শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ২৩:২১

যানজটে আমদানি-রপ্তানি ব্যাহত, ভোগান্তি

দিনাজপুর প্রতিনিধি

যানজটে আমদানি-রপ্তানি ব্যাহত, ভোগান্তি

হিলি পৌর এলাকায় প্রতিদিনই বাড়ছে যানজট। সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে বাংলাদেশে প্রবেশে অপ্রশস্ত সড়কের কারণে স্থলবন্দর হিলিতে এমন যানজট ঘটছে। এ ছাড়া হিলিতে বাংলা ট্রাকের কোনো টার্মিনাল নেই। সেই সঙ্গে বাইপাস কোনো সড়ক নেই; যে পথ দিয়ে অন্য যানবাহনগুলো চলতে পারে। ফলে যানজট নিত্যদিনই থাকে। এ কারণে সঠিক সময় পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে ব্যাহত হয় আমদানি-রপ্তানি। তীব্র যানজটের কারণে একদিকে যেমন আমদানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত, অন্যদিকে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ। অথচ রাস্তা সম্প্রসারণ ও যানজট নিরসন করা গেলে বাড়বে আমদানি-রপ্তানি। বাড়বে সরকারের রাজস্ব, বলছেন ব্যবসায়ী ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। জানা যায়, আগে প্রতিদিন গড়ে ১২০-১৩০টি ট্রাক বিভিন্ন পণ্য নিয়ে হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশ করত। এখন ২৫০ থেকে ৩০০ ট্রাক পাথর, পিঁয়াজ, খৈলসহ বিভিন্ন পণ্য নিয়ে দুই দেশে আসা-যাওয়া করছে। এর ফলে সড়কে চাপ দিন দিন বাড়ছে। স্থানীয়রা জানান, একমুখী ও সংকীর্ণ রাস্তা, লেভেল ক্রসিং, সকাল থেকে ১১টা পর্যন্ত স্থলবন্দর থেকে ভারতে খালি ট্রাক প্রবেশ আর ১১টার পর শুরু হয় এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। যেখানে অন্য বন্দরগুলোয় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয় সকাল ৯টায়। হিলি স্থলবন্দরের চার মাথা মোড়ে সব সময় যানজট লেগে থাকে। সড়কগুলোও অপ্রশস্ত। একই রাস্তা দিয়ে মানুষ ও সব ধরনের যানবাহন চলাচল করে। আবার একই পথ দিয়ে হিলি-দিনাজপুর, হিলি-বগুড়া, হিলি-জয়পুরহাট সড়কের বাসও চলছে। এতে যাতায়াতে সীমাহীন দুর্ভোগের পড়েন স্থানীয়রা। এ ছাড়া কোনো রোগীকে এ সড়ক দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতেও পড়তে হয় ভোগান্তিতে। হাকিমপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর-রশীদ হারুন বলেন, ‘রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে এরই মধ্যে পরিকল্পনা করছে। রাস্তা বর্ধিতকরণের জায়গা অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় আছে। সড়কটি বর্ধিত হলে আশা করি যানজট নিরসন হবে। তবে স্থলবন্দরের প্রধান সড়কটি চার লেনে উন্নীত ও অন্য সড়কগুলো মেরামত করলে সমস্যার সমাধান হবে। এ ছাড়া দ্রুত সময়ে হিলি স্থলবন্দরের রাস্তাটি সম্প্রসারণ ও একটি ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ করে দিলে ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ হবে। একটি ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণের পাশাপাশি একটি বাইপাস সড়ক হলে যানজট আর থাকবে না।’ উল্লেখ্য, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়। তবে ২০০৭ সালের ২৬ নভেম্বর এটি শুল্ক স্টেশন থেকে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর হিসেবে যাত্রা করে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর