শিরোনাম
প্রকাশ : ৮ মে, ২০২১ ০৮:৩৯
প্রিন্ট করুন printer

অক্সিজেন চেয়ে মোদিকে চিঠি দিলেন মমতা

অনলাইন ডেস্ক

অক্সিজেন চেয়ে মোদিকে চিঠি দিলেন মমতা
ফাইল ছবি
Google News

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি অক্সিজেন চেয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে চিঠি দিয়েছেন। শুক্রবার (৭ মে) এই চিঠি পাঠানো হয়। এতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রাজ্যের জন্য মেডিক্যাল অক্সিজেন সরবরাহ বাড়াতে আবেদন জানান।

পাশাপাশি তিনি এটাও বলেছেন যে, কেন্দ্র বর্ধিত প্রয়োজনীয়তা সত্ত্বেও বাংলায় মোট উৎপাদনের বাহিরে অন্যান্য রাজ্যের জন্য অক্সিজেন বরাদ্দ বাড়িয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে রাজ্যের জন্য মেডিক্যাল অক্সিজেন কমপক্ষে ৫৫০ মেগাটন তাৎক্ষণিকভাবে বরাদ্দের নির্দেশনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ভারতের বর্তমান করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে তিনি এই অনুরোধ জানিয়েছেন।

এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩০৮ মেগাটন অক্সিজেন নির্ধারণ করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অথচ রাজ্যে দৈনিক অক্সিজেন প্রয়োজন ৫৫০ মেগাটন।

চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেছেন যে, অনুরোধকৃত পরিমাণের চেয়ে কম যেকোনো বরাদ্দ সরবরাহ করা হলে তা কেবল বিরূপ প্রভাব ফেলবে তা নয়, বরং এর ফলে রোগীদের প্রাণহানিও হতে পারে। সূত্র: এএনআই।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর

অক্সিজেন চেয়ে মোদিকে চিঠি দিলেন মমতা

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি অক্সিজেন চেয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে চিঠি দিয়েছেন। শুক্রবার (৭ মে) এই চিঠি পাঠানো হয়। এতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রাজ্যের জন্য মেডিক্যাল অক্সিজেন সরবরাহ বাড়াতে আবেদন জানান।

পাশাপাশি তিনি এটাও বলেছেন যে, কেন্দ্র বর্ধিত প্রয়োজনীয়তা সত্ত্বেও বাংলায় মোট উৎপাদনের বাহিরে অন্যান্য রাজ্যের জন্য অক্সিজেন বরাদ্দ বাড়িয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে রাজ্যের জন্য মেডিক্যাল অক্সিজেন কমপক্ষে ৫৫০ মেগাটন তাৎক্ষণিকভাবে বরাদ্দের নির্দেশনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ভারতের বর্তমান করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে তিনি এই অনুরোধ জানিয়েছেন।

এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩০৮ মেগাটন অক্সিজেন নির্ধারণ করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অথচ রাজ্যে দৈনিক অক্সিজেন প্রয়োজন ৫৫০ মেগাটন।

চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেছেন যে, অনুরোধকৃত পরিমাণের চেয়ে কম যেকোনো বরাদ্দ সরবরাহ করা হলে তা কেবল বিরূপ প্রভাব ফেলবে তা নয়, বরং এর ফলে রোগীদের প্রাণহানিও হতে পারে। সূত্র: এএনআই।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর