শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩১ মার্চ, ২০২০ ২৩:৫৮

নামেই বিশেষায়িত হাসপাতাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

নামেই বিশেষায়িত হাসপাতাল

করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি ছাড়াই বগুড়া মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালকে বিশেষায়িত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ওই হাসপাতালে আইসিইউ (ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট), ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন নেই। এছাড়া পর্যাপ্ত অক্সিজেন সিলিন্ডার ও পিপিই’র (পার্সনাল প্রটেকশন ইক্যুপমেন্ট) সংকটও রয়েছে। অথচ এসবই আইসোলেশনে থাকা রোগীদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

করোনাভাইরাস সন্দেহভাজন রোগীদের চিকিৎসার জন্য বগুড়া মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালে গত ২৩ মার্চ দুপুরে খালি করা হয়। ওই দিন বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি রোগীদের ছাড়পত্র ও অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এছাড়াও বহির্বিভাগের রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর ২৪ ও ২৫ মার্চ হাসপাতালটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে দুই মিটার পর পর শয্যা বসানো হয়। সে সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, করোনাভাইরাস সন্দেহভাজন রোগীদের ২৬ মার্চ থেকে ভর্তি নেওয়া হবে। আইসোলেশনে থাকা রোগীদের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকদের ৩০ সদস্যের একটি প্যানেলও করা হয়। যারা পর্যায়ক্রমে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার পর সেলফ কোয়ারেন্টাইনে যাবেন। জানা গেছে গত রবিবার করোনাভাইরাস সন্দেহভাজন দুজনকে ভর্তি করা হয়েছে। আইসোলেশনে থাকা রোগীদের চিকিৎসার জন্য শুধু ১২০টি শয্যা তৈরি রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের ব্যবহারের জন্য কিছু পিপিই ছাড়া আর কোনো সরঞ্জাম নেই। অক্সিজেনও রয়েছে হাতে গোনা কয়েকটি। সেখানে আইসিইউ ইউনিট, ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনও নেই। এসব করোনা রোগীর জন্য বিশেষ প্রয়োজন। এছাড়াও কভিট-১৯ রোগী মোকাবিলার জন্য মাত্র দুজন চিকিৎসক রয়েছেন। 

ওই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নুরুজ্জামান সঞ্চয় জানান, কভিট-১৯ এর জন্য এই হাসপাতালটিকে জেলার পক্ষ থেকে বিশেষায়িত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ৩০ জনের একটি চিকিৎসা প্যানেলও রয়েছে। এদের মধ্যে দুজনের কভিট-১৯ এর প্রশিক্ষণ রয়েছে। তারাই অন্য চিকিৎসকদের শিখিয়ে কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর