শিরোনাম
প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৩:৪৭
প্রিন্ট করুন printer

বু‌দ্ধিজীবীদের স্মরণে সাতক্ষীরায় মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

মনিরুল ইসলাম মনি, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :

বু‌দ্ধিজীবীদের স্মরণে সাতক্ষীরায় মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

‘আমি আমার পূর্ব পুরুষের কথা বলছি, তার করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল তার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল’ এই কবিতার চরণকে সামনে রেখে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শহীদ মিনারে হাজার মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সংসদ সদস্য অ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুনসুর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন, স্থানীয় সরকার বিভাগ উপ-পরিচালক সাতক্ষীরা মো. হুসাইন শওকত, পৌরসভার মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সাঈদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. বদিউজ্জামান, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এস এম আফজাল হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাজান আলী, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাদাৎ হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম প্রমুখ।

এতে মহান স্বাধীনতার স্বপক্ষের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেবাশীষ চৌধুরী ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মুসফিকুর রহমান মিল্টন।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:০৭
প্রিন্ট করুন printer

কুড়িগ্রামে তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামে তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত

“বাবা, একনা কম্বল চাওং বাবা, শীতত গাও গডগডে কাঁপে। যাওং কডে না যাওং কডে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রচন্ড ঠাণ্ডায় ভিক্ষা করতে আসা জরিমন বেওয়া কথাগুলো বলেন। এলাও কাইয়ো একনা কম্বলও দেয় নাই।’ সকাল সাড়ে এগারোটা বাজলেও সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছিলনা। 

শহরের শাপলা চত্বরে দেখা হলে শীতে কাঁপতে কাঁপতে জরিমন বেওয়া কথাগুলো বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন। অনেক আগেই স্বামী মারা যায়। দুই ছেলে বিয়ে করে আলাদা কাজ করে রোজগার করে। মায়ের খবর না নেয়ায় তিনি এখন ভিক্ষে করেন।

একই অবস্থা জেলা শহরের আরও অনেক এলাকায় বিরাজ করছে। পৌরসভার ভোকেশনাল মোড় এলাকায় উলিপুর থেকে আসা রিকশাচালক বছিয়ত মিয়া বলেন,‘দুইদিন থাকি এত কুয়াশা রিক্সাই বের করা যায়না। পেটের দায়ে রিক্সা বের করলেও প্যাসেঞ্জার নাই। একটা ভাড়া ধরি আসচি। এখন বসি আছি।’

গত দুইদিন ধরে প্রচন্ড ঠাণ্ডায় কাহিল অবস্থা এখানকার মানুষের। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় কুড়িগ্রাম জেলার স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। ফের নতুন করে শুরু হয়েছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। তাপমাত্রা ৯ থেকে ১০ ডিগ্রিতে ওঠানামা করছে। ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঘন কুয়াশা  সারারাত বৃষ্টির মত টিপটিপ করে পড়ছে। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে গেলেও সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছেনা। ফলে শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষগুলো কাজে যেতে পারছেন না।

বুধবার রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার তাপমাত্রা অনেক কমেছে এবং ৯ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।অতিরিক্ত ঠাণ্ডার কারণে রাস্তাঘাট দেখা যায়না।হেড লাইট জ্বালিয়ে দূরপাল্লার যান চলাচল করতে দেখা যায়। অতিরিক্ত ঠাণ্ডার কারণে প্রতিদিনই শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। 

ঘন কুয়াশা ও ঠাণ্ডায় গবাদি পশুগুলোরও কষ্ট বেড়েছে। শীতের গরম কাপড়ের অভাব গরীব দুঃস্থদের মধ্যে প্রকট আকার ধারণ করেছে।জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনসহ বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা নগণ্য। জেলায় পর্যাপ্ত কম্বলসহ শীতবস্ত্র দেয়ার দাবি শীতার্ত মানুষের।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৫৭
প্রিন্ট করুন printer

চিকিৎসাধীন ২৯ রোগী উদ্ধার

রংপুরে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে রোগীদের ওপর অমানবিক নির্যাতন

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

রংপুরে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে রোগীদের ওপর অমানবিক নির্যাতন

রংপুরে প্রধান মাদকাসক্তি নিরাময় পুনর্বাসন কেন্দ্রে নামে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে রোগীকে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে এক রোগীকে অমানবিক নির্যাতনের সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে এই অমানবিক নির্যাতনের ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। তখন এলাকবাসি ও রোগীদের স্বজনরা কেন্দ্রটি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করে। পরে পুলিশ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লোকজন গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে চিকিৎসাধীন ২৯ রোগীকে উদ্ধার করে ২৭ জনকে তাদের অভিভাবকের নিকট হস্তান্তর করেন। 

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এক রোগীর কয়েকজন স্বজন প্রধান মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র নামে ওই প্রতিষ্ঠানটিতে যান। এ সময় প্রায় সব রোগী চিকিৎসার নামে নিজেদের ওপর চলা শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা খুলে তাদের উদ্ধারের অনুরোধ জানান। নির্যাতনের বর্ণনা শুনে এলাকবাসি ও রোগীর স্বজনরা প্রতিষ্ঠানটি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। এসময় কেন্দ্রের ইনজার্চ আকিব হোসেন, মোহনসহ অন্যান্যরা পালিয়ে যায়। 

নিরাময় কেন্দ্রে থাকা রোগীদের অভিযোগ, প্রতিদিনই তাদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। কেন্দ্রের ইনচার্জ আকিব ও মোহন মিলে তাদেরকে লোহার পাইপ দিয়ে প্রতিদিন মারপিট করে। ইলেকট্রিক শক দেয়া ছাড়াও বিবস্ত্র করে শরীরের বিভিন্ন অংশে মরিচের গুঁড়া লাগিয়ে  নির্যাতন করা হয়। খাবার ঠিক মত দেয়া হত না। ৩টি রুমে ৩০ থেকে ৩৫ রোগীকে একসাথে মেঝেতে গাদাগাদি করে রাখা হত। তাদের আলাদা রুমে নিয়ে ইচ্ছে মতো পেটানো হত বলে রোগীরা অভিযোগ করেন। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে চিৎকার করতে থাকেন মাদকাসক্ত রোগীরা।

চিকিৎসাধিন মাদকাসক্ত এক রোগী জানান, সঙ্গ দোষে নেশা ধরেছিল। বাবা-মা ওই নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করায়। প্রায় ৪ মাস থেকে সেখানে রয়েছে। কথায় কথায় তাকে মারধর করা হত। শাস্তি হিসেবে না খাইয়ে রাখা হত। 

চিকিৎসাধীন আরেক রোগী বলেন, অপরাধীকে যে ভাবে পেটানো হয়। আমাকেও এখানে প্রতিদিন পেটানো হত। চিৎকার করলে জোর করে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দেয়া হত। আবার ঘুম ধরলে চোখে মরিচের গুড়া লাগিয়ে দেয়া হত। 

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সাব ইন্সপেক্টর তাহেদুল আলম সোহাগ বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। সেখানে রোগীদের নির্যাতন, অনিয়ম, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও নানান অব্যবস্থাপনার প্রমাণ পেয়েছি। প্রতিষ্ঠানটি লাইসেন্স বাতিল করে সিলগালা করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।  

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ- পুলিশ কমিশনার মারুফ হোসেন জানান, নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ২৯ রোগীর মধ্যে ২৭ জনকে তাদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি দুজনের অভিভাবককে খবর দেয়া হয়েছে। তারা এলে ওই দুজনকে হস্তান্তর করা হবে। তিনি জানান, নিরাময় কেন্দ্রটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিলগালা করেছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা তারা গ্রহণ করবেন। 

জেলা সিভিল সার্জন ডা. হিরন্ব কুমার রায় বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের একটি প্রতিনিধি দল সেখানে গিয়েছে। তারা পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।  

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৫২
প্রিন্ট করুন printer

জামালপুরে ট্রিপল মার্ডার মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুরে ট্রিপল মার্ডার মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

জামালপুরে ইউপি সদস্যসহ চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডার মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড ও একজনের যাবজীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জিন্নাৎ জাহান ঝুনু এই রায় দেন। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল কাশেম তারা জানান, সরিষাবাড়ী উপজেলায় ২০১৩ সালের ১৪ নভেম্বর বিকেলে পিংনা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নলসন্ধ্যা গ্রামের বাসিন্দা মো. ফজলুর রহমান (৫০) ও তার সঙ্গী ইউসুফ (৫২) যমুনা নদীর বাসুরিয়া খেয়াঘাট থেকে কোরবান আলী তালুকদারের (৬০) ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে বাড়ী ফিরছিলেন। চর নলসন্ধ্যা খেয়াঘাটের কাছে পৌছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে জলদস্যু আব্দুল হাইয়ের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত ইঞ্জিন চালিত নৌকাযোগে তাদের উপর হামলা ও মারধর করে।

একপর্যায়ে নৌকাসহ অপহরণ করে যমুনা নদীর গভীরে নিয়ে যায় জলদস্যুরা। ঘটনার তিনদিন পরে ইউসুফ ও পাঁচদিন পরে ফজলুর রহমানের মৃতদেহ যমুনা নদী থেকে উদ্ধার করা হলেও কোরবান আলী নিখোঁজ রয়েছে। এ ব্যাপারে নিহত ফজলুর রহমানের স্ত্রী সুরাইয়া খাতুন (৪৫) বাদী হয়ে আব্দুল হাইকে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের বিরুদ্ধে সরিষাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ১২ জুলাই চার্জশিট দাখিল করে সিআইডি।

পরবর্তীতে মামলার সকল আসামিকে আটক করে জেলা হাজতে প্রেরণ করা হয়। মামলায় ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামি বেলালকে (৩৫) মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমান, হুরমুজ আলীকে (৩৭) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড  ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ১২ জনকে খালাসের আদেশ দেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জিন্নাৎ জাহান ঝুনু। সকল আসামির উপিস্থিতিতেই এই রায় দেয়া হয়। মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। 

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:০৬
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৪২
প্রিন্ট করুন printer

জয়পুরহাটে ধর্ষণের অভিযোগে সহযোগীসহ ইউপি সদস্য গ্রেফতার

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটে ধর্ষণের অভিযোগে সহযোগীসহ ইউপি সদস্য গ্রেফতার

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে এক গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধরঞ্জী ইউপি সদস্য শাহাবুল ইসলামসহ তার সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের ঘটনায় পাঁচবিবি থানায় মামলা হলে আজ বুধবার সকালে ধরঞ্জী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- ধরঞ্জী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও মির্জাপুর গ্রামের শরিফ উদ্দিনের ছেলে শাহাবুল ইসলাম (৪২) এবং তার সহযোগী জয়পুরহাট সদর উপজেলার উত্তর বানিয়াপাড়া গ্রামের জবায়দুর রহমানের ছেলে দুদু মিয়া (৩২)। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, গার্মেন্টসে চাকরির সূত্রে ওই তরুণীর সাথে পাঁচবিবি উপজেলার নন্দইল গ্রামের জাহিদ হোসেনের (৩৫) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে জাহিদ ওই তরুণীকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে প্রায় দেড় লক্ষ হাতিয়ে নিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

পরে ওই গার্মেন্টস কর্মী তরুণী ইউপি সদস্য শাহাবুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করে। শাহাবুল জাহিদের নিকট থেকে টাকা উদ্ধার ও তার সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পাঁচবিবিতে আসতে বলেন। এরপর ওই তরুণী সেখানে গেলে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে ইউপি সদস্য শাহাবুল ও তার এক সহযোগী। 

পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র দেব জানান, মঙ্গলবার রাতে গার্মেন্টস কর্মী এক তরুণী থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করলে পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত করে ধর্ষণের সত্যতা পায় এবং ইউপি সদস্য শাহাবুল ইসলাম ও তার সহযোগী দুদু মিয়াকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:০১
প্রিন্ট করুন printer

চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

‘তথ্য প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার : আসক্তি রোধ’ শ্লোগান নিয়ে চুয়াডাঙ্গায় ৪২তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে চুয়াডাঙ্গা ডিসি সাহিত্য মঞ্চে মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। 

চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মনিরা পারভীনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. আবু তারেক, আদর্শ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আজিজুর রহমান, সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের মেলায় ২৪টি স্টল স্থাপন করা হয়েছে। 

আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বিজ্ঞানমনস্ক হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। আশা করবো এখান থেকে অর্জিত জ্ঞান দেশের কল্যাণে কাজে লাগবে।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর