শনিবার, ৭ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা

তিস্তার ভাঙনে বিলীন বেড়িবাঁধ আবাদি জমি, বসতভিটা

হুমকির মুখে প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ মাদরাসা ঈদগাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

তিস্তার ভাঙনে বিলীন বেড়িবাঁধ আবাদি জমি, বসতভিটা

রংপুরে গঙ্গাচড়া উপজেলার বিনবিনা এলাকায় তিস্তা নদীর ভাঙন -বাংলাদেশ প্রতিদিন

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তা নদীর ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। গত ১০ দিনে কমপক্ষে অর্ধশত মানুষের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। কোলকোন্দ ইউনিয়নের উপপূর্ব বিনবিনা মোড় থেকে বেড়িবাঁধে যাওয়ার রাস্তাসহ বাঁধ ভেঙে আবাদি জমি নদীতে তলিয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে বিনবিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ-মাদরাসাসহ একটি ঈদগাহ। ভাঙনের শিকার ৮০ বছরের তোফাজ্জল হোসেন জানান, ঈদের আগের দিন তার ভিটা নদীতে বিলীন হয়েছে। পাশর্^বর্তী মইষামুড়ি এলাকায় খাস জমিতেও ঠাঁই মেলেনি। অন্যের বাড়ির বারান্দায় পরিবার-পরিজন নিয়ে কোনোরকমে আছেন তিনি। পূর্ব বিনবিনা এলাকার খলিল মিয়া, আনিছার মুন্সিসহ অনেকে জানান, ভাঙনের পাশাপাশি বিনবিনা ও মইষামুড়ি এলাকায় বন্যার পানি ঢুকে আবাদি জমিগুলো তলিয়ে গেছে। ঈদের কয়েকদিন আগে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পেয়ে এলাকায় কয়েক দফা বন্যা দেখা দেয়। পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে শুরু হয় তিস্তার ভাঙন। অব্যাহত ভাঙনে বিনবিনা পাকা রাস্তায় সংযুক্ত স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধটি অস্তিত্ব হারিয়েছে নদীতে। গত ১০ দিনে কমপক্ষে অর্ধশত পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে চলে গেছে। কোলকোন্দ ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব আলী রাজু বলেন, এমনিতে করোনাকালে নিম্নআয়ের মানুষ ভালো নেই। তার ওপর তিস্তার বন্যা-ভাঙনে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন বিনবিনা চরের বাসিন্দারা। ভাঙনের শিকার মানুষকে সহায়তাসহ দ্রুত ভাঙনরোধের দাবি জানান তিনি।