ঢাকার কেরানীগঞ্জে পৃথক স্থান থেকে এক বৃদ্ধা নারী ও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে জিনজিরা–সৈয়দপুর সড়কের দেওশুর এলাকা থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই দিন বিকেলে কেরানীগঞ্জের বুড়িগঙ্গা নদীর শ্যামপুর খেয়াঘাটসংলগ্ন মাঝনদী থেকে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করে নৌপুলিশ।
পুলিশ জানায়, সকালে স্থানীয় লোকজন দেওশুর এলাকায় রাস্তার পাশে এক বৃদ্ধা নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত নারীর বয়স আনুমানিক ৭৫ বছর। তাঁর পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, ওই নারী মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তিনি এলাকায় ঘুরে বেড়াতেন এবং কখনো কখনো ভিক্ষাও করতেন। তার পরনে ছিল ময়লা প্রিন্টের কাপড়।
এদিকে বিকাল পাঁচটার দিকে কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদীর শ্যামপুর খেয়াঘাট এলাকায় মাঝনদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে খবর পেয়ে হাসনাবাদ নৌপুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত যুবকের বয়স আনুমানিক ৩০ বছর। তার পরনে জিন্সের প্যান্ট ও ফুলহাতা শার্ট ছিল। পুলিশ ধারণা করছে, মরদেহটি দুই থেকে তিন দিন আগের। শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি কোনো লঞ্চস্টাফ হতে পারেন।
পুলিশ দুটি মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
এ ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানা ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহত দুজনের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
বিডি প্রতিদিন/এএম