শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ এপ্রিল, ২০২১ ২২:৪৬

কালো সোনা উৎপাদনে সফলতা

দিনাজপুর প্রতিনিধি

কালো সোনা উৎপাদনে সফলতা

কালো সোনা নামেখ্যাত পিঁয়াজের বীজ উৎপাদন করে প্রান্তিক চাষিদের কাছে সহজলভ্য করায় সফলতা অর্জন করেছে চাষিরা। দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলায় কৃষক পর্যায়ে প্রথমবারের মতো কালো সোনা নামে অভিহিত উচ্চ ফলনশীল বারি পিঁয়াজ-১ এর বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে পরীক্ষামূলক চাষ করা হয়েছে। বর্তমানে পিঁয়াজের ফুল থেকে বীজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। খানসামায় কৃষক পর্যায়ে উপজেলা কৃষি অফিসের বাস্তবায়নে সম্ভাবনাময় বারি পিঁয়াজ-১ জাতের এ বীজ এক একর জমিতে চাষ করেছেন কাচিনীয়া গ্রামের মো. শরিফুল ইসলাম। উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি বছর খানসামা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আওতায় ভাবকী ইউপির কৃষক শরিফুল ইসলামকে বারি পিঁয়াজ-১ জাতের কন্দ প্রদান করা হয়েছে। এর আগে কৃষক শরিফুলকে চাষ পদ্ধতি, বীজ উৎপাদন পদ্ধতি, সংরক্ষণ পদ্ধতি ও বাজারজাতকরন প্রক্রিয়া বিষয়ে বগুড়া, দিনাজপুর ও খানসামায় একাধিকবার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এসব কন্দ গত নভেম্বর মাসে লাগানো হয়। বর্তমানে পিঁয়াজের ফুল থেকে বীজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। কৃষক শরিফুল ইসলাম বলেন, কৃষি অফিসের প্রশিক্ষণ ও নির্দেশনা অনুযায়ী প্রদর্শনীর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো স্থানীয়ভাবে বীজ উৎপাদনে পরীক্ষামূলক চাষ করছি। পিঁয়াজের কন্দ বাদে জমি তৈরি, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ এবং পরিচর্যা বাবদ এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে প্রায় ৫৫ হাজার টাকা। চাষকৃত এসব ফুল থেকে প্রতি একরে ২০০ থেকে ২৫০ কেজি পর্যন্ত বীজ সংগ্রহ হবে বলে আশা করছি।

এসব বীজ সংরক্ষণ করে বাজারজাতকরণে কৃষি মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে। খানসামা উপজেলা কৃষি অফিসার বাসুদেব রায় বলেন, পিঁয়াজ বাংলাদেশের একটি অর্থকরী মসলা ফসল ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোগ্যপণ্য। কালো সোনাখ্যাত পিঁয়াজ বীজ উৎপাদন একটি লাভজনক প্রযুক্তি। রবি মৌসুমে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাষিরা অধিক মুনাফা অর্জন করতে পারে। কৃষি বিভাগ থেকে উপজেলার পিঁয়াজ বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিপণনে চাষিদের নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ প্রদান অব্যাহত রয়েছে। ভালোমানের পিঁয়াজ বীজ উৎপাদন করে আর্থিক মুনাফা অর্জন হবে বলে তিনি মনে করেন।

এই বিভাগের আরও খবর