শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ মার্চ, ২০২১ ২৩:৪৮

গ্রাহকের ৪ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

Google News

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে কুসুমকলি পল্লী উন্নয়ন সোসাইটি নামে এক এনজিওর নির্বাহী পরিচালক গ্রাহকের প্রায় ৪ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা রয়েছেন। এতে জনরোষের মুখে রয়েছেন ওই এনজিওতে কর্মরত ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ ঘটনায় কুসুমকলির এরিয়া ম্যানেজার নিয়ামত আলী শিবগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, ২০১১ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সমাজসেবা অফিস থেকে কুসুমকলি পল্লী উন্নয়ন সোসাইটি নামের এনজিওটি রেজি. নিয়ে শিবগঞ্জ উপজেলার চাতরা, ত্রিমোহনী বাজারে হেড অফিস করে কার্যক্রম শুরু করে। পরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ১১টি শাখা খুলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সঞ্চয়, এফডিআর ও ঋণ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। যদিও এনজিওটির ঋণ বা জামানত কার্যক্রমের জন্য মাইক্রোক্রেডিট অথরিটি-এমআরএ’র কোনো অনুমোদন নেই। এদিকে গত ৩ মার্চ থেকে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক খাইরুল ইসলাম গ্রাহকদের প্রায় ৪ কেটি টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যান। একপর্যায়ে এনজিওতে কর্মরত কর্মকর্তারা নির্বাহী পরিচালক খাইরুল ইসলামের বাড়িতে গত ৫ মার্চ খোঁজ নেওয়ার জন্য গেলে তার স্ত্রী ও ভাইসহ আত্মীয়-স্বজন তাদের কোনো সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হন। ইতিমধ্যেই বিষয়টি গ্রাহকদের মাঝে জানাজানি হলে তারা সেখানে কর্মরত কর্মকর্তাদের চাপের মধ্যে রেখেছেন। ফলে বাধ্য হয়ে ওই এনজিওতে কর্মরত এরিয়া ম্যানেজার লাপাত্তা হয়ে থাকা নির্বাহী পরিচালক খাইরুল ইসলামের সন্ধান ও তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধার করে গ্রাহকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য শিবগঞ্জ থানায় অভিযোগ করা হয়। শিবগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র জানান, তিনি অভিযোগ পেয়ে কয়েকবার সংস্থার নির্বাহী পরিচালক খাইরুল ইসলামের বাড়িতে গেলেও তার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, জেলায় প্রায় সাড়ে ৩০০ এনজিও কোনো অনুমোদন ছাড়াই ঋণ ও সঞ্চয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই একাধিক এনজিও গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা নিয়ে গা-ঢাকা দিয়েছে। এসব অবৈধ এনজিওর কার্যক্রম বন্ধ করতে জেলা প্রশাসন দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেবে বলে প্রশাসনের পক্ষ হতে জানানো হয়েছে।