শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২০ ১২:২৪
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি, ২০২০ ১৩:৩৫

দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্ববাজারেও ভালো ব্যবসা করবে 'সারা'

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্ববাজারেও ভালো ব্যবসা করবে 'সারা'
মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেইন

দেশের পোশাকশিল্পের নিজস্ব ব্র্যান্ড 'সারা' লাইফস্টাইল লিমিটেড। এটি রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের সঙ্গে জড়িত স্নোটেক্স গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান। ইতোমধ্যে রাজধানীর মিরপুর, বসুন্ধরা সিটি, মোহাম্মদপুর ও উত্তরাতে 'সারা'র আউটলেট চালু হয়েছে। 

দেশিয়-আন্তর্জাতিকের মিশেলে স্বল্প মূল্যে ফ্যাশন হাউজটি থেকে নিজেদের পছন্দের পোশাক কিনছেন সব বয়সের মানুষ। তবে শুধু দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা নয়, বিশ্ববাজারেও প্রতিষ্ঠিত হতে চায় 'সারা' লাইফস্টাইল লিমিটেড। 'সারা' মূলত 'স্নোটেক্স' গ্রুপের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠান। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে ধামরাইয়ে অবস্থিত স্নোটেক্স আউটারওয়্যার

স্নোটেক্স গ্রুপের অপর পরিচালক (অপারেশন) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেইন বলেন, ২০ বছর ধরে আমরা গার্মেন্টস সেক্টরে কাজ করছি, স্নোটেক্স আউটারওয়্যারে আমাদের অনেক কিছুই ডেভেলপ করা আছে। আমাদের যারা অভিজ্ঞ কর্মকর্তা-কর্মীরা আছেন তাদের সমন্বয়ে কিছু করা। সেখান থেকেই আসলে সারাকে প্রতিষ্ঠা করা।

তিনি আরও বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে আমরা এই প্রতিষ্ঠানটিকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে চাই। এরপর অন্যান্য বড় প্রতিষ্ঠানের মতো বিশ্ব বাজারেও সারাকে ব্র্যান্ড হিসেবে দাঁড় করানোর পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে সারা বিশ্ব বাজারেও ভালো ব্যবসা করবে। যেহেতু সারা বাংলাদেশের ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করছে, আপনাদের কথা মাথায় রেখেই। দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কথা চিন্তা করেই সারা কাজ করবে। আমরা অর্থের চেয়ে আতিথেয়তায় বিশ্বাসী। এও বিশ্বাস করি ক্রেতা সাধারণ আমাদের পাশে থাকবেন।

স্নোটেক্স গ্রুপের সহকারী ব্যবস্থাপক (অপারেশন) মো. জয়দুল হোসেন জানান, কর্মীদের উন্নয়ন, কাজের উন্নয়ন নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন কর্মশালা করে থাকে। এখানকার কর্মীদের জন্য রয়েছে দুপুরে ফ্রি খাবার। মাসের শেষ কর্ম দিবসে বেতন ও ওভারটাইম ভাতা, সেরা লাইন পুরষ্কার, সাপ্তাহিক বোনাস, প্রভিডেন্ট ফান্ড, খেলাধুলার জন্য আলাদা সময়, হাজিরা বোনাস, লিফটসহ নানা সুবিধা।

আগুন নির্বাপনেও স্নোটেক্সে রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ফায়ার সেফটির জন্য তাদের রিজার্ভে দুটি প্যানেল মিলিয়ে ১১ লাখ টন পানির মজুদ রয়েছে। একটি পুকুর রয়েছে, প্রয়োজনে যাতে সেখান থেকে পানি ব্যবহার করা যায়। পুকুরে দেশিয় মাছও চাষ করা হয়। বাংলাদেশ সরকারের রুল ও ফায়ার সার্ভিসের সেফটি কোড অনুযায়ী যা যা রাখা প্রয়োজন প্রতিষ্ঠানটিতে সবই আছে। সেফটি প্যানেল-ফায়ার ডিটেকটর আছে, অ্যালার্মিং ব্যবস্থা আছে।

মো. জয়দুল হোসেন আরও বলেন, ৬০ বিঘা জমিতে স্নোটেক্সের আউটারওয়ার ভবন দাঁড়িয়ে আছে সাড়ে চার লাখ স্কয়ার ফিটের উপর। স্পোর্টসওয়্যার নির্মাণ হচ্ছে ৬ লাখ স্কয়ার ফিটের উপর। এছাড়া আছে কর্মীদের জন্য নিজস্ব হাসপাতাল, মাতৃসেবাকেন্দ্র, ডে কেয়ার, নিরাপত্তা কর্মীদের থাকার ঘর ও বিশাল পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও রয়েছে।


বিডি-প্রতিদিন/ সিফাত আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য