শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ মে, ২০২১ ২৩:২৫

রান্নার সিলিন্ডার গ্যাসে চলছে অটোরিকশা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

রান্নার সিলিন্ডার গ্যাসে চলছে অটোরিকশা
Google News

গাইবান্ধা জেলায় সিএনজি নামে পরিচিত অটোরিকশাগুলো বেআইনিভাবে রান্নার কাজে ব্যবহার করা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবহার করছে অবাধে। এতে যে কোনো সময় বিস্ফোরণ ঘটে প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। হঠাৎ হঠাৎ মোবাইল কোর্টের মতো অভিযান করে দায় সারছে প্রশাসন। যা কোনো ফল বয়ে আনছে না বলে অভিযোগ পৌরবাসীর। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাইবান্ধা জেলা শহর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ৩৫০ সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করছে। শহরের ৬টি জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্ট্যান্ড থেকে এগুলো গন্তব্যে ছেড়ে যায়। চোখের আড়াল করতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে চালকের সিটের নিচে রেখে সিলিন্ডারগুলোকে প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। গাইবান্ধা শহরে দুটি এবং সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় সিএনজি (কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস) ফিলিং স্টেশন থাকলেও সেখান থেকে গ্যাস নেওয়া হয় না। চালকদের অভিযোগ ফিলিং স্টেশনগুলো বাতাসের পরিমাণ বেশি দেওয়ায় তাদের ক্ষতি হয়। তাই তারা সরাসরি রান্নার কাজের এলপি গ্যাসভর্তি সিলিন্ডার ব্যবহার করেন। শহরের তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দুটি সরকারি অফিসের গেট সংলগ্ন জনবহুল স্থানে অটোরিকশার অবৈধ স্ট্যান্ডগুলো যে কোনো সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়লে তা ছাত্রছাত্রীসহ সাধারণের প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। শহরের প্রাণকেন্দ্র পুরাতন জেলখানা রোডে বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের গেটের সামনে, ভিএইড রোডে আবু হোসেন সরকার কারিগরি মহিলা কলেজের গেটে, গোরস্তান রোড, শচীন চাকি সড়কে, সাদুল্যাপুর সড়কে জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদফতর এবং মিফতাহুল উলুম নূরানী মাদরাসার গেটে, পুরাতন ঘাঘট ব্রিজের উপরে, এসিল্যান্ড অফিসমুখী মোড়ে অবস্থান নিয়ে থাকছে অটোরিকশাগুলো। স্ট্যান্ড থেকে সদরের বাদিয়াখালী, কামারজানি, সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া, উল্যাসোনাতলা, পলাশবাড়ি, সুন্দরগঞ্জ, সাদুল্যাপুর উপজেলার বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করে থাকে এগুলো। গাইবান্ধা সিএনজি অটোরিকশা ও অটোটেম্পু মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরিফ মিয়া রিজু বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, বগুড়া থেকে সিএনজিচালিত আটোরিকশাগুলোকে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারের উপযোগী করে নেন মালিকরা। সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে গ্যাস নিলে তাতে বাতাস বেশি থাকায় আমাদের ক্ষতি হয়।

এলপিজিতে চালালে আমাদের সাশ্রয় হয়। গাইবান্ধা বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান বলেন, সম্পূর্ণ অবৈধভাবে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশাগুলো চলছে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করি, জরিমানাও আদায় করা হয়। কিন্তু অভিযানের সময় অনেকেই সটকে পড়ে। আবার অভিযান শেষে তারা চলাচল শুরু করে দেয়।

এই বিভাগের আরও খবর