শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:০৩

ব্রিজ আছে রাস্তা নেই

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

ব্রিজ আছে রাস্তা নেই

নওগাঁর নিয়ামতপুরের চান্দইল খালের ওপর ব্রিজ আছে। কিন্তু দুই পাশে কোনো সংযোগকারী রাস্তা নেই। গাংগোর-বাঘরাইল রাস্তার বনগাঁ চান্দইল গ্রামের দক্ষিণ পূর্বদিকে যাওয়ার পথে রাস্তার পাশেই সড়কবিহীন ব্রিজটির অবস্থান। কিন্তু সড়কবিহীন ব্রিজটি কোনো কাজেই আসছে না। কয়েকটি গ্রামের মানুষের চলাচলে খালের ওপর নির্মিত হয়েছিল ব্রিজটি। জানা গেছে, চান্দইল গ্রামের দক্ষিণ পাশে সিংড়া জামাইপাড়া খালে ৩২ ফুট দৈর্ঘ্যরে ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। ব্রিজটির মূল অংশের কাজ শেষ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো পরিকল্পনা ছিল না দুই পাশের সংযোগ গাইড অংশের কাজ শেষ করার। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নিজ অর্থায়নে বনগাঁ চান্দইল থেকে সিংড়া পর্যন্ত  সরকারি অর্থায়নে মাটি ভরাটের কাজ চলছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর নিয়ন্ত্রণাধীন সেতু-কালভার্ট নির্মাণ কর্মসূচির ২০১৮-১৯ অর্থবছরের কাজ ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২৪  লাখ ৪৮ হাজার ৭৪৬ টাকা ব্যয়ে উপজেলার পাড়ইল ইউনিয়নের সিংড়া জামাইপাড়া খালের ওপর ৩২ ফিট দীর্ঘ একটি আরসিসি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতু নির্মাণের দায়িত্বে ছিলেন মেসার্স তোহতোবা এন্টারপ্রাইজ। প্রায় সাড়ে ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ব্রিজ নির্মাণ করা হলেও দুই পাশে কোনো সংযোগ সড়ক না থাকায় তা কাজে আসছে না।

ব্রিজটির সংযোগ সড়ক না থাকার কারণে কয়েকটি গ্রামের মানুষ ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছেন না। এদিকে কৃষক তাদের উৎপাদিত পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে গ্রামসহ বিভিন্ন বাজারে নিয়ে যেতে পারছেন না। অথচ ব্রিজটি ব্যবহারের উপযোগী হলে বনগাঁ চান্দইল, সিংড়া অপর অংশে ভালুকুড়ি, পিরপুর গ্রামের মানুষের যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহন সহজ হতো। নাচোলের ভালুকুড়ি পিরপুর গ্রামের মহন, রেশম বাসকি জানান, গ্রামের ছেলে মেয়েরা বনগাঁ চান্দইল এনজিও স্কুলে যায়। এ ছাড়া সিংড়া গ্রামের লোকেরা অনেক কষ্টে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করে ওই স্থানে একটি ব্রিজের অনুমোদন নিয়ে এসেছে। কিন্তু ব্রিজটির মূল অংশের কাজ শেষ হলেও দুই পাশের সংযোগ গাইড লাইনের কাজ এখন পর্যন্ত না হওয়ায় ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছি না। পাড়ইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মুজিব গ্যান্দা বলেন, কয়েক গ্রামের মানুষ অনেক কষ্টে খাল পার হতো। ব্রিজটি নির্মাণ করা হলেও সংযোগ সড়ক নেই। সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে বর্তমানে ওই জায়গায় মাটি ভরাটের কাজ চলছে।

এই বিভাগের আরও খবর