শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ অক্টোবর, ২০২০ ২৩:৪৭

বগুড়ায় গ্রামীণ জীবনে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে লাইব্রেরি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

বগুড়ায় গ্রামীণ জীবনে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে লাইব্রেরি
বগুড়ার গ্রামে লাইব্রেরি -বাংলাদেশ প্রতিদিন

নন্দীগ্রামের আলতাব উদ্দিন, ইমান উদ্দিন অ্যান্ড কায়ছান লাইব্রেরিটি গ্রামের মানুষকে বই পড়ায় আগ্রহী করে তুলছে। নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের দামরুল পশ্চিমপাড়া গ্রামে হাটকড়ই সড়কের পাশে অবস্থিত এই লাইব্রেরিতে বইপ্রেমীদের রয়েছে উঠাবসা। আগের থেকে কিছুটা কমলেও পাঠক হারিয়ে যায়নি। এলাকার বিভিন্ন বয়সীরা এখনো বই পড়তে ও বই সংগ্রহ করতে লাইব্রেরিতে আসেন। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ১৩ বছর ধরে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে লাইব্রেরিটি। জানা যায়, ২০০৭ সালের ৩ মার্চ নন্দীগ্রাম উপজেলার দামরুল পশ্চিমপাড়া গ্রামে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক (অবসরপ্রাপ্ত) কোহিনুর বেগম। তিনি দামরুল গ্রামের মরহুম ইমান উদ্দিনের কন্যা। লাইব্রেরি করার জন্য জায়গা দিয়েছেন কোহিনুর বেগমের চাচাতো ভাই হাবিবুর রহমান ও সাইফুল ইসলাম। এদের মধ্যে সাইফুল একটি প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক। চাচা আলতাব উদ্দিন, বাবা ইমান উদ্দিন এবং মাতা কায়ছান বিবির নাম অনুসারেই লাইব্রেরির নামকরণ করেন কোহিনুর বেগম। তিনি ঢাকা এবং কানাডায় বসবাস করার কারণে বার্ষিক উৎসবে লাইব্রেরিতে আসেন। লাইব্রেরিতে গল্প, কবিতা, উপন্যাসসহ বিভিন্ন ধরনের সহস্র বই রয়েছে। গ্রামবাসীর যৌথ সমন্বয়ে রয়েছে পরিচালনা কমিটি। লাইব্রেরি দেখাশোনা করেন ৭৫ বছরের বৃদ্ধ রওশ্ন আলম। তিনি ওই পাঠাগার কমিটির সভাপতি। সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত লাইব্রেরি খোলা থাকে। বইপ্রেমী আবদুল্লাহ আল নোমান ও রাসেল মাহমুদ জানায়, লাইব্রেরিতে প্রায় সবই পুরনো বই। এ জন্য বইপ্রেমীদের আসা-যাওয়া কমছে।  নতুন বই সংগ্রহ থাকলে পাঠকের ভিড় বাড়বে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর