শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ এপ্রিল, ২০২১ ২২:৪৩

হাওরে বোরো ধানের দোলা

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

হাওরে বোরো ধানের দোলা
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল হাইল হাওরে এখন দোল খাচ্ছে কাঁচাপাকা ধান -বাংলাদেশ প্রতিদিন
Google News

মাঠের পর মাঠে বোরো ধান। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল হাইল হাওরে এখন দোল খাচ্ছে কাঁচা- পাকা ধান। হাওরের বিস্তীর্ণ প্লাবন ভূমিতে এখন সবুজের সমারোহ। বর্ষা মৌসুমে এই হাওর থাকে পানিতে টইটুম্বুর। শুকনো মৌসুমে করা হয় বোরো চাষ। এটিই আবহমান বাংলার হাওর অঞ্চলের চিরচেনা রূপ। বছরে এই একটি ফসলকে ঘিরেই হাওর এলাকার মানুষের যত স্বপ্ন। বোরো ধান গোলায় উঠবে, দূর হবে তাদের শত দুঃখ কষ্ট। কৃষকরা তাদের সারা বছরের আহার গোলায় রেখে উদ্বৃত্ত ধান বিক্রি করে সরকারের খাদ্য ভা ারের জোগান দিয়ে থাকেন।  উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, এ বছর উপজেলায় আশিদ্রোন, কালাপুর, মির্জাপুর ও শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নে হাওর এলাকায় ৯ হাজার ৬৫২ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯ হাজার ৩৮১ হেক্টর। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৩৫ হাজার ৭১৩ মে.টন ধান। কৃষকদের সরকারি প্রণোদনায় দেওয়া হয়েছে হাইব্রিড টিয়া, ময়না, রুপালী, হীরা ও এসএলএইট-৮ জাতের বীজ। আর প্রদশর্নী প্লট দেওয়া হয়েছে বি ধান ২৮, ২৯, ৪৮, ৬৫, ৬৭, ৬৮, ৮৮, ৮৯, ও ৯২।  সরজমিনে হাওরে গিয়ে দেখা যায়, কৃষকরা অধীর আগ্রহে দিন গুনছেন ধান কেটে গোলায় তোলার জন্য। মাঠের কিছু কিছু অংশে আগাম জাতের ধান পাকতে শুরু করেছে। দুই তিন দিনের মধ্যে কাটার উপযোগী হয়ে যাবে। উপজেলার মীননগড় গ্রামের কৃষক জুবের মিয়া জানান, তিনি এবার ৩০ শতক জমিতে হাইব্রিড টিয়া জাতের বোরো ধান চাষ করেছেন। ফলন খুব ভালো হয়েছে। একই গ্রামের  রাফু মিয়া জানান, বোরো ধানের ফলন দেখে তিনি সন্তুষ্ট। এক দুই দিনের মধ্য তিনি কেটে ফেলবেন।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন মোনালিয়া সুইটি বলেন, ৫/৭ হেক্টর জমিতে ধানের ক্ষতি হতে পারে। এছাড়া এ উপজেলায় বোরো আবাদ খুব ভালো হয়েছে। কিছু কিছু জমিতে ধান কাটা শুরু হয়ে গেছে। যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ না আসে তাহলে কৃষকরা ভালো ফসল ঘরে তুলতে পারবে।

এই বিভাগের আরও খবর