সাধারণ সভার শীর্ষ আলোচ্য বিষয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম নিয়ে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে নেওয়া হয়েছে ১০০ দিনের প্ল্যান। নতুন মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, আমার প্রথম লক্ষ্য পরিচ্ছন্ন নগর ও মশার উপদ্রব থেকে মানুষকে রক্ষা করা। এ লক্ষ্যে আমি পরিচ্ছন্ন বিভাগকে নিয়ে ১০০ দিনের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। শনিবার থেকে শুরু হবে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম।’

তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামে ব্যবহারকৃত ওষুধ ছিটানো হয়, কিন্তু মশা মরে না বলে অভিযোগ। কেন আশানুরূপ কাজ করছে না, বিষয়টি নিয়ে আমরা চিন্তিত। এ বিষয়টি জানতে ঢাকায় টিম পাঠানো হচ্ছে। ঢাকা যে ওষুধটি ব্যবহার করছে, ওইটির সঙ্গে চট্টগ্রামেরটির কোনো পার্থক্য আছে কিনা সেটা তদারকি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ নেওয়া হবে।’

চসিকের উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, মশক নিধনে ঢাকা সিটি করপোরেশন ও চসিক যে ওষুধ ব্যবহার তা পর্যবেক্ষণ করতে দুই সদস্যের একটি টিম আগামী সপ্তাহে ঢাকা যাবে। তারা পর্যবেক্ষণ করে ব্যবহৃত ওষুধের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নেবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর