শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ মে, ২০১৯ ১৭:১৩

অতিরিক্ত ফি ও বেতন আদায়ের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

মো: জহুরুল আলম, খাগড়াছড়ি :

অতিরিক্ত ফি ও বেতন আদায়ের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
রাস্তায় অবস্থান নেয়া ছাত্র-ছাত্রীদের সরিয়ে নিচ্ছে পুলিশ
অতিরিক্ত ফি ও বেতন আদায়ের প্রতিবাদে খাগড়ছড়ির মানিকছড়ি গিরী মৈত্রী ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেছে। জানা যায়, চলতি এইচএসসি পরীক্ষা-২০১৯ এর ব্যবহারিক পরীক্ষায় জন প্রতি ১০০-১৫০ টাকা বেশি এবং ১ম বর্ষে বেতন বৃদ্ধির প্রতিবাদে রবিবার কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা রাস্তায় অবস্থান নেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
 
চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, কোচিং এর নামে উত্তোলিত প্রায় ৮৮৬ জন থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা লুটপাট। চলমান পরীক্ষার শেষ পর্যায়ে ব্যবহারিক পরীক্ষার নামে বিজ্ঞান বিভাগের প্রতি ছাত্রছাত্রী থেকে সাড়ে ৯ শত টাকা ,ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে সাড়ে ৩ শত টাকা হারে টাকা গ্রহণ। একই সঙ্গে ১ম বর্ষের চলমান ফাইনাল পরীক্ষা কেন্দ্রে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির শিক্ষার্থী থেকে শুধু ফি বাবদ সাড়ে তিনশ আর বাঙ্গালী শিক্ষার্থীদের নিকট ফি ও বেতন বাধ্যতামূলক করায় ছাত্রছাত্রীরা এর প্রতিবাদ শুরু করেন। 
 
যার ফলে ১৯ মে অনুষ্ঠিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষার হলে ছাত্রছাত্রীরা বেতন ও ফি না দেয়ায় খাতা ছিনিয়ে নেয় শিক্ষকরা। এতে ছাত্রছাত্রীরা ক্ষিপ্ত হয়ে কলেজ ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. হাসানের নেতৃত্বে এ ঘটনার প্রতিবাদ করেন এবং ছাত্রছাত্রীরা চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়ক অবরোধ করে। সড়কে ছাত্রছাত্রীদের অবস্থানের খবর পেয়ে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সরজমিনে উপস্থিত হয়ে রাস্তা থেকে ছাত্রছাত্রীদের সরিয়ে দেয়।
 
ঘটনার খবর পেয়ে ভারপ্রাপ্ত ইউএনও এবং কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি রুবাইয়া আফরোজ, অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ রশীদ কলেজ অধ্যক্ষের কার্যালয়ে জরুরী বৈঠকে বসেন। সেখানে চলমান এইচএসসি পরীক্ষায় ব্যবহারিক পরীক্ষার নামে টাকা গ্রহণ এবং ১ম বর্ষের পরীক্ষার্থীদের খাতা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা সর্ম্পকে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ ১ম বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের বেতন আদায়ে একটু কড়াকড়ির বিষয়ে জবাব দিলেও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী ৮৮৬ জন থেকে আদায়করা প্রায় পাঁচ লাখ টাকা আদায়ের সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হয়! 
 
পরে ইউএনও কলেজ অধ্যক্ষকে ছাত্রছাত্রীদের নিকট থেকে বিধিবর্হিভূত ভাবে আদায় করা টাকা ফেরৎসহ ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণে বোর্ড নিদের্শনায় কি নিয়ম-নীতি রয়েছে তা মেনে চলার নির্দেশ দেন। এদিকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মংচাইঞো মারমা মুঠো ফোনে জানান, আমি অতিরিক্ত ফি আদায় করিনি ,যারা ব্যবহারিক পরীক্ষা নিচ্ছে তারা অতিরিক্ত ফি নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
 
বিডি-প্রতিদিন/শফিক

আপনার মন্তব্য