শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:০০

লাইন না হওয়ায় সঞ্চালন হচ্ছে না উৎপাদিত বিদ্যুৎ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

কলাপাড়ায় ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হলেও সঞ্চালন লাইন নির্মাণ না হওয়ায় একটি ইউনিটে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারছে না। সূত্র জানায়, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। একটি ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে। কিন্তু সঞ্চালন লাইন নির্মাণ না হওয়ায় ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার অন্য কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ সরবরাহের অপেক্ষায় আছে। সরকারের ২.৩৫ বিলিয়ন ডলার খরচ করে বাংলাদেশ ও চায়না যৌথ বিনিয়োগে তৈরি হওয়া প্রকল্পটি লক্ষ্যমাত্রা থেকে পিছিয়ে পড়ছে। দ্বিতীয় ধাপে আরও দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজওয়ান ইকবাল খান জানান, ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিন পিং পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন।

 বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল) কর্তৃপক্ষ প্রথম পর্যায়ে ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিটের নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করেছে। যার একটি ২০২০ সালের ১৫ মে থেকে জাতীয় গ্রিডে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। আর দ্বিতীয় ইউনিটটির কাজ শেষ হয়েছে গত ৮ ডিসেম্বর। কিন্তু সঞ্চালন লাইন তৈরির কাজ শেষ না হওয়ায় দ্বিতীয় কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারছে না।

পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শাহ আবদুল মাওলা জানান, দুই দেশের যৌথ বিনিয়োগে পরিচালিত এই প্রকল্পে এ পর্যন্ত ২.৩৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। যার মধ্যে চীনের এক্সিম ব্যাংক থেকে ১.৯৮ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নেওয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী বিসিপিসিএল নির্ধারিত সময় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শেষ করেছে। তবে কয়েক দফা সময় বাড়ালেও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) পায়রা থেকে গোপালগঞ্জ পর্যন্ত সঞ্চালন লাইন নির্মাণ কাজ শেষ করতে পারলেও গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার আমিনবাজার পর্যন্ত সঞ্চালন লাইন এখনো নির্মাণ করতে পারেনি। ফলে বাধ্য হয়ে একটি ইউনিট চালু রাখছে বিসিপিসিএল।